প্রথম ওয়ানডেতে লড়াকু সংগ্রহ পেয়েও ভারতের ব্যাটারদের দাপটে বড় হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়। এবার দ্বিতীয় ওয়াডেতে নিজেদের ইতিহাসেরই সর্বোচ্চ ইনিংসের রেকর্ড গড়ল ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
স্বাগতিকদের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতেজন ক্যাম্পবেল, আমির জাঙ্গু ও শাই হোপের সেঞ্চুরিতে ৪০৫ রানের পাহাড় গড়েছে ক্যারিবীয়রা।
৫০ ওভারের ক্রিকেটে এটাই উইন্ডিজের দলীয় সর্বোচ্চ স্কোর। এর আগে ২০১৯ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৩৮৯ রান করেছিল ওয়েষ্ট ইন্ডিজ।
তবে ওয়ানডে ক্রিকেটে রেকর্ড ৪৯৮ রান করে অনন্য উচ্চতায় আছে ইংল্যান্ড। দ্বিতীয় এবং তৃতীয় সর্বোচ্চ ৪৮১ ও ৪৪৪ রানের মালিকও ব্রিটিশরা। ওয়ানডে ক্রিকেটে চতুর্থ সর্বোচ্চ ৪৪৩ রান করেছে শ্রীলংকা।
বুধবার ভারতের গুয়াহাটির বারসাপাড়া স্টেডিয়ামে টস জিতে ক্যারিবীয়দের প্রথমে ব্যাটিংয়ে পাঠায় ভারত। আগে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের শুরু থেকেই ব্যাটিং তাণ্ডব চালাতে থাকে ক্যারিবীয়রা।
৬ ওভার তথা ৩৬ বলে স্কোর বোর্ডে ৩৭ রান জমা করেন দুই ওপেনার জন ক্যাম্পবেল ও ক্যাসি কাটার। ১০ বলে ৯ রান করে কাটার আউট হওয়ার পর অধিনায়ক শাই হোপকে সঙ্গে নিয়ে ব্যাটিং তাণ্ডব শুরু করেন ক্যাম্পবেল।
দ্বিতীয় উইকেটে মাত্র ৭৯ বলে ১১০ রানের জুটি গড়েন ক্যাম্পবেল ও শাই হোপ। এই জুটিতে ক্যারিয়ারের ১৬তম ওয়ানডেতে দ্বিতীয় সেঞ্চুরি তুলে নেন ক্যাম্পবেল। তিনি মাত্র ৬৮ বলে ৯টি চার আর ৫টি ছক্কার সাহায্যে ১০১ রান করে সাজঘরে ফেরেন।
ক্যাম্পবেল আউট হওয়ার পর আমির জাঙ্গুকে সঙ্গে নিয়ে ব্যাটিং তাণ্ডব অব্যাহত রাখেন অধিনায়ক শাই হোপ। দ্বিতীয় উইকেটে তারা ১৩১ বলে ১৮২ রানের জুটি গড়েন। এই জুটিতে ক্যারিয়ারের ১৫৭তম ওয়ানডেতে ২০তম সেঞ্চুরি তুলে নেন শাই হোপ।
৪০ ওভারে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ ছিল ৩২৯ রান। সেই সময় আউট হন শাই হোপ। তার আগে ৯৪ বলে ৮টি চার আর তিন ছক্কায় ১০৪ রান করে ফেরেন ক্যারিবীয় এই অধিনায়ক। এরপর ব্যাটিংয়ে নেমেই আউট হন শেরেফানি রাদারফোর্ড।
৭৭ বলে ১৩টি বার আর ৩টি ছক্কার সাহায্যে (১১৪) ক্যারিয়ারের ১১তম ওয়ানডেতে দ্বিতীয় সেঞ্চুরি হাঁকান আমির জাঙ্গু।
ছয় নম্বর পজিশনে ব্যাটিংয়ে নেমে উইকেটের এক প্রান্ত আগলে রাখেন রোস্টন চেজ। অন্য প্রান্তের ব্যাটসম্যানরা আসা-যাওয়ার মিছিলে অংশ নেওয়ায় সাড়ে চারশো রানের স্কোর গড়ার সম্ভাবনা তৈরি করা উইন্ডিজ শেষ পর্যন্ত ৭ উইকেটে ৪০৫ রানে ইনিংস থামায়। ২৫ বলে ২৯ রান করে অপরাজিত থাকেন রোস্টন চেজ।