১৬০ জনের বেশি অ্যাথলেট একটি খোলা চিঠিতে সই করে ইসরায়েলের বিপক্ষে নেশন্স লিগের ম্যাচ না খেলার আহ্বান জানিয়েছে।
গাজা যেন এখন ধ্বংসস্তূপ। ছবি: রয়টার্স
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস
উয়েফা নেশন্স লিগে নিজেদের জাতীয় দলকে ইসরায়েলের বিপক্ষে খেলতে দেখতে চান না আইরিশ অ্যাথলেটরা। একটি খোলা চিঠিতে ১৬০ জনের বেশি অ্যাথলেট সই করে ওই দুই ম্যাচ বর্জনের আহ্বান জানিয়েছেন।
হাঙ্গেরিতে আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর ইসরায়েলের বিপক্ষে খেলবে আয়ারল্যান্ড। পরে ৪ অক্টোবর দল দুটি ফের মুখোমুখি হবে বসনিয়ায়। ইসরায়েলি বাহিনীর আক্রমণে গাজায় ফিলিস্তিনীদের মৃত্যুতে প্রতিবাদ জানিয়েছেন খেলোয়াড় ও ভক্তরা। এর প্রেক্ষিতে ম্যাচ দুটি হচ্ছে নিরপেক্ষ ভেন্যু ও দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে।
‘আইরিশ স্পোর্ট ফর প্যালেস্টাইন গ্রুপ’ সোমবার জানিয়েছে, সই করা অ্যাথলেটদের মধ্যে আছেন অলিম্পিয়ান কিয়ারা ম্যাগিয়েন, সাবেক ফুটবলার লুইস কিন, সাবেক রাগবি খেলোয়াড় টনি ওয়ার্ড, বক্সার ট্রায়ন ম্যাককেনা ও এরিক ডোনোভান।
“এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত এবং এই মুহূর্তে আপনাদের সঠিক কাজটি করার সুযোগ আছে।
“আপনাদের দিক থেকে সবচেয়ে ক্রীড়াসুলভ কাজ হবে ম্যাচটি না খেলা। আপনাদের নেতৃত্ব ও সাহসিকতার মাধ্যমে, মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করার ক্ষেত্রে এটা খেলাধুলার শক্তিকে ফুটিয়ে তুলবে, এমন অভিন্ন মূল্যবোধের কথা মনে করিয়ে দেবে যা আমাদের সবাইকে যুক্ত করে এবং খেলার গণ্ডি ছাড়িয়ে যা একটি গভীর প্রভাব ফেলবে।”
গত মে মাসে আইরিশ শীর্ষ ফুটবলাররা ইসরায়েলের বিপক্ষে আয়ারল্যান্ডের ম্যাচ বর্জনের পক্ষে একটি প্রচারণায় সঙ্গে যোগ দেয়। গাজায় ইসরায়েলের হামলার বিরুদ্ধে ইউরোপের সবচেয়ে সরব দেশগুলোর একটি আয়ারল্যান্ড। দেশটির ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা ২০২৫ সালের শেষ দিকে ইসরায়েলকে অবিলম্বে ইউরোপীয় প্রতিযোগিতা থেকে নিষিদ্ধ করার জন্য উয়েফাকে অনুরোধ জানানোর পক্ষে বিপুল ভোটে রায় দেন।
তবে পরে ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন জানায়, সূচি অনুযায়ী খেলবে তারা। মূলত জাতীয় দল ও অ্যাসোসিয়েশনকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে এমন সম্ভাব্য নিষেধাজ্ঞা এড়াতেই ওই সিদ্ধান্ত নেয় তারা।
আয়ারল্যান্ড কোচ হেইমির হলগ্রিমসন গত সপ্তাহে বলেন, ইসরায়েলের বিপক্ষে খেলা নিয়ে তিনি প্রত্যেক খেলোয়াড়ের সঙ্গে আলাদাভাবে কথা বলেছেন এবং দলের কেউই এই ম্যাচগুলো খেলার জন্য স্বচ্ছন্দ নয়।
জার্মান রাজনীতিতে অতিডান ও অতিবামের উত্থান: ইউরোপের জন্য কি সতর্কবার্তা?
বুদ্ধির মুক্তি: একশ বছর পরও যে প্রশ্নগুলো আমাদের তাড়া করে
আয়নায় মিডিয়ার মুখ: গণমাধ্যম সংস্কার কি অধরাই থেকে যাবে?
অপ্রতিম হত্যা: এমন নির্মম সমাজ ও সংবাদমাধ্যম কীভাবে আমাদের হলো?