1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:১৬ পূর্বাহ্ন

চাঁদপুরে একযোগে ৮ থানায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান, আটক ৩৭০

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১০ Time View

চাঁদপুর জেলার ৮টি থানায় একযোগে কিশোর গ্যাং ও বখাটেদের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান চালিয়েছে জেলা পুলিশ। এ সময় জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে সন্দেহভাজন ৩৭০ জনকে আটক করা হয়েছে।

রোববার রাতে এ অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) নাদিরা নূর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ সুপার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে উঠতি বয়সী কিশোরদের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়ার পর চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি এবং চাঁদপুর জেলা পুলিশ সুপার মো: মিজানুর রহমান নির্দেশনায় চাঁদপুর জেলার সকল থানা ও ডিবি পুলিশের সমন্বয়ে কিশোর গ্যাংবিরোধী এ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানের অংশ হিসেবে জেলার ৮টি থানার পুলিশ একযোগে মাঠে নামে। চাঁদপুর শহরের বিভিন্ন এলাকা ছাড়াও প্রতিটি থানা এলাকার যেসব স্থানে কিশোর গ্যাং ও বখাটেদের উৎপাতের অভিযোগ রয়েছে, সেসব স্থানে অভিযান চালানো হয়। এতে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সরাসরি অংশ নেন।

অভিযান চলাকালে মোট ৩৭০ জনকে আটক করা হয়েছে। আটক কিশোরদের অতীতের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না, তা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। যাচাই শেষে যাদের বিরুদ্ধে অপরাধে জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া যাবে, তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা যাতে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়তে না পারে এবং বিভিন্ন এলাকায় বখাটেদের উৎপাত নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়, সে লক্ষ্যে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) নাদিরা নূর বলেন, কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে মোট ৩৭০ জনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ততা যাচাই-বাছাই করে যাদের কাছ থেকে মাদক সংশ্লিষ্ট বা অন্যান্য অপরাধে জড়িত থাকার তথ্য প্রমাণ পাওয়ায় প্রায় বিভিন্ন থানায় ১৫ জনের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, অভিযানে আটককৃতদের মধ্যে যারা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয়, তাদের অভিভাবকদের ডেকে এনে সন্তানের সার্বিক খোঁজখবর রাখা, নিয়মিত পড়াশোনার প্রতি মনোযোগী করা এবং ভবিষ্যতে যেন কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে না পড়ে এ বিষয়ে সচেতন করা হয়। পরবর্তীতে তাদের কাছ থেকে ৩৫৬জনকে মুচলেকা গ্রহণপূর্বক ছেড়ে দেওয়া হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ