1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
পে-স্কেল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে যে বার্তা এলো ভগ্নস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে দেশ গড়ছে সরকার: রিজভী প্রেমিকের সঙ্গে ঠাট্টা করাই কাল হলো রিধিকার বন্দনার রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসেছে বর্তমান সরকার: প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব মনির হত্যা মামলায় সাবেক এমপি মিলন গ্রেপ্তার বিএনপির সাড়ে ৪ হাজারের বেশি নেতাকর্মী ক্রসফায়ারের শিকার হয়েছেন: আইনমন্ত্রী নেইমারের সঙ্গে হাত মেলাতে অস্বীকৃতি, পুরোনো শত্রুতায় ফের উত্তাপ ‘অটোরিকশায় সৌরবিদ্যুৎ ছাড়া চার্জ দিলে রেজিস্ট্রেশন নয়’ পাটপণ্যের উৎপাদন বাড়ানো গেলে পাটের দাম বাড়বে : বাণিজ্যমন্ত্রী ছয় মাসে একবারও রাজনৈতিক নিপীড়ন হয়নি : মাহদী আমিন

জুলাই আন্দোলন সম্মিলিত প্রয়াসের ফল, কারোও একক কৃতিত্ব নয় : রিজভী

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬
  • ৪৬ Time View

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এবং বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, জুলাই আন্দোলনের কৃতিত্ব একক কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনের নয়; এটি ছিল ছাত্র-জনতা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত প্রয়াসের ফল।

আজ (সোমবার) রাজধানীতে নার্সেস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ন্যাব), বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ) শাখার আয়োজনে ‘রক্তঝরা জুলাইয়ে নার্সদের অবদান’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, বিএনপির একটি সামাজিক ভিত্তি আছে। আন্দোলনে সেই ভিত্তিটা কাজে লেগেছে। যদি শেখ হাসিনার পতন না হতো এবং এই আন্দোলন যদি ব্যর্থ হতো, তাহলে আমাদের অনেকের ফাঁসি হয়ে যেত। প্রত্যেকটি বৈষম্যবিরোধী ছাত্রনেতাদের আন্দোলনের কর্মসূচিতে বিএনপি সমর্থন দিয়েছে। ৫ জুন থেকে তাদের প্রতিটি কর্মসূচিকে বিএনপির পক্ষ থেকে সমর্থন জানানো হয়েছে।

তিনি বলেন, জুলাই বিপ্লব কোটাবিরোধী আন্দোলন থেকে এক দফার আন্দোলনে রূপ নেয়। কিন্তু এর পেছনে বিএনপির ১৭ বছরের আন্দোলন এবং সেই রক্তঝরা আন্দোলনের ইতিহাস আছে। চব্বিশের জুলাইতে তার চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে।

নার্সদের উদ্দেশে বলেন, নার্সরা মানবতার প্রথম সারির সৈনিক। তাদের দাবি-দাওয়া, সুখ-দুঃখ এবং আনন্দ-বেদনার সঙ্গে এই সরকার থাকবে।

তিনি আরো বলেন, শেখ হাসিনা মানুষের কথা বলার অধিকার এবং রাজনীতি করার অধিকার বন্ধ করেছিল। মানুষের নাগরিক অধিকার বন্ধ করে রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করেছে। শেখ হাসিনা দেশের বিরোধী রাজনৈতিক পক্ষকে নোংরা ভাষায় গালাগালি করতেন। আমরা এত জুলুম, নির্যাতন, রিমান্ডের পরও কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে তার বিরুদ্ধে কঠোর ভাষায় সমালোচনা করেছি, কিন্তু কোনোদিন বাজে কথা বলিনি।

আলোচনা সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী (সচিব পদমর্যাদা) মো. রাশেদ খাঁন। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলাম এবং বিএনপি সহ-সম্পাদক (নার্সেস ও স্বাস্থ্য সহকারী) ও ন্যাবের সভাপতি জাহানারা খাতুন।

আলোচনা সভাটির সভাপতিত্ব করেন ন্যাবের বিএমইউ শাখার সভাপতি শারমিন আক্তার এবং সঞ্চালনায় ছিলেন ন্যাবের মহাসচিব সুজন মিয়া।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ