1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ১০:১১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
নতুন রাষ্ট্রপতিকে লাল গোলাপ দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ২৫৫ ভোট পেয়ে মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীকে সাথে নিয়েই ভোট দিলেন মির্জা ফখরুল সব রাজনৈতিক দল মিলে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের সুনির্দিষ্ট অঙ্গীকার করেছে : তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কলেরা ভ্যাকসিন দেওয়া যাবে এক বছরের বেশি বয়সিদের: স্বাস্থ্যমন্ত্রী নিখোঁজের ৩ ঘণ্টা পর বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার রাজধানীতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫০৬ জনকে গ্রেপ্তার সুখী, সমৃদ্ধ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যাশা মির্জা ফখরুলে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার ও সেবাকে কোনো দয়া বা চ্যারিটি হিসেবে নয়, বরং সাংবিধানিক ও নাগরিক অধিকার হিসেবে দেখছে সরকার পে স্কেলের গেজেট সেপ্টেম্বরে, ১ জুলাই থেকে কার্যকর

এবার ২০ হাজার ৪০০ কোটি টাকার কৃষিঋণ

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৭ জুলাই, ২০১৭
  • ৯৮ Time View

২০১৭-১৮ অর্থবছরে ২০ হাজার ৪০০ কোটি টাকার কৃষি ও পল্লীঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে বার্ষিক নীতিমালা ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের জাহাঙ্গীর আলম কনফারেন্স হলে এ নীতিমালা ঘোষণা করেন ডেপুটি গভর্নর এস এম মনিরুজ্জামান। এ সময় বাংলাদেশে ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নীতিমালায় বলা হয়, চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ২০ হাজার ৪০০ কোটি টাকার কৃষি ও পল্লীঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। যা গত অর্থবছরের তুলনায় ১৬ দশমিক ২৪ শতাংশ বেশি।

এছাড়া বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর বাইরে বাংলাদেশ সমবায় ব্যাংক ২০ কোটি এবং বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি) ৭২০ কোটি টাকার কৃষিঋণ বিতরণ করবে।

গত অর্থবছরে মোট ৩৮ লাখ ৫৬ হাজার ৬৩৫ জনের মাঝে ২০ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকার কৃষি ও পল্লীঋণ বিতরণ করা হয়েছে। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৯ দশমিক ৬৫ শতাংশ বেশি। গত অর্থবছরে কৃষি ও পল্লীঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১৭ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা।

PIC

নীতিমালা ঘোষণাকালে ডেপুটি গভর্নর বলেন, কৃষি ও পল্লী খাতে ঋণ প্রদানের মাধ্যমে টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্যে কৃষিঋণের কর্মসূচি গ্রামীণ দরিদ্র জনগোষ্ঠীর আয়ের বৈষম্য দূর করতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

নীতিমালা অনুযায়ী, বর্তমানে সর্বোচ্চ ৯ শতাংশ হারে ঋণ পাবেন কৃষকরা। এছাড়া শস্য/ফল চাষের জন্য সর্বোচ্চ আড়াই লাখ টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণের ক্ষেত্রে সিআইবি রিপোর্টিং ও সিআইবি ইনকোয়ারির প্রয়োজন পড়বে না।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ