1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১১:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
‘এভাবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে কাউকে বল করতে দেখিনি’ হকারদের পুনর্বাসনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরেই নিতে চায় সরকার : শিক্ষামন্ত্রী ২৫০০ টাকায় স্মার্টফোন দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে : রেহান আসিফ আসাদ প্রথম ম্যাচ জিতেও লঙ্কানদের কাছে সিরিজ হারল বাংলাদেশ কখনো হাল ছাড়িনি : মিম জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর দেশে একটি নতুন বাস্তবতা তৈরি হয়েছে : বদিউল আলম বিগত সরকারের লুটপাটের কারণে আমরা ঋণের বিশাল বোঝা পেয়েছি : তথ্যমন্ত্রী কোচ মুশতাক বললেন, ‘আমরা চাই বেঞ্চ শক্তিশালী হোক’ তরুণদের উৎসাহ দিতে কলেজছাত্রের বানানো রেসিং কার চালালেন প্রধানমন্ত্রী

বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার বিদায়ে হতাশ, তবে অবাক হননি ম্যাকগ্রা

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬
  • ৬০ Time View

নিকট ভবিষ্যতে অস্ট্রেলিয়ার পরবর্তী প্রজন্মের ফাস্ট বোলার চিহ্নিত করা সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন দেশটির পেস কিংবদন্তি গ্লেন ম্যাকগ্রা। টি-টোয়েন্টি থেকে ইতোমধ্যে অবসর নেওয়া মিচেল স্টার্ক এবং চোটের কারণে এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলতে পারেননি প্যাট কামিন্স ও জশ হ্যাজলউড। তাদের অনুপস্থিতিতে মেগা ইভেন্টটির গ্রুপপর্ব থেকেই ছিটকে গেছে অস্ট্রেলিয়া। এজন্য হতাশ হলেও অবাক নন ম্যাকগ্রা।

চেন্নাইয়ে পেস ফাউন্ডেশন মাঠে দাঁড়িয়ে এক সাক্ষাৎকারে ম্যাকগ্রা বলেছেন, ‘ইংল্যান্ডের বিপক্ষে (সর্বশেষ অ্যাশেজে) অস্ট্রেলিয়া ব্যবহৃত পেসারদের দেখুন। স্কটি বোল্যান্ড, মাইকেল নেসের, ঝাই রিচার্ডসন– তারা লম্বা সময় ধরে খেলছে, সুতরাং তরুণ পেসারদের জায়গায় আপনি বয়স্কদের রিপ্লেস করতে পারেন না। ফলে পরবর্তী প্রজন্মের পেস বিভাগ আসলেই চমকপ্রদ হতে যাচ্ছে।’

নাথান এলিস অস্ট্রেলিয়ার পেস আক্রমণের অন্যতম প্রতিভাবান, তবে তিনি কিছুটা রক্ষণাত্মক। সিম বোলিং অলরাউন্ডার জ্যাক এডওয়ার্ডস ও মাহলি বেয়ার্ডম্যামের গত জানুয়ারিতে অজিদের টি-টোয়েন্টি দলে অভিষেক হয়েছিল। তারা অস্ট্রেলিয়ার ২০২৮ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের লাইনআপে থাকতে পারেন। ম্যাকগ্রা বলছেন, ‘আমরা এলিস ও বেয়ার্ডম্যানকে দেখেছি, সাদা বলে তাদের কিছুটা অভিজ্ঞতা আছে। কিন্তু কামিন্স, স্টার্ক, হ্যাজলউডরা আর কিছু সময় থাকতে পারে। বোল্যান্ড দারুণ কাজ করছে, কিন্তু আমার চিন্তা তাদের জায়গা নিতে যাওয়া পরবর্তী প্রজন্ম নিয়ে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আমরা সেভাবে কাউকে ভালো করতে দেখিনি। ভবিষ্যত কেমন হয় তা আমরা দেখতে পাব।’

এক্ষেত্রে বিগ ব্যাশ ছাড়াও আইপিএলে খেলার অভিজ্ঞতা কাজে আসবে বলে মনে করেন সাবেক এই অজি পেসার, ‘আমার মতে আইপিএলে বিভিন্ন প্রান্তের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটারদের সঙ্গে খেলাটা কাজে আসবে। বিগ ব্যাশে পারফর্ম করাটা সাহায্য করবে। কুপার কনলি’র দারুণ বিগ ব্যাশ আসর কেটেছে, তাই না? তারা যত বেশি খেলবে, তত সাফল্য পাবে, একইসঙ্গে আত্মবিশ্বাসও পাবে তারা। কিন্তু যদি স্টিভ স্মিথের মতো খেলোয়াড় হয়, সে কী করতে যাচ্ছে দেখাটা চমকপ্রদ হবে। ট্রাভিস হেড যথেষ্ট গুণাবলী-সম্পন্ন। তরুণদের উঠে আসার ক্ষেত্রে এমন কিছু সিনিয়র ক্রিকেটার লাগবে।’

অস্ট্রেলিয়া চলমান বিশ্বকাপের সুপার এইটে উঠলেও, এর বেশি যেতে পারত না বলে দাবি ম্যাকগ্রার, ‘সম্ভবত তারা সেরা আটে যেতে পারত, তবে সত্যিকার অর্থে আমার মনে হয় না তার এর বেশি কিছু করতে পারবত। তবে শীর্ষ আটে না থাকাটাও হতাশার। যেখানে কামিন্স, হ্যাজলউড ও স্টার্ক নেই, তার মানে বড় ফাঁকা তৈরি হয়েছে। বিগ ব্যাশে স্মিথের ভালো ফর্ম ছিল, কিন্তু তাকেও খেলানো হয়নি। আগের ম্যাচে ৬৬ (মূলত জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৬৫ রান) করা ম্যাট রেনশ–কেও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে নামানো হলো না। অস্ট্রেলিয়া কী ভাবছে নিশ্চিত নই। এরকম এমন অনেক বিষয় আছে যা কাজ করেনি। খেলোয়াড় নির্বাচন অবাক করেছে, গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার নেই। জিম্বাবুয়ে সেরা আটে যাওয়া এবং অস্ট্রেলিয়ার বিদায়টা হতাশার, তবে অবাক করার মতো নয়।’

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ