খুলনার আলোচিত সন্ত্রাসী এরশাদ শিকদারের সহযোগী ও যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি জয়নাল সরদারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। দীর্ঘ ২৭ বছর আত্মগোপনে থাকার পর গতকাল শনিবার রাতে বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বংকুড়া গ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার জয়নাল একই গ্রামের মৃত আহম্মদ আলী সরদারের ছেলে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য জানিয়েছে গৌরনদী মডেল থানা পুলিশ। আরও পড়ুন চাঁদা না দেওয়ায় সন্ত্রাসীরা সালমানের স্টুডিও ভাঙচুর করেছে : আসিফ ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশের একটি দল বংকুড়া গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে। জয়নালের বিরুদ্ধে খুলনার রূপসা থানায় ১৯৯৯ সালে একটি হত্যা মামলা হয়। ওই মামলায় তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডসহ ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। একই মামলায় লাশ গুমের অপরাধে পৃথকভাবে আরও পাঁচ বছর সশ্রম কারাদণ্ডসহ পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ছয় মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ওই মামলায় এরশাদ শিকদারের মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন আদালত। বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যায়, দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকায় আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। ১৯৯৯ সালে এরশাদ শিকদার গ্রেপ্তার হন ও তার নামে তখন ৪৩টি মামলা হয়েছিল। নিম্ন আদালতের বিচারে সাতটি হত্যা মামলায় তার ফাঁসির দণ্ডাদেশ হয় ও চারটি মামলায় যাবজ্জীবন সাজা হয়। তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন করেন; কিন্তু রাষ্ট্রপতি তার আবেদন নাকচ করে দেন এবং ২০০৪ সালের ১০ মে মধ্যরাতে খুলনা কেন্দ্রীয় কারাগারে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়