1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ১১:১০ পূর্বাহ্ন

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও রেমিট্যান্সে নতুন রেকর্ড

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২০
  • ৩৯ Time View

২০২০-২০২১ অর্থবছরের শুধু জুন মাসেই দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১.৮৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা একক মাস হিসাবে বাংলাদেশের রেমিট্যান্স প্রবাহের ইতিহাসে যে কোন সময়ের তুলনায় সর্বোচ্চ।

২০১৯-২০ অর্থবছরে রেমিট্যান্স প্রবাহ হয়েছে ১৮.২০৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ছিল ১৬.৪২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। প্রবৃদ্ধি ১০.৮৫%। পাশাপাশি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৬.০১৬ বিলিয়ন (৩০.০৬.২০২০ তারিখ পর্যন্ত) মার্কিন ডলারের নতুন রেকর্ড ছুঁয়েছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে যা এ যাবতকালের মধ্যে সর্ব্বোচ্চ।

বিগত বছরের ৩০ জুন বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ৩২.৭১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। গত ১ বছরে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে। রিজার্ভের উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধিতে গুরূত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে রেমিট্যান্সের অন্তঃপ্রবাহ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃঢ় নেতৃত্বে সরকারের এ অভূতপূর্ব সাফল্যে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল যাদের অক্লান্ত পরিাশ্রমে এ অর্জন সেই সকল প্রবাসীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন।

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও রেমিট্যান্স প্রবাহের এ উল্লম্পনে সরকার কর্তৃক বাস্তবায়িত ২ শতাংশ নগদ প্রণোদনা প্রবাসীদের যথেষ্ট মাত্রায় অনুপ্রাণিত করেছে।

এ ছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক নীতি সহায়তাও যথেষ্ঠ সহায়ক ভুমিকা রেখেছে। ফলশ্রুতিতে তারা নিকট অতীতে ব্যাংকিং চ্যানেলে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা প্রেরণ করে।ব্যাংকগুলো তাদের বৈদেশিক মুদ্রা ধারণের লিমিট পর্যন্ত রেখে অতিরিক্ত অর্থ বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকট বিক্রি করে।

এভাবেই রিজার্ভের স্থিতি ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পেয়েছে। তাছাড়া, বাংলাদেশ ব্যাংক হতে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে আমদানি দায় পরিশোধের সময় বৃদ্ধির অনুমতি দেয়া হয়েছে। দায় পরিশোধের সময়সীমা বৃদ্ধি পাওয়ায় নিকট অতীতে দায় পরিশোধ বহুলাংশে হ্রাস পেয়েছে। পাশাপাশি, সরকারি ও বেসরকারি খাতের (বিশেষ করে জ্বালানি খাতের) সার্বিক আমদানি ঋণপত্র (এলসি) খোলা হ্রাস পাওয়ার কারণেও রিজার্ভ বৃদ্ধি পেয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের মূল্য অনেক হ্রাস পেয়েছে এবং কোভিড ১৯ এর কারণে অর্থনৈতিক কার্যক্রম কমে যাওয়ায় দেশের অভ্যন্তরে তেলের চাহিদা হ্রাস পেয়েছে। যার ফলে, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন কর্তৃক তেল ও এলএনজি আমদানি ব্যয় হ্রাস পেয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ