1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৭:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ

যেভাবে সুস্থ হলেন করোনা আক্রান্ত প্রথম ভারতীয় তরুণী

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
  • ৪১ Time View

ভারতের কেরালার এক তরুণী প্রাণঘাতি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন। পড়াশোনার জন্য চীনে গিয়েছিলেন তিনি। দেশটিতে করোনার আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ার পর ফিরে আসেন তিনি। দীর্ঘ চিকিৎসার পর সেরে ওঠেন। চীন থেকে আতঙ্কে তড়িঘড়ি করে দেশে ফিরে আসার ২দিনের মাথায় তিনি জানতে পারেন, শরীরে দানা বেঁধেছে করোনাভাইরাস। তারপরের লড়াইটা ছিল আরও কঠিন। টানা ২৪ দিন ভর্তি থাকতে হয়েছে কেরালার থ্রিশুর মেডিকেল কলেজে। দীর্ঘ চিকিৎসায় সেরে ওঠার পর চিকিৎসা পেশার উপর তার সম্মান বহুগুণ বেড়ে গেছে বলে জানাল ভারতের প্রথম করোনা আক্রান্ত তরুণী।

চীনে পড়াশোনা করতেন তিনি। সে দেশে করোনো আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ার পর আর এক মুহূর্তও অপেক্ষা করতে চাননি তিনি। তড়িঘড়ি দেশে ফিরে আসার উদ্যোগ নেন। কারণ, কেরালার বাড়িতে চিন্তা করছিলেন তার বাবা-মা। ২২ জানুয়ারি কলকাতা হয়ে ফেরার টিকিটের ব্যবস্থা করতে সক্ষম হন। কিন্তু, টিকিট পাওয়ার দিনেই উহানে যান চলাচল বন্ধ করে দেয় চীনের প্রশাসন। থমকে যায় গোটা শহর । যদিও কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে ওই রাতেই শেষ ট্রেনে চেপে বিমানবন্দরের কাছে পৌঁছে যান তিনি । যাত্রাপথে যথেষ্ট প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থাও গ্রহণ করেছিল বলে জানান তিনি। কিন্তু, করোনার ছোবল থেকে রক্ষা পাননি। কেরালার বাড়িতে ফেরার ২দিন পর জ্বর ও গলায় ইনফেকশনের উপসর্গ দেখা দেয়। বিষয়টির গুরুত্ব বুঝতে পেরে সঙ্গে সঙ্গে তিনি মেডিকেল কর্তৃপক্ষকে সব জানান। তাকে ভর্তি করা হয় থ্রিশুর মেডিকেল কলেজে। ২৭ জানুয়ারি থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ওই হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে তার চিকিৎসা চলে। এই সময়টাই তিনি মানসিকভাবে অনেক শক্তিশালী হয়েছে।

ওই তরুণী বলেন, হাসপাতালের যেসব চিকিৎসক ও কর্মী আমার চিকিৎসায় নিযুক্ত ছিলেন, তাঁরা অধিকাংশ সময়ই হাসপাতালে থেকে যেতেন। তাঁদের নিষ্ঠা এবং উদ্বেগ আমাকে মুগ্ধ করেছে। আমাকে ফোন করার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। ফলে, অনেকটাই চাপমুক্ত ছিলাম। এমনকি চিকিৎসা চলাকালীন পরিবারের সঙ্গেও নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। হাসপাতালের কর্মীরা বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এবং বন্ধুত্বপূর্ণ ছিলেন। যখন আমাকে ছেড়ে দেওয়ার সময় হলো, তাঁরাই সবথেকে বেশি আনন্দিত হয়েছিলেন।

এই কঠিন সময়ে একবারের জন্যও আশা ছাড়েননি তিনি। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর এমনটাই জানা তিনি।

আত্মপ্রত্যয়ের সঙ্গে তিনি বলেন, আমি এখন পজ়িটিভ এনার্জিতে ভরপুর। আইসোলেশন ওয়ার্ডে কখনোই নিজেকে একা মনে হয়নি। অনেকেই আমার জন্য প্রার্থনা করেছে। চিকিৎসা পেশাটার উপর আমার সম্মান বহুগুণ বেড়ে গেছে।”রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী কে কে শৈলজারও প্রশংসা করেন তিনি।

সূত্র : ইটিভি ভারত

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ