প্রথমবার ফিফার কোনো টুর্নামেন্টে খেলছে বাংলাদেশ। তবে শুরুটা ভালো হয়নি। মালয়েশিয়ার বিপক্ষে হার দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করেছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। দ্বিতীয় ম্যাচে তাই ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্য হামজা চৌধুরী-শমিত সোমদের। সেই লক্ষ্যেও কঠিনই পরীক্ষাই দিতে হবে বাংলাদেশকে। মাঠে নামবে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে।
সোমবার (২৭ সেপ্টেম্বর) ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তার গ্যালোরা বুন কারানো স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টায় সিঙ্গাপুরের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। ম্যাচটি বাংলাদেশের সরাসরি সম্প্রচার করবে টি-স্পোর্টস। অনলাইনে দেখা যাবে স্পোর্টসজিফাই অ্যাপে।
এ ম্যাচেও বাংলাদেশের জন্য লড়াইটা সহজ হবে না। কঠিন পরীক্ষাই দিতে হবে হামজা-শমিতদের। কারণ ফিফা র্যাঙ্কিং কিংবা অতীত ইতিহাস– সবখানেই বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে সিঙ্গাপুর। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে সিঙ্গাপুর আছে ১৪৮তম স্থানে আর বাংলাদেশ আছে ১৮২তম স্থানে।
অতীত পরিসংখ্যানও কথা বলছে সিঙ্গাপুরের পক্ষেই। এখন পর্যন্ত ৪ বার মুখোমুখি হয়েছে দুই দল। যেখানে শতভাগ জয় সিঙ্গাপুরের। এর মধ্যে গত দুই বছরই দুইবার জয় পেয়েছে সিঙ্গাপুর। এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের দুই লেগেই হেরেছিল বাংলাদেশ। অবশ্য দুই ম্যাচেই লড়াই করেছিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
বাংলাদেশের বিপক্ষে সিঙ্গাপুর শতভাগ পেলেও সর্বশেষ দুই ম্যাচে ঘাম ছুটাতে হয়েছে তাদের। এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে প্রথম লেগের ম্যাচে ঘরের মাঠে দারুণ লড়াই করেও শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলে হেরে যায় বাংলাদেশ। দ্বিতীয় লেগেও লড়াই জমিয়ে তুলে ১-০ গোলে হেরে যায় লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
সময় অবশ্য বদলেছে। সেই সময়ের চেয়ে বাংলাদেশ দল এখন অনেক বেশি শক্তিশালী। জিদান ইউসুফ, সুখি ইতোফুসা, ফারহান আলী ওয়াহিদদের আগমণে বাংলাদেশ দল এখন আরও পরিপক্ব। তাই লড়াইটা যে আরও কঠিন করবে বাংলাদেশ সেটিই প্রত্যাশা সমর্থকদের।
সেজন্য অবশ্য প্রথম ম্যাচের ভুল থেকে বেড়িয়ে আসতে হবে বাংলাদেশকে। মালয়েশিয়ার বিপক্ষে যে ছন্নছাড়া ফুটবল খেলেছিল বাংলাদেশ, সেটি ভুলে ঘুরে দাঁড়াতে হবে।