1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৩৬ পূর্বাহ্ন

ঘরোয়া ক্রিকেট আকর্ষণীয় করতে বিসিবির চমক ‘ডি থ্রি’ ট্রফি

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১৮ Time View

ঘরোয়া ক্রিকেট আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ও রঙিন করে তুলতে বিসিবির নতুন চমক ছয় দলের এই টুর্নামেন্ট, যেখানে প্রতিটি দল খেলবে তিনটি সংস্করণেই।

ডি থ্রি ট্রফির ঘোষণা দিচ্ছেন বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল। ছবি: বিসিবি।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

বক্তব্যের শুরুর দিকেই তামিম ইকবাল বললেন, “অনেক সময়ই সবাইকে বলতে শুনি, ঘরোয়া ক্রিকেট রং হারিয়েছে, ইন্টারেস্ট নেই…ওই রং, ওই ইন্টারেস্ট আমরা ফিরিয়ে আনতে চাই…।” সেই চেষ্টাতেই বিসিবি সভাপতি ঘোষণা দিলেন নতুন এক ঘরোয়া আসরের, যেটি নাম ‘ডি থ্রি’ (ডমেস্টিক থ্রি) ট্রফি। যেখানে একই আসরে খেলা হবে তিনটি সংস্করণে।

এমনিতে ঘরোয়া ক্রিকেটে বিপিএল ছাড়া অন্য কোনো টুর্নামেন্টকে ঘিরে জমকালো কোনো আয়োজন সাধারণত দেখা যায় না। তবে এটি রং ফেরানোর টুর্নামেন্ট বলে কথা! রাজধানীর একটি হোটেলে রোবরার রাতে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে নতুন এই কাঠামোর ঘোষণা দিল বিসিবি। টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।

ছয়টি দল নিয়ে হবে এই টুর্নামেন্ট। একই দল অংশ নেবে চার দিনের ম্যাচ, ৫০ ওভারের ক্রিকেট ও টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে। আগের ঘরোয়া কাঠামোয় থাকা বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগ (বিসিএল) ও জাতীয় লিগ টি-টোয়েন্টি এখন বাতিল হয়ে যাবে। তবে বড় দৈর্ঘ্যের ক্রিকেটের মূল আসর জাতীয় ক্রিকেট লিগ এবং একদিনের ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ আসর ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ আগের মতোই থাকবে আলাদা।

বিসিবি সভাপতি জানান, আটটি প্রতিষ্ঠান আগ্রহী হয়েছিল ‘ডি থ্রি’ ট্রফিতে দল নিতে। সেখান থেকে ছয়টি প্রতিষ্ঠানকে দল দেওয়া হয়েছে -এইস ব্লুস্টার, ওয়ালটন গ্রুপ, সিটিজেন ব্যাংক, একমি গ্রুপ, সেভেন রিংস সিমেন্ট ও ফরচুন গ্রুপ। এর মধ্যে একমি গ্রুপ, ফরচুন গ্রুপ ও এইস ব্লুস্টারের মালিকানায় আছেন বিসিবির তিন পরিচালক ফাহিম সিনহা, মিজানুর রহমান ও শানিয়ান তানিম। প্রতিষ্ঠানের নামেই দলগুলোর নাম হবে। দল দেওয়া হয়েছে তিন বছরের জন্য।

লটারির মাধ্যমে সিরিয়াল করে ছয়টি দল তাদের আইকন ক্রিকেটারেরও ঘোষণা করেছে। এইস ব্লু স্টার তাদের আইকন হিসেবে বেছে নিয়েছে নুরুল হাসান সোহানকে, ওয়ালটন গ্রুপের আইকন মেহেদী হাসান মিরাজ, সেভেন রিংস সিমেন্টের মুশফিকুর রহিম, একমি গ্রুপের মোসাদ্দেক হোসেন, ফরচুন গ্রুপের তাওহিদ হৃদয় এবং সিটিজেন ব্যাংকের আইকন মোহাম্মদ নাঈম শেখ।

ছয় দলের কর্ণধারদের সঙ্গে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ও বিসিবি কর্তারা। ছবি: বিসিবি।

আগামী ২৬ অক্টোবর হবে টুর্নামেন্টের প্লেয়ার্স ড্রাফট কিংবা নিলাম। কোনটি হবে, তা এখনও চূড়া্ত হয়নি। তিন সংস্করণকে ভাবনায় রেখেই ২৩ জনের স্কোয়াড গড়বে প্রতিটি দল। এমনকি কোচ, ফিজিও, ট্রেনার, অ্যানালিস্ট মিলিয়ে সাপোর্ট স্টাফদেরও বাছাই করা হবে ড্রাফটের মাধ্যমে। আগামী মঙ্গলবারই হবে ‘ম্যানেজমেন্ট ড্রাফট।’

প্লেয়ার্স ড্রাফট/নিলাম থেকে বাছাই করা ক্রিকেটারদের তিন বছরের জন্যই নেওয়া হবে। তবে প্রতি মৌসুমের আগে 'মিনি অকশন' ধরনের কিছু থাকবে এবং দলগুলির নিজেদের মধ্যে সমঝোতায় ক্রিকেটার বিনিময়ের সুযোগ থাকবে।

টি-টোয়েন্টি দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু আগামী ১৫ ডিসেম্বর। আসর শুরু হবে বরিশালে। চার দিনের ম্যাচের আসরটি হবে জানুয়ারি, ৫০ ওভারের ক্রিকেটের আসর আগামী মে মাসে।

তিন সংস্করণ মিলিয়ে মোট ম্যাচ হবে ৪২টি। এর মধ্যে টি-টোয়েন্টিতে ১৯টি, ৫০ ওভারের ক্রিকেটে ১৬টি ও চার দিনের ম্যাচের আসরে হবে সাতটি ম্যাচ।

টুর্নামেন্টের জন্য ক্রিকেটাররা সবাই পাবেন সমান পারিশ্রমিক। কিছুদিন আগে যে আর্থিক কাঠামো ঘোষণা করেছে বিসিবি, সেই অনুযায়ীই ম্যাচ ফি পাবেন ক্রিকেটাররা- প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে দেড় লাখ টাকা, একদিনের ম্যাচে এক লাখ ও টি-টোয়েন্টিতে ৮০ হাজার টাকা।

ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফি, দল পরিচালনা ও অন্যান্য সব মিলিয়ে নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা দেবে প্রতিষ্ঠানগুলো, বাকি খরচ দেবে বিসিবি। ঘরোয়া ক্রিকেটে প্রতি বছর যে বিপুল ব্যয় হয় বিসিবির, সেখান থেকে এখন বোর্ডের বেশ সাশ্রয় হবে বলে জানালেন সভাপতি তামিম।

“প্রতিটি দল প্রতি বছর আড়াই কোটি টাকা করে বিসিবিকে দেবে তিনটি ইনস্টলমেন্টে। বিসিবি বাকিটা দেবে। প্রথম বছর হয়তো আমাদের খরচ একটু বেশি হবে, এরকম নানা ইভেন্ট করার কারণে। দ্বিতীয়, তৃতীয় বছরও একটু হতে পারে। তার পরও প্রতি বছর বিসিবির ১০-১২ কোটি টাকা করে বাঁচবে, যেহেতু ছয়টি দলের মালিক আছে এখন।

এসব টুর্নামেন্ট (বিসিএল, জাতীয় লিগ টি-টোয়েন্টি) আমরা এমনিই করতাম। করতে হতো। এখন দলগুলির মালিক থাকায় আমাদের ১০ থেকে ১২ কোটি টাকা বাঁচবে প্রতি বছর। আমি মোটামুটি নিশ্চিত, এই টুর্নামেন্ট অনেক সফল হবে।”

তবে টুর্নামেন্ট যদি সফল নাও হয়, সেখানেও আক্ষেপ থাকবে না বিসিবি সভাপতির।

“আমি এবং আমার বোর্ড একটা ব্যাপার পুরোপুরি বিশ্বাস করে যে, আমরা চেষ্টা করেই যাব। জানি না, সফল হব কি না, তবে একটা ব্যাপার নিশ্চিত, আমি ও আমার বোর্ড ব্যর্থতাকে ভয় করে না। আমরা চেষ্টা করতেই থাকব। যদি ব্যর্থ হই, ওখান থেকে শিখব এবং আবার কিছু চেষ্টা করব। এটাই আমাদের বোর্ডের নীতি।”

টুর্নামেন্টের স্পন্সরশিপ, টিকেট বিক্রি থেকে শুরু করে রাজস্ব আয়ের ৫০ ভাগ দলগুলোকে দেওয়া হবে বলেও জানান তামিম।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন: অনুকম্পা নয়, সুযোগ কাজে লাগানোর সময় এখনই

গণতন্ত্রের আম্পায়ার যখন প্রশ্নের মুখে: ভারতে নির্বাচন কমিশন বিতর্ক

জাসদ কার্যালয়ে গণআটক: মব কি এবার রাষ্ট্রসম্মত হলো?

পর্যটনে বাংলাদেশ: সম্ভাবনার দেশ, দায়িত্বহীনতার শিল্প

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ