করোনাভাইরাসের তাণ্ডবে কাঁপছে পুরো বিশ্ব। এর সবচেয়ে বড় সংক্রমণ ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপে।চীনের গবেষণাগারেই নভেল করোনাভাইরাস জীবাণু তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগে সরব মার্কিন ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তাঁর মিত্ররা।এই পরিস্থিতি এক
প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্বের দেশে দেশে চলছে লকডাউন। করোনার প্রকোপ থেকে বাঁচতে লোকজনকে জনসমাগম এড়িয়ে চলতে এবং বাড়িতেই অবস্থানের পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এমন পরিস্থিতিতে অনেকেই বাড়িতে সেলফ আইসোলেশনে আছেন। কিন্তু
বিশ্বজুড়ে প্রলয় সৃষ্টি করেছে ছোট্ট একটা আণুবীক্ষণিক জীব নভেল করোনারভাইরাস। গুঁড়িয়ে দিয়েছে মানবজাতির সভ্যতা ও বিজ্ঞানের দম্ভ। কোন ওষুধ নেই, প্রতিষেধক নেই। শুধুই মৃত্যুর অপেক্ষা। কিভাবে উৎপত্তি হলো এই মারণ
চীনের উহানে প্রথম ছড়িয়ে পড়লেও করোনা সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে। এই ভাইরাস ঠেকানোর কোনো ওষুধ বা ভ্যাকসিন এখনো উদ্ভাবন হয়নি। এই মারণ ভাইরাস হানা দিয়েছে ফিলিপাইনে। তাই করোনা ঠেকাতে ভ্যাকসিন
আণুবীক্ষণিক জীব নভেল করোনারভাইরাসের থাবায় বিপর্যস্ত ব্রিটেন। দেশটিতে এরই মধ্যে কভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত হয়েছে ১ লাখ ২৫ হাজার মানুষ। এদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ১৬ হাজার ৫০৯ জনের। করোনায় মৃত্যুতে বিশ্বে
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের করোনা সংক্রমণের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। করোনার সংক্রমণের ঝুঁকিও রয়েছে তার। কারণ গত সপ্তাহে পাকিস্তানের এক সমাজকর্মীর সংস্পর্শে এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। মঙ্গলবার ফয়জল ইদহি নামের ওই
করোনাভাইরাস সবচেয়ে ভয়াবহ তাণ্ডব চালিয়েছে ইউরোপের দেশ ইতালিতে। দেশটিতে কারোনায় আক্রান্ত হয়ে হাজার হাজার মানুষ মারা গেছেন। করোনা ঠেকাতে দেশটিতে মার্চের ২৬ তারিখ থেকে চলছে লকডাউন। এর ফলে করোনায় নতুন
বিশ্বজুড়ে প্রলয় সৃষ্টি করেছে আণুবীক্ষণিক জীব নভেল করোনারভাইরাস। গুঁড়িয়ে দিচ্ছে মানবজাতির সভ্যতা ও বিজ্ঞানের দম্ভ। কোন ওষুধ নেই, প্রতিষেধক নেই। শুধুই মৃত্যুর অপেক্ষা। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের বিজ্ঞানীরা উঠেপড়ে লেগেছেন একটা
করোনার লকডাউনে বাবার শেষকৃত্যে যোগ দিতে পারলেন না ভারতের উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। বাবার শেষকৃত্যে যেতে না পারার আক্ষেপে পুড়ছেন তিনি। সোমবার সকালে প্রয়াত হন যোগী আদিত্যনাথের বাবা আনন্দ সিং
করোনাভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে। তবুও সংক্রমণ ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে যে লকডাউন চলছে তা তুলে নেওয়ার দাবিতে বিক্ষোভ আরো জোরালো হয়েছে। এসব বিক্ষোভের পক্ষে সমর্থন জানিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন,