শেষ ম্যাচে ভালো করার প্রত্যাশা নিয়েই এশিয়ান গেমসে নারী ফুটবল ইভেন্টে আগামীকাল মাঠে নামবে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। প্রথম দুই ম্যাচে ১৬ গোল হজম করা বাংলাদেশের সামনে পরের ম্যাচে প্রতিপক্ষ মায়ানমার। আগেই বাদ পড়লেও ম্যাচপূর্ব অনুশীলনে সিরিয়াস মেজাজেই দেখা গেছে নারীদের।
প্রথম ম্যাচে উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে ১০-০ গোলের হার। পরের ম্যাচে ফলাফল কিছুটা ইতিবাচক শোনালেও আদতে স্কোরলাইনটা লজ্জাই দিচ্ছিলো বাংলাদেশের মেয়েদের। ৬-০ গোলে হারতে হয়েছিল দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে। দুই ম্যাচে ১৬ গোল হজম করার পর এফ গ্রুপ থেকে এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের পরের পর্বে যাওয়ার কোনো সমীকরণই বাকি নেই।
তবুও বাংলাদেশের সামনে প্রতিপক্ষ মিয়ানমার বলেই কি না, জয়ের একটা স্বপ্ন আছে পিটার বাটলারের শিষ্যদের সামনে। এই দলটিকে হারিয়েই নারী এশিয়ান ফুটবলের চূড়ান্ত পর্বে গিয়েছিলেন আফঈদা-মারিয়া-ঋতুপর্ণারা। সব শেষ হয়ে গেলেও এই ম্যাচে অন্তত একটা ইতিবাচক ফলাফল প্রত্যাশা বাংলাদেশ দলের সামনে।
যদিও কাজটা সহজ হচ্ছে না। জাপানের মাটিতে এরইমাঝে বাংলাদেশের দুই ম্যাচে শোচনীয় হার। প্রতিপক্ষ মিয়ানমার অনেকটাই শক্তিশালী বাংলাদেশের তুলনায়। তবুও পিটার বাটলারের জাদুটা আরও একবার ঋতুপর্ণা-মারিয়াদের জন্য জয় এনে দেবে, সেটাই প্রত্যাশা দলের গোলরক্ষক কোচ মেহেদি হাসান উজ্জ্বলের।
তিনি বলেন, ‘তেমন কোনো ইনজুরির সমস্যা নেই নোবিরন ছাড়া। আর হচ্ছে আমরা এই দুই ম্যাচ খুবই শক্তিশালী দুইটি টিমের এগেইনস্টে খেলেছি। এইখান থেকে আমাদের যতটুকু প্রাপ্তি, যতটুকু পজিটিভ দিক আছে, আমরা ওইটা নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই। আমাদের ভুলভ্রান্তিগুলো ঠিক করতে চাই। গত দুই দিন আমরা স্পেশালি ওই ভুলভ্রান্তিগুলো নিয়েই কাজ করেছি। ভুলগুলো দেখাচ্ছি, সেটা মাঠে কীভাবে সঠিকভাবে করা যায় সেটাও করানোর চেষ্টা করছি।’
জাপানের নাগাওয়ায় বাংলাদেশ সময় আগামীকাল বিকাল ৪টায় শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ মিয়ানমার ম্যাচ।