রাজধানীর দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের গার্মেন্টস ব্যবসায়ী নুরুজ্জামান হত্যা মামলায় ৩ সহোদরসহ ৫ কর্মচারীকে ফাঁসির দণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার ঢাকার চার নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মোতাহার হোসেন এ রায় ঘোষণা
মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত জামায়াতের আমির মতিউর রহমান নিজামীর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের প্রথম সাক্ষী বাংলাদেশ ইসলামী ঐক্যজোট একাংশের চেয়ারম্যান মিজবাউর রহমান চৌধুরী বলেছেন, আমার গবেষণার বিষয় হলো মুক্তিযুদ্ধের সময় জামায়াত ও
সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি ও বিগত সময়ে নিহত সাংবাদিক বালু, বেলাল, মানিক, দীপংকর, শামছুর রহমানসহ সব সাংবাদিক হত্যাকাণ্ডের বিচার, পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা প্রদান, সংবাদ মাধ্যমে ট্রেড ইউনিয়ন অধিকার প্রতিষ্ঠা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিউইয়র্কে পৌঁছেছেন। পুলিশের ব্যাপক উপস্থিতি ও কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যে বিমান বন্দরে নামেন তিনি। দলের নেতা-কর্মীদের ব্যাপক উপস্থিতি এবং বিরোধী দলের বিক্ষোভ কর্মসূচি থাকলেও কোন ধরনের অপ্রীতিকর
সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বার্ষিক গোপনীয় অনুবেদন (এসিআর) নির্ধারিত সময়ে জমা না দিলে বিভাগীয় ব্যবস্থার শাস্তি দেওয়া হবে। রোববার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে বার্ষিক গোপন প্রতিবেদন জমা দেওয়ার বিষয় সংক্রান্ত্র এসিআর
অক্টোবরের মধ্যেই পদ্মাসেতুর টেন্ডার আহ্বান এবং এপ্রিল-মে মাসে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করতে চায় সরকার। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত সোমবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের একথা বলেছেন। অর্থমন্ত্রী বলেন, “ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের আগে ফেব্রুয়ারি মাসে
রাজধানীর মৌচাকের আনারকলি সুপার মার্কেটে সোমবার রাতে আগুনে পুড়ে গেছে বাঁধন বেডিং ও বিক্রমপুর বেডিং নামে দুই দোকান। এছাড়া মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শাহজালাল বেডিং, রানা বেডিং ও গোল্ট স্টার ফেব্রিকসসহ
বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর বলেছেন, এ পর্যন্ত যতগুলো বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, সবক`টির বিচার করা হবে। এসব ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সোমবার দুপুরে র্যাব সদর দফতরে
রাজধানীর হাজারিবাগে তাসনিম রহমান করবী (১৩) নামে স্কুলপড়ুয়া আইনজীবী দম্পতির মেয়েকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। সে ওই এলাকার অ্যাডভোকেট মো: মিজান হোসেন ও মা আফরোজা ফারহানার একমাত্র
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট থিন সিনের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠককে উৎসাহিত করছে জাতিসংঘ। দুই দেশের মধ্যে রোহিঙ্গা ইস্যুর আশু সমাধান কামনা করছে সংস্থাটি। জাতিসংঘের উচ্চ পর্যায়ের নেতারা বিষয়টি পর্যবেক্ষণ