1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
শ্রীলঙ্কায় রপ্তানি হবে আলু ও পেঁয়াজ শুক্রবার ভারতজুড়ে ব্যাংক ধর্মঘট চীনের সঙ্গে বাণিজ্য বাড়াতে বিসিসিসিআইর ৬ প্রস্তাব এই সংসদে ভিন্নমতের কোনো বক্তব্য দেওয়া যায় বলে মনে হয় না: রুমিন ফারহানা দল থেকে ছাঁটাইয়ের পর তদন্তের মুখোমুখি পাকিস্তানের দুই ক্রিকেট তারকা কোস্ট গার্ডের নতুন ডিজির দায়িত্ব নিলেন রিয়ার অ্যাডমিরাল মঈনুল হাসান সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী / পিলখানার ঘটনায় চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যদের পুনর্বহালের সুযোগ নেই পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের বসতি স্থাপনের পরিকল্পনায় বাংলাদেশের নিন্দা রাজশাহীতে পৌঁছেছে চট্টগ্রামে দুর্ঘটনায় নিহত সেনাসদস্য রিফাতের মরদেহ, শায়িত হবেন মায়ের পাশে দেবরের অভিযোগ তার ভাবি ডাইনি, টিজারেই চমক

দল থেকে ছাঁটাইয়ের পর তদন্তের মুখোমুখি পাকিস্তানের দুই ক্রিকেট তারকা

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৬ Time View

ইংল্যান্ড সফরের মাঝপথে পাকিস্তানের টেস্ট দল থেকে বাদ দিয়ে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছিল মোহাম্মদ রিজওয়ান ও ইমাম-উল হককে। এবার নতুন করে বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এলো এই দুই ক্রিকেটারের নাম। পাকিস্তানের ন্যাশনাল সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এনসিসিআইএ) তাদের তলব করেছে বলে জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুই ক্রিকেটারের মোবাইল ফোন থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নোটিশ দিয়েছে এনসিসিআইএ। চলমান একটি তদন্তের অংশ হিসেবে রিজওয়ান ও ইমামকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। পাকিস্তানের আরও একজন ক্রিকেটারও একই সংস্থার কাছ থেকে নোটিশ পেয়েছেন বলে জানা গেছে।

তবে ঠিক কী কারণে তাদের মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছিল এবং ফোন থেকে কী ধরনের তথ্য পাওয়া গেছে, সে বিষয়ে এখনো স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) কিংবা এনসিসিআইএ।

জিও নিউজের বরাত দিয়ে জানা গেছে, ইংল্যান্ড সফর থেকে দেশে ফেরত পাঠানোর আগে রিজওয়ান ও ইমামের মোবাইল ফোন পিসিবি নিজেদের হেফাজতে নিয়েছিল। পরে ফোন দুটি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এরপর ওই ডিভাইস থেকে পাওয়া তথ্য তদন্তের আওতায় নিয়ে দুই ক্রিকেটারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নোটিশ দেয় এনসিসিআইএ। তদন্তকারীরা মোবাইল ফোনে থাকা তথ্য পরীক্ষা করবেন বলে জানা গেছে।

তবে পিসিবি কেন রিজওয়ান ও ইমামের ফোন নিজেদের হেফাজতে নিয়েছিল, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন। এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত বোর্ডের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।

ফলে ফোন জব্দ, এনসিসিআইএ’র তদন্ত এবং দুই ক্রিকেটারের ইংল্যান্ড সফর থেকে আকস্মিকভাবে দেশে ফেরত পাঠানোর ঘটনাগুলোর মধ্যে কোনো সরাসরি যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা নিয়েও তৈরি হয়েছে কৌতূহল।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে লর্ডস টেস্টে ১৯৪ রানের বড় ব্যবধানে হারের পর পাকিস্তান ক্রিকেটে একের পর এক নাটকীয় সিদ্ধান্ত নেয় পিসিবি। তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজের মাঝপথেই সফরকারী দল থেকে সাত ক্রিকেটারকে ছেড়ে দিয়ে দেশে ফেরত পাঠায় বোর্ড। তাদের মধ্যে ছিলেন রিজওয়ান ও ইমাম। এ ছাড়া সালমান আলি আগা, আলি উসমান, আমির জামাল, আওয়াইস জাফর ও খুররম শাহজাদকেও দেশে ফেরত পাঠানো হয়।

শুধু খেলোয়াড় নয়, কোচিং স্টাফেও বড় পরিবর্তন আনা হয়। প্রধান কোচ সরফরাজ আহমেদ এবং বোলিং কোচ উমর গুলকে সফর থেকে সরিয়ে দেশে ফেরত পাঠানো হয়। তাদের জায়গায় সাদা বলের প্রধান কোচ মাইক হেসন এবং বোলিং কোচ অ্যাশলি নফকে দায়িত্ব নেন। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম দুই টেস্টেই বড় ব্যবধানে হারের পর পাকিস্তানের টেস্ট দলের কাঠামোতেই যেন বড় ধরনের পরিবর্তনের ঝড় বয়ে যায়।

রিজওয়ান-ইমামের নির্বাচন নিয়েও তদন্ত

রিজওয়ান ও ইমামকে ঘিরে এটিই অবশ্য পিসিবির প্রথম তদন্ত নয়। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ইংল্যান্ড সফরের টেস্ট দলে তাদের নির্বাচন নিয়েও আলাদা তদন্ত শুরু করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড।

চলতি মাসের শুরুতে নির্বাচক/পরামর্শক কমিটির এক সদস্যের কাছে লিখিত ব্যাখ্যা চেয়েছিল পিসিবি। রিজওয়ান ও ইমামকে টেস্ট দলে অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ কেন করা হয়েছিল, তার ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়।

গত ৩১ আগস্ট দেওয়া নোটিশে নির্বাচনের মানদণ্ড, খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স এবং তাদের দলে নেওয়ার সময় বিবেচনা করা অন্যান্য বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চায় বোর্ড। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছিল সংশ্লিষ্ট কমিটির সদস্যকে। বিষয়টিকে ‘জরুরি এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ’ বলেও উল্লেখ করেছিল পিসিবি।

একদিকে মাঠে ধারাবাহিক ব্যর্থতা, অন্যদিকে দল নির্বাচনে প্রশ্ন, মাঝপথে সাত ক্রিকেটারকে দেশে ফেরত পাঠানো এবং দুই কোচকে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনা- সব মিলিয়ে পাকিস্তান ক্রিকেটে এরই মধ্যে তৈরি হয়েছে তীব্র অস্বস্তি।

এর মধ্যেই রিজওয়ান ও ইমামকে এনসিসিআইএ-এর তলব নতুন মাত্রা যোগ করেছে। বিশেষ করে তাদের মোবাইল ফোনের তথ্যকে কেন্দ্র করে তদন্তের খবর প্রকাশ্যে আসায় বিষয়টি আরও রহস্যময় হয়ে উঠেছে।

তবে তদন্তের প্রকৃত কারণ কিংবা দুই ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ আছে কি না, সেটি এখনো স্পষ্ট নয়। এনসিসিআইএ’র জিজ্ঞাসাবাদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের অনিয়মের সিদ্ধান্তে পৌঁছানোও সম্ভব নয়।

মাঠের পারফরম্যান্সের সংকটের মধ্যেই পাকিস্তান ক্রিকেটে এখন মাঠের বাইরের ঘটনাগুলোও একের পর এক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসছে। রিজওয়ান-ইমামের মোবাইল ফোন নিয়ে তদন্ত সেই বিতর্ককে আরও কতটা গভীর করে, সেটিই এখন দেখার।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ