প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ওয়াশিংটন সফরের সময় হওয়া আট দফা ঐকমত্যের আওতায় এ সমঝোতা হয়েছে।
হোয়াইট হাউসে টি পার্টিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। ছবি: রয়টার্স
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তিন হাজার কোটি ডলার পারস্পরিক শুল্ক হ্রাসের ব্যবস্থা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ে সংলাপ শুরু করতে রাজি হয়েছে চীন।
শনিবার চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ওয়াশিংটন সফরের সময় হওয়া আট দফা ঐকমত্যের আওতায় এ সমঝোতা হয়েছে।
এর পাশাপাশি দুই পক্ষ একটি বাণিজ্য পরিষদ স্থাপন এবং এর আগে কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত পূর্ববর্তী আলোচনার সিদ্ধান্তগুলো আরও এগিয়ে নেওয়ার বিষয়েও সম্মত হয়েছে।
রযটার্স জানিয়েছে, এর আগে বিশ্বের বৃহত্তম দুই অর্থনীতি তাদের মধ্যকার বাণিজ্য যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও দুই মাস বাড়াতে সম্মত হয়। আগামী ১০ নভেম্বর এই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল। এতে দুই পক্ষ একটি সম্ভাব্য বড় বাণিজ্য চুক্তি করার প্রস্তুতি নিতে আরও বেশি সময় পাবে বলে বুধবার জানিয়েছেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট।
শনিবার চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা সিনহুয়া জানায়, শুক্রবার শেষ হওয়া শি ও প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে হওয়া তিন দিনের শীর্ষ বৈঠকে সরকারি পর্যায়ে বড় কোনো আনুষ্ঠানিক সাফল্যের চেয়ে ব্যক্তিগত পর্যায়ের কূটনৈতিক যোগাযোগ ও সম্পর্ক স্থাপনকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
এক বিবৃতিতে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বলেছেন, “এই ঐতিহাসিক সফর চীন-যুক্তরাষ্ট্রের স্থিতিশীল ও গঠনমূলক সম্পর্ককে আরও সমৃদ্ধ করেছে, দ্বিপাক্ষিক বন্ধনের সামগ্রিক স্থিতিশীলতা বজায় রেখেছে, চীন- যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে আর এটি বিশ্বশান্তি ও উন্নয়নের ওপর সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলবে।”
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দুই পক্ষ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির ঝুঁকি ও সুবিধা নিয়ে একটি সংলাপ আয়োজনে রাজি হয়েছে যা নভেম্বরে অনুষ্ঠিত হবে আর এ সংক্রান্ত ঘটনাগুলোর জন্য একটি যোগাযোগ চ্যানেল স্থাপনে সম্মত হয়েছে।
পৃথক আরেক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয়টি বলেছে, ওয়াশিংটন ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার’ স্থলে ‘অতি বুদ্ধিমত্তা’ পদ ব্যবহার করেছে আর বেইজিং এটি গুরুত্বপূর্ণ মনে করে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির অগ্রগতি অব্যাহত থাকায় নতুন উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে এই দুপক্ষের বিনিময় ও ঐকমত্য প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।
পররাষ্ট্র নীতির ক্ষেত্রে দুই নেতা একমত হয়েছেন যে, ইরানের উচিত পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না, তাদের এমন প্রতিশ্রুতি পূরণ করা আর কোনো দেশের বা পক্ষের আন্তর্জাতিক জলপথ পারাপারের ক্ষেত্রে শুল্ক আরোপ করা উচিত হবে না।
পাকিস্তানিদের আত্মসমর্পণ কী ফোয়ারার পানিতে ধুয়ে যাবে?
মরিয়মের মৃত্যু ও জনতার আদালত নিয়ে ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি
বাপি শাহরিয়ারের স্মৃতি, মেহেদীর মৃত্যু এবং ‘আলালের ঘরের দুলাল’
‘ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে সময় কাটান নিরুপায় জাতিসংঘ’