৮ সেপ্টেম্বর কটিয়াদী মডেল থানা পুলিশ খাইরুলকে গ্রেপ্তার করে।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস
কিশোরগঞ্জ কারাগারে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় বন্দি থাকা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের এক নেতা চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
শনিবার রাত ২টার দিকে ঢাকার জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় খাইরুল আমিন রুহুল সরকার (৫০) মারা যান বলে জানান কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারের জেলার নাশির আহমেদ।
খাইরুল কটিয়াদী উপজেলার লোহাজুরী ইউনিয়নের দশপাখি গ্রামের মৃত উসমান গণির ছেলে। তিনি কটিয়াদী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক।
এ ছাড়া তিনি কেন্দ্রীয় দলিল লেখক সমিতির সাবেক সহ-আইনবিষয়ক সম্পাদক এবং কটিয়াদী দলিল লেখক সমিতির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।
পুলিশ জানায়, ৮ সেপ্টেম্বর সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় কটিয়াদী মডেল থানা পুলিশ খাইরুলকে গ্রেপ্তার করে। পরে আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠান।
নিহতের বড় ভাই নুরুল আমিন বলেন, তার ভাইয়ের আগে থেকেই মাঝেমধ্যে বুকে ব্যথা হতো। কারাগারে থাকা অবস্থায় কয়েকদিন ধরে তিনি অসুস্থ ছিলেন।
জেলার নাশির আহমেদ বলেন, শনিবার অসুস্থ হয়ে পড়লে খাইরুলকে কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকায় নেওয়া হয়। সেখানে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন: অনুকম্পা নয়, সুযোগ কাজে লাগানোর সময় এখনই
গণতন্ত্রের আম্পায়ার যখন প্রশ্নের মুখে: ভারতে নির্বাচন কমিশন বিতর্ক
জাসদ কার্যালয়ে গণআটক: মব কি এবার রাষ্ট্রসম্মত হলো?
পর্যটনে বাংলাদেশ: সম্ভাবনার দেশ, দায়িত্বহীনতার শিল্প