1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৭:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ

আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় এডিবির অর্থ ফেরত যাওয়ার আশঙ্কা!

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
  • ৩৭ Time View

হালকা যানবাহন চলাচলের দুই লেনসহ ঢাকা-সিলেট ছয় লেন মহাসড়ক প্রকল্প আমলাতন্ত্রিক জটিলতার জালে আটকে আছে। অথচ আগামী জুনের মধ্যে প্রকল্প অনুমোদন না হলে অর্থায়নে সম্মত হলেও এশিয় উন্নয়ন ব্যাংক অর্থ ছাড় করতে পারবে না। আগামী জুনের মধ্যে প্রকল্প অনুমোদন না হলে তার বাস্তবায়ন শুরু হতে এক বছর পিছিয়ে যাবে। এতে এশিয় উন্নয়ন ব্যাংক বিমুখ হয়ে অন্য প্রকল্পে এ অর্থ দিয়ে দিতে পারে।

আগামী জুলাইয়ের মধ্যে অর্থ ছাড়ের বিষয়টি চূড়ান্ত হলে সেপ্টেম্বরে চুক্তিস্বাক্ষর অনুষ্ঠান হবে। এডিবির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে মহাসড়কের নকশা অবশ্যই জুন মাসের মধ্যে অনুমোদন হতে হবে। সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী ও অন্য সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা অবশ্য বলছেন, নকশা প্রণয়ন ও বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষায় দেড়-দুইমাস সময় লাগবে।

এ অবস্থায় এডিবির বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর মনমোহন পারকাশ গত বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড এ কে আবদুল মোমেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তিনি প্রকল্প অনুমোদনের জন্য তাগাদা দেন। এছাড়াও তিনি এ বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

জানা গেছে, ১৯৯২ সালে এডিবি এ খাতে অর্থ বিনিয়োগ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছিল। তবে আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় তা সম্ভব হয়নি। এ বছর যেন এ ধরনের আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় অবকাঠামো উন্নয়ন কাজ বাতিল না হয় সেজন্য এডিবি সরকারের সহযোগিতা কামনা করেছে। ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ এডিবির সদস্যপদ লাভের পর থেকে বিভিন্ন প্রকল্পে ২৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগ করেছে।

সওজ অধিদপ্তরে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রকল্পের নতুন রুটের নকশা তৈরি করা হচ্ছে। তাতে দূরত্ব ২২৬ কিলোমিটার থেকে ১৬ কিলোমিটার কমবে। গত ২৯ জানুয়ারি রাজধানীতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় এ প্রকল্প নিয়ে মতবিনিময় সভায় সওজ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী জানিয়েছিলেন, প্রকল্পে জমি অধিগ্রহন করা হবে সবমিলে আট লেনের। মহাসড়কে গাড়ি চলবে ৮০-১২০ কিলোমিটার গতিবেগে। চুক্তি স্বাক্ষরের পর তিন বছরে এ মহাসড়ক নির্মান করা সম্ভব হবে। নরসিংদীর মাধবদী ও পাঁচদোনায় দূরত্ব কমবে তিন কিলোমিটার। এভাবে নতুন নকশা অনুসারে প্রায় ১৬ কিলোমিটার পথ কমবে।

প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ১৪ হাজার ১৪০ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে এটির কাজ শেষ করা হবে। প্রাথমিক প্রকল্প প্রস্তাবের নীতিগত অনুমোদন হয়েছে। তবে প্রকল্পের উন্নয়ন প্রকল্প ছক-ডিপিপি চূড়ান্ত হয়নি।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ