1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৯:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ

বনানীতে নিহত নারীর প্রতিষ্ঠান পার্ল ইন্টারন্যাশনাল কসমেটিকস ব্যবসা করে!

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
  • ৩৯ Time View

রাজধানীর বনানীর চেয়ারম্যানবাড়ী এলাকায় সেতু ভবনের সামনে গতকাল মঙ্গলবার মধ্যরাতে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই নারী নিহত হয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, নিহতরা একটি স্কুটিতে করে যাচ্ছিলেন। ওই স্কুটিতে প্রেস লেখা ছিল।

দুর্ঘটনার পর থেকেই সাংবাদিকরা সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন। তবে এখনো পর্যন্ত কেউ নিশ্চিত করতে পারেননি সৈয়দা কচি কোনো গণমাধ্যমে ছিলেন কি না।

তবে, পুলিশের ধারণা ‘প্রেস’ লেখা স্কুটি দুর্ঘটনায় নিহত দুই নারী সংবাদকর্মী নন। দুর্ঘটনায় নিহত দু’জনের নাম সৈয়দা কচি ও সোনিয়া বলে জানিয়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

পুলিশ বলছে, নিহত সৈয়দা কচি কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর এলাকার মৃত সৈয়দ ফজলুল হকের মেয়ে ও পার্ল ইন্টারন্যাশনালের টেরিটরি অফিসার এবং অপরজন সোনিয়া ভোলার মাছদেলছড়িয়ার রুহুল আমিনের মেয়ে। সোনিয়া তার ভাই রুবেলের সঙ্গে মিরপুরের শাহআলীতে থাকতেন।

মঙ্গলবার দিবাগত রাত পৌনে ১টার দিকে একটি স্কুটি নিয়ে ওই দুই নারী মহাখালী এলাকার সেতু ভবনের সামনে দুর্ঘটনার শিকার হন। তাদের স্কুটিতে ‘প্রেস’ লেখা থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে তারা সংবাদকর্মী বলে ধারণা করা হচ্ছিল।

নিহত একজনের সঙ্গে থাকা জাতীয় পরিচয়পত্র থেকে পুলিশ জানতে পারে তার নাম সৈয়দা কচি। এ সময় তার সঙ্গে থাকা আরেকটি পরিচয়পত্র থেকে জানা যায়, রাজধানীর বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ‘পার্ল ইন্টারন্যাশনাল’-এর টেরিটরি অফিসার পদে কর্মরত তিনি।

বনানী থানার উপপরিদর্শক আফজাল হোসেন বলেন, ঘটনাস্থলেই দুজন নারী যাত্রী নিহত হয়েছেন। তাদের মাথায় হ্যালমেট থাকলেও তা খুলে পড়েছে এবং ভেঙে গেছে। তাদের স্কুটিতে প্রেস লেখা ছিল। খবর পেয়ে রাত পৌনে ১টার দিকে সেতু ভবনের সামনে যায় পুলিশ।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে তিনি আরো বলেন, সেতু ভবনের সামনে স্কুটি চালিয়ে যাওয়ার সময় কোনো এক যানবাহনের ধাক্কায় স্কুটারে থাকা দুই নারী ছিটকে পড়েন। পথচারীরা দ্রুত তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি আরো বলেন, তাদের স্কুটিতে প্রেস লেখা থাকলেও তারা সাংবাদিক কিনা, সেটা জানা যায়নি। তারা দু’জনই পার্ল ইন্টারন্যাশনাল কম্পানিতে চাকরি করতেন। সব কিছু তদন্ত সাপেক্ষে চূড়ান্তভাবে বলা যাবে।

সৈয়দা কচির পার্ল ইন্টারন্যাশনালের টেরিটরি অফিসার হিসেবে যে পরিচয়পত্র পাওয়া গেছে, তার লোগো এবং কম্পানির লোগো একই। ওয়েবসাইটে চাকরির বিজ্ঞাপন দেওয়া তিনটি ফোন নম্বরে কালের কণ্ঠ যোগাযোগ করে। তবে তিনটি নম্বরে বলা হচ্ছে নট ইন সার্ভিস।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ