চিরাচরিত নিয়ম অনুযায়ী ম্যাচ শুরুর আগে খেলোয়াড়রা দাঁড়িয়েছিলে লাইনে। অপেক্ষায় ছিলেন নিজ দেশের জাতীয় সংগীতে কণ্ঠ মেলানোর।
কিন্তু সংগীত বেজে উঠতেই বিস্মিত হন খেলোয়াড়রা। একজন আরেকজনের মুখের দিকে তাকাতে থাকেন। জাতীয় সংগীতটি যে চিরশত্রু দেশের।
এমন ঘটনাই এশিয়ান গেমসের পুরুষ হকির ম্যাচে ঘটেছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় সংগীতের জায়গায় বেজে ওঠে উত্তর কোরিয়ার সংগীত। এতে অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। এমন ঘটনার সাক্ষী হয় বাংলাদেশও।
বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচ ছিল দক্ষিণ কোরিয়ার।
সবকিছু ভুলে অবশ্য ম্যাচে দারুণ জয় পেয়েছে তারা। জাপানের চলমান টুর্নামেন্টে বাংলাদেশকে ৫-০ ব্যবধানে হারিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া।
অনাকাঙ্খিত ঘটনার জন্য সঙ্গে সঙ্গে ক্ষমা চান কর্তৃপক্ষ। স্টেডিয়ামের ঘোষক মাইক্রোফোনে বলেন, ‘আমরা সত্যিই দুঃখিত, অত্যন্ত দুঃখিত। কোরিয়া প্রজাতন্ত্রের (দক্ষিণ কোরিয়া) জাতীয় সংগীতের বদলে আমরা ভুল একটি সংগীত বাজিয়ে ফেলেছি।
আমি সত্যিই ক্ষমাপ্রার্থী।’
১৯৫০-৫৩ সালের কোরিয়ান যুদ্ধ কোনও স্থায়ী শান্তিচুক্তির মাধ্যমে শেষ না হয়নি। যুদ্ধবিরতির মধ্য দিয়ে থেমেছে। তাই কাগজে-কলমে এখনো একে অপরের সঙ্গে যুদ্ধাবস্থায় আছে দুই কোরিয়া।