1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
খাতুনগঞ্জে থামছে না ডিও স্লিপ বাণিজ্য ব্যাংকের এমডিদের কর্মদক্ষতা মূল্যায়নে ১০০ নম্বরের কাঠামো ঢাকা উত্তরে এনসিপির প্রার্থী আসিফ, দক্ষিণে পাটওয়ারী পূর্ণাঙ্গ পর্ষদ-এমডি ছাড়াই চলছে ইসলামী ব্যাংক ‘মেড ইন বাংলাদেশ’কে বিশ্ববাজারে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান ঢাকার ডিসির ঐক্যবদ্ধ থাকলে ফ্যাসিবাদী শক্তি মাথা তুলে দাঁড়াতে পারবে না : ফারজানা শারমিন তিতুমীরস্থ কুষ্টিয়া জেলা ছাত্র কল্যাণ পরিষদের নতুন কমিটি অনুমোদন ৬ ঘণ্টা পর ঢাকা-ময়মনসিংহ রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক সাগর-রুনি হত্যায় দায়ী ব্যক্তিদের খুঁজে বের করতে ট্রাইব্যুনালে আবেদন ১০-৩০ কাউন্টের সুতা আমদানিসংক্রান্ত আদেশ স্থগিত করল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়

খাতুনগঞ্জে থামছে না ডিও স্লিপ বাণিজ্য

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৭ Time View

তেল চিনি এলাচ গমের স্লিপ বেশি বিক্রি প্রতিষ্ঠানের নাম না থাকায় ব্যবস্থা নিতে পারে না প্রশাসন

জাহেদুল কবির | সোমবার , ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ at ৬:৪৮ পূর্বাহ্ণ

ভোগ্যপণ্যের বৃহৎ পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জে থামছে না পণ্যের ডিও (ডেলিভারি অর্ডার) স্লিপ কেনাবেচা। এসব ডিও কেনাবেচায় সহায়তা করে কিছু চিহ্নিত ব্রোকার। ব্রোকাররা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে ইস্যু করা স্লিপ এক সপ্তাহ থেকে শুরু করে এক মেয়াদে বিক্রি করে থাকেন। তবে এই স্লিপে থাকে না কোনো প্রতিষ্ঠানের নাম। শুধুমাত্র পণ্যের নাম ও দাম লেখা থাকে। ফলে কোন প্রতিষ্ঠান থেকে এই স্লিপ ইস্যু করা হয়েছে সেটি কারো পক্ষে বোঝার উপায় থাকে না। স্লিপ বিক্রির মাধ্যমে পণ্যের নামে এক টুকরো কাগজের হাতবদল হয় বারবার। এতে খাতুনগঞ্জে পণ্য বেচাকেনার নামে একপ্রকার জুয়া চলে প্রতিনিয়ত।

দেখা যায়, বিক্রেতার কাছে পণ্য আছে ১০০ টন। তিনি বাজারে ৫০০ টন পণ্যের ডিও স্লিপ বিক্রি করে ফেলেছেন। শেষে যখন ক্রেতারা সেই পণ্য ডেলিভারি নিতে যান, তখন বিক্রেতারা আর ডেলিভারি দিতে পারেন না।

জানা গেছে, খাতুনগঞ্জে বর্তমানে তেল, চিনি, এলাচ, মটর ও গমের ডিও স্লিপের কেনাবেচা চলছে। বাজারে পণ্য আসার আগেই কয়েক দফা হাতবদল হয় এসব স্লিপের। ফলে এক প্রকার ‘হাওয়া’র ওপর এসব পণ্যের বাজার ওঠানামা করে। অভিযোগ রয়েছে, ডিও স্লিপ বিক্রির পর যে দরে পণ্যের ডিও বিক্রি হয়, কোনো কারণে যদি বাজার দর যদি বেড়ে যায়, তখন পণ্যের ডেলিভারি দিতে তারা গড়িমসি করে। আবার দেখা যায়, কোম্পানির পণ্যই আসেনি, কিন্তু আমদানিকারক তার মনোনীত প্রতিনিধির মাধ্যমে ডিও বিক্রি স্লিপ করে রেখেছেন অনেক বেশি। এর ফলেও কোম্পানি বাজারে পণ্য ডেলিভারি দিতে পারে না।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন ও চট্টগ্রাম ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, খাতুনগঞ্জে ডিও স্লিপ নিয়ে আন্ডারগ্রাউন্ড লেবেলে একটা বাণিজ্য হচ্ছে–এমন অভিযোগের ভিত্তিতে বিভিন্ন সময় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে গেলে কেউ নির্দিষ্ট করে আমাদেরকে প্রমাণ দেখাতে পারে না। ডিও স্লিপে পণ্যের নাম ও দাম ছাড়া আর কিছুই লেখা থাকে না। আমরা যখন অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানে যাই, তখন সেই প্রতিষ্ঠান স্লিপ তাদের নয় বলে জানায়। কারণ কাগজে প্রতিষ্ঠানের নাম, সিল ও স্বাক্ষর কিছুই থাকে না।

জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম বিভাগের উপপরিচালক মোহাম্মদ ফয়েজ উল্যাহ বলেন, ডিও স্লিপের বিষয়ে আমরা বিভিন্ন সময় খাতুনগঞ্জে অভিযান চালিয়েছি। ডিও স্লিপ যেখান থেকে ইস্যু হয়, সেখানে গেলে ওই প্রতিষ্ঠান বলে আমরা এসব পণ্যের ব্যবসা করি না। বিশেষ করে খাতুনগঞ্জের সোনা মিয়া মার্কেটে এই কাজটি হচ্ছে। আমরা অভিযানে যখন যাই, তখন তারা দোকানপাট বন্ধ করে পালিয়ে যায়।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ