1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ভুয়া বিল দেখিয়ে রেলওয়ের ৯৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ, দুদকের মামলা সাংবাদিক এনামুল হকের সুস্থতা কামনায় বিএফইউজে-এমইউজে খুলনা … আগামী ১৯ নভেম্বর খুলনা প্রতিবন্ধি সংস্থার নির্বাচন আওয়ামী লীগ আখ্যা দিয়ে সিপিবি কার্যালয়ে হামলা হঠাৎ যে দেশে স্বর্ণের দাম ভরিতে কমলো ৫৯ হাজার টাকা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপে গ্রুপের শেষ ম্যাচে ফিজিকে হারাল বাংলাদেশ আন্দালুসিয়ায় ‘স্পেন-বাংলাদেশ এক্সপো’: বাণিজ্য সম্প্রসারণের আশা ঢাকা-কক্সবাজার রুটে আরও এক জোড়া ট্রেন চালু ভারপ্রাপ্ত থেকে এনবিআরের পূর্ণাঙ্গ চেয়ারম্যান হলেন আহসান হাবিব মালয়েশিয়ার সঙ্গে এফটিএ আলোচনায় রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণে নজর

পশ্চিমবঙ্গের পেঁয়াজ আসে বাংলাদেশে, আর তাদের কিনতে হয় বেশি দামে!

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ৬৪ Time View

পুরো ভারতে পেঁয়াজের যে চাহিদা, তার একটা বড় অংশ আসে মহারাষ্ট্র থেকে। আর পশ্চিমবঙ্গের ৭০ শতাংশ পেঁয়াজ আসে মহারাষ্ট্রের নাশিক থেকে। বাকি ৩০ শতাংশ দক্ষিণ ভারত থেকে আসে। কিন্তু এ রাজ্যেও তো পেঁয়াজ উৎপাদন হয়। রাজ্যের চাহিদা মেটাতে তার ভূমিকা কী? সরকারি টাস্ক ফোর্সের এক সদস্য জানাচ্ছেন, প্রতি বছর এ রাজ্যে ৮ লক্ষ মেট্রিক টনের কাছাকাছি পেঁয়াজ লাগে। এখন বিভিন্ন জেলায় পেঁয়াজ উৎপাদন হয় প্রায় ৫ লক্ষ মেট্রিক টন। অর্থাৎ রাজ্যে তিন লক্ষ মেট্রিক টন ঘাটতি। সেই ঘাটতির অংশটুকুই তো আমদানি করলে হয়ে যাওয়া উচিত? তা হলেই তো পেঁয়াজের দাম সারা বছর নিয়ন্ত্রণে থাকার কথা?

কিন্তু পেঁয়াজ চাষিদের একাংশ জানাচ্ছেন, রাজ্যের যা চাহিদার প্রায় সবটাই ভিন্‌রাজ্য থেকে আমদানি করা হয়। কারণ, এ রাজ্যের সিংহ ভাগ পেঁয়াজই রফতানি করা হয় বাংলাদেশে। তাঁদের দাবি, আগে হুগলি, নদিয়া, বাঁকুড়া ও মুর্শিদাবাদ জেলায় পেঁয়াজ চাষ হত। এখন প্রায় সব জেলাতেই কম-বেশি পেঁয়াজ চাষ হচ্ছে। সে কারণে উৎপাদনের পরিমাণও বেড়েছে। কিন্তু চাষ করলেই তো হল না, ওই পেঁয়াজ সংরক্ষণও তো করতে হবে!

সনাদন দাস নামে নদিয়ার এক চাষি জানালেন, আড়তদাররা সেই সুযোগটা নেয়। কম পয়সায় পেঁয়াজ কিনে তাঁরা মজুত করে বাংলাদেশে রফতানি করে। সনাতনের কথায়, ‘ফলে আমাদের পেঁয়াজের বেশির ভাগটাই চলে যায় অন্য দেশে। মুনাফা লোটেন এক শ্রেণির ব্যবসায়ী। তাঁর আক্ষেপ, আমরা যদি সংরক্ষণ করতে পারতাম, তা হলে ফেব্রুয়ারিতে ওঠা পেঁয়াজ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত খুব কম দামে বিক্রি হত বাজারে। কিন্তু প্রতি বছর একই কারবার!

চাষিদের কথা থেকে একটা বিষয় স্পষ্ট, এ রাজ্যের পেঁয়াজ রফতানি হয়ে যায় বাংলাদেশে। আর নিজেদের পেঁয়াজ আমদানি করতে হয় ভিন্‌রাজ্য থেকে। চাষিদের অভিযোগ, পেঁয়াজ ব্যবসায়ী কিন্তু বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এক। অর্থাৎ যে ব্যবসায়ী বাংলাদেশে এ রাজ্যের পেঁয়াজ রফতানি করছেন, তিনিই আবার অন্য সময় মহারাষ্ট্র এবং দক্ষিণ ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি করে।

সফিউল্লার কথায়, বিষয়টা কেমন হল বুঝলেন! আমাদের পেঁয়াজ কম দামে কিনে বাংলাদেশে রফতানি করে এক বার মুনাফা। আবার ভিন রাজ্যের পেঁয়াজ এখানে আমদানি করে সেখান থেকেও লাভ লুটছেন ওঁরা। সরকার বসে বসে দেখছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ