1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
নতুন রাষ্ট্রপতিকে লাল গোলাপ দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ২৫৫ ভোট পেয়ে মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীকে সাথে নিয়েই ভোট দিলেন মির্জা ফখরুল সব রাজনৈতিক দল মিলে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের সুনির্দিষ্ট অঙ্গীকার করেছে : তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কলেরা ভ্যাকসিন দেওয়া যাবে এক বছরের বেশি বয়সিদের: স্বাস্থ্যমন্ত্রী নিখোঁজের ৩ ঘণ্টা পর বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার রাজধানীতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫০৬ জনকে গ্রেপ্তার সুখী, সমৃদ্ধ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যাশা মির্জা ফখরুলে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার ও সেবাকে কোনো দয়া বা চ্যারিটি হিসেবে নয়, বরং সাংবিধানিক ও নাগরিক অধিকার হিসেবে দেখছে সরকার পে স্কেলের গেজেট সেপ্টেম্বরে, ১ জুলাই থেকে কার্যকর

জুটি নয়…প্রতিদ্বন্দী!

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ১৪ মে, ২০১৪
  • ১৯২ Time View

jit_koyelএকটা লড়াই শুরু হচ্ছে৷ সেখানে থাকার কথা প্রচার, প্রসার, জায়গা দখল আর শেষে বিজয়ীর মুকুট কে জিতবেন তার জল্পনা৷ আর কী অদ্ভূত সমাপতন! এই লড়াইতেও যাদের মুখ প্রচারে ব্যবহার করা হচ্ছে, তাদের জোরদার পেশাদারী জোটটা কলকাতার বাঙালি দর্শকের কাছে টাটকা স্মৃতি৷ কিন্তু এই মুহূর্তে তারা ব্যক্তিগত জীবনে বন্ধু হলেও, পেশার দাবিতে দুই প্রতিদ্বন্দ্বী ক্যাম্পের বাসিন্দা৷ এবং দু’জনেই হেভিওয়েট৷ অর্থাৎ মে মাসের শেষ শুক্রবারটা আবারও হতে পারে টালিগঞ্জের আরেকটা দ্বিমুখী লড়াইয়ের প্রত্যক্ষ সাক্ষী৷ দুই যোদ্ধার নাম জিৎ আর কোয়েল মল্লিক৷

গোড়াপত্তন
সাল ২০০৩৷ ছবি ‘নাটের গুরু’৷ নায়ক-নায়িকা জিৎ-কোয়েল৷ এরপর ‘বন্ধন’৷ ‘মানিক’৷ ‘যুদ্ধ’৷ ‘শুভদৃষ্টি’৷ ‘হিরো’৷ ‘ঘাতক’৷ ছবির সংখ্যা মোটে ছয়৷ কিন্তু আঁচ তাতেই গনগনে হয়৷ ‘উত্তম-সুচিত্রা’ আর ‘প্রসেনজিৎ -ঋতুপর্ণা’-র পর কোন জুটি তাদের প্রায় ছুঁয়ে ফেলল? এমন প্রশ্নের উত্তরে বাঙালি দর্শকের মুখে তখন একটাই নাম, ‘জিৎ -কোয়েল’!

ঠিক এমন সময় জিৎ ছবি করলেন স্বস্তিকা এবং অন্যান্য নায়িকার সঙ্গে জুটি বেঁধে৷ আর কোয়েলের বিপরীতে তখন প্রধানত দেব আর অন্যান্য নায়করা৷ দর্শক মনটা হুহু করে উঠল৷ তাদের ‘জিৎ -কোয়েল’ জুটির বিরহে৷ সে কথা বুঝে ফেলেছিলেন টালিউডের প্রযোজকরা৷ প্রথম চেষ্টা করলেন প্রযোজক পীযূষ সাহা৷ ‘নীল আকাশের চাঁদনি’ ছবি জিৎ -কোয়েল জুটির ক্যামব্যাক ছবি হবে ঠিক হলেঅ৷ ঠিক এরকম সময়েই ‘ভেঙ্কটেশ ফিল্মস’ প্রযোজিত ‘সাত পাকে বাঁধা’-তেও কাজ করতে শুরু করলেন জিৎ -কোয়েল৷ প্রথমে মুক্তি পেল ‘সাত পাকে বাঁধা’৷ দ্বিতীয় ইনিংসে এই ছবিতে আবার ছক্কা হাঁকালেন জুটি৷ এরপর ‘নীল আকাশের চাঁদনি’৷ ‘দুই পৃথিবী’ আর ‘১০০ পার্সেন্ট লাভ’৷ তারপর? সাল ২০১৪৷ ৩০ মে৷ (তারিখটা এখনো পর্যন্ত যা শোনা যাচ্ছে) বড়পর্দায় আসছেন জিৎ৷ আসছেন কোয়েল৷ কিন্তু একসঙ্গে নয়৷ আলাদা আলাদা৷ অর্থাৎ মুখোমুখি৷ ‘গেম’ ছবি নিয়ে আসছেন জিৎ৷ ছবির একটি পোস্টারে নায়ক৷ হাতে পিস্তল৷ তারই পাশাপাশি ‘অরুন্ধতী’ নিয়ে আসছেন কোয়েল৷ ছবির সব পোস্টারেই নায়িকা একা৷ হাতে তরবারি৷

‘বন্ধু’ নাকি ‘প্রতিদ্বন্দ্বী’?
যখনই কলকাতায় দু’টো হাই ভোল্টেজ বাংলা ছবি মুক্তি পেয়েছে একই দিনে, তখনই এমন প্রশ্ন উঠেছে, ভাই-ভাই, নাকি লড়াই? এবং সে ক্ষেত্রে প্রযোজক-পরিচালক-অভিনেতা সকলেই বারংবার যা বলেছেন, তার মোদ্দা কথাটা হলো, কারও সঙ্গেই কারও প্রতিযোগিতা নেই৷ তাই দর্শক দু’টো ছবিই দেখুন৷

কিছুদিন আগেও ‘রিলায়েন্স এন্টারটেইনমেন্ট’-এর ‘জাতিস্মর’ আর ‘ভেঙ্কটেশ ফিল্মস’-এর ‘চাঁদের পাহাড়’ মুক্তির তারিখ একই হবে কিনা, তাই নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছিল টালিউডে৷ তবে শেষ পর্যন্ত তাদের ছবি ‘জাতিস্মর’-এর মুক্তির তারিখ পিছিয়ে দেয় ‘রিলায়েন্স এন্টারটেইনমেন্ট’৷ তবে এবার আর সেটা হচ্ছে না৷ দু’ পক্ষেরই ছবি মুক্তি পাচ্ছে একই দিনে৷ তা হলে কে কোন হল পাবে তা নিয়ে কি শুরু হয়েছে লড়াই? কলকাতার ‘মিত্রা’ সিনেমা হলের মালিক দীপেন মিত্র বলছেন, ‘এরকম তো হয়েই থাকে৷ ১০ বছর আগেও দু’টো-তিনটে বড় ছবি একদিনে মুক্তি পেত৷ এবারও তাই হবে৷ আর কোয়েল এবং জিতের ছবির ধরন আলাদা৷ সে কারণে তেমন অসুবিধা হবে বলে মনে হচ্ছে না৷ হল পাওয়া নিয়েও সেরকম কোনো লড়াই নেই, কারণ পর্যাপ্ত হল পাবে দু’টো ছবিই৷’

কিন্তু কোন ছবি এগিয়ে গেল সে প্রশ্ন তো আসেই? শুনে দীপেনবাবু বলছেন, ‘সেই ছবিটাই বেশি ব্যবসা করবে, যে ছবি ভালো৷ অর্থাৎ দর্শকের বেশি পছন্দের হবে৷ কারণ দু’টো ছবিই ভালো সংখ্যক হল পাবে, সেটা আশা করছি৷’ ‘গেম’ ছবি নিবেদন করছেন ‘রিলায়েন্স এন্টারটেইনমেন্ট’৷ একই দিনে ছবি মুক্তি পেলে তো একটা প্রতিযোগিতা এসেই যায়? প্রশ্ন শুনে ‘রিলায়েন্স এন্টারটেইনমেন্ট’-এর প্রতিনিধি জয়ন্ত কুমার রায় বলছেন, ‘এখন যে সংখ্যক বাংলা ছবি হচ্ছে, সেক্ষেত্রে দু’টো ছবির রিলিজ ডেট এক হতেই পারে৷ ভোটের কারণেও কিছুটা, বড় বাণিজ্যিক বাংলা ছবি বহুদিন মুক্তি পায়নি৷ তাই দর্শকদের মধ্যে চাহিদা রয়েছে৷’

কী কথা মাথায় রেখে ঠিক হয়েছে ‘গেম’-এর এই মুক্তির তারিখ? জয়ন্ত বলছেন, ‘একই গল্প নিয়ে তৈরি হওয়া হিন্দি ছবি ‘হলিডে’ মুক্তি পাচ্ছে ৬ জুন৷ সে কারণেই আমরা ৩০ মে ‘গেম’ রিলিজ করার প্ল্যান করছি৷ ৪ জুন জামাইষষ্ঠী থাকায় ছুটির দিন রয়েছে৷ ট্যাডিশনালি ওই দিন বাঙালি জামাইরা শ্যালক-শ্যালিকাদের নিয়ে সেই কাননদেবীর আমল থেকে সিনেমা দেখতে যান৷ সুতরাং ২০১৪তেও সেই ট্র্যাডিশন বজায় থাকবে বলে আশা করা যায়৷ অনেকেই পরিবার নিয়ে সেদিন সিনেমাদেখতে যেতে পারেন৷’

অন্যদিকে ‘অরুন্ধতী’-র অন্যতম প্রযোজক নিশপাল সিং বলছেন, ‘প্রতিযোগিতা নিশ্চয়ই আছে৷ আমরা প্রস্ত্ততি পর্বেও কোনো ত্রুটি রাখছি না৷ আমাদের বড় ছবি, যেভাবে প্রোমোশনের পর রিলিজ করা হয়, ‘অরুন্ধতী’-র রিলিজ প্ল্যানও সেরকম৷’ মানে আপনারা ‘অরুন্ধতী’ নিয়ে আত্মবিশ্বাসী? শুনে নিশপাল বলছেন, ‘একদম৷ কারণ ‘অরুন্ধতী’-র বিষয় অন্যারকম৷ এতদিন কোয়েল ছবিতে নাচ করেছে, কমেডি করেছে৷ একই ধরনের জিনিস বহুবার করেছে৷ কিন্ত্ত এবার কোয়েল বাণিজ্যিক ছবির পরিচিত ইমেজের বাইরে বেরিয়ে আলাদা রকম কিছু করল এই ছবিতে৷’

পশ্চিমবঙ্গের বাংলা ছবির বাজারে মুম্বাইয়ের মতো ট্রেড অ্যানালিস্ট ব্যাপারটা জলভাত নয়৷ অবশ্য বাজার বাড়ছে যখন, তখন তার বিশেষজ্ঞরাও হিসাব রাখা শুরু করেছেন৷ তেমনই একজন ট্রেড অ্যানালিস্ট পঙ্কজ লাডিয়া কী বলছেন এ প্রসঙ্গে? বলছেন, ‘দু’টো ছবিই দক্ষিণী ছবির রিমেক৷ তবে গল্পের ধরন আলাদা৷ তাই কোনো প্রতিযোগিতা নেই৷’ তবে কোন ছবির জনপ্রিয়তা বেশি এই পর্যায়ে? পঙ্কজ বলছেন, ‘রুরাল সেন্টারে ‘গেম’ ছবির চাহিদা কিছুটা বেশি হতে পারে৷ চাহিদা অনুসারেই আমরা ডিস্ট্রিবিউট করব ছবি৷ ইনিশিয়াল অর্থাৎ প্রাথমিক পর্বের ব্যবসা ‘গেম’-এর বেশি হতে পারে৷ কিন্ত্ত ‘অরুন্ধতী’ থেকেও প্রত্যাশা অনেক৷’

আর নায়ক-নায়িকা?

দু’ জনের জন্যই এই ছবি খুব গুরুত্বপূর্ণ৷ কেন? জিৎ , শুভশ্রীর সঙ্গে জুটি বেঁধে করেছিলেন ‘বস’৷ সেই ছবির পরিচালকও ছিলেন বাবা যাদব৷ সেই ছবি সুপারহিট হওয়ার পর এই জুটির কাছ থেকে দর্শকদের প্রত্যাশা তুঙ্গে৷ জিতের শেষ মুক্তি ‘রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার’ অন্য ধরনের ছবি ছিল৷ সেখানে জিতের ফ্যানেরা পরিচিত ঢঙে তাদের নায়ককে পাননি৷ সে কারণেই তাদের আবার পছন্দের নায়ককে চেনা-অবতারে দেখার একটা প্রত্যাশা রয়েছে৷ আর সেই চাহিদা সম্পর্কে নায়ক নিজেও যে অবগত তা আশা করাই যায়৷ ব্যবসায়িক দিকে থেকেও জিতের কাছে এই ছবি গুরুত্বপূর্ণ৷ কারণ ছবির প্রযোজক তার নিজের সংস্থা৷ তবে নায়কের সঙ্গে, এসব ঘটনার অনেক আগে, যখন ‘গেম’ ছবির শ্যুটিং সবে শুরু হব-হব করছে, সে সময়ে কথা বলেই বোঝা গিয়েছিল, ছবি নিয়ে তিনি আত্মবিশ্বাসী৷

তারই ছবির সঙ্গে মুক্তি পাচ্ছে কোয়েলের ‘অরুন্ধতী’৷ সেক্ষেত্রে কোয়েলকে কি তিনি বেস্ট অফ লাক বলবেন? অবশ্যই৷ কারণ টলিউডের সব ছবিকেই টুইট্যারে বেস্ট অফ লাক জানান জিৎ৷ যেসব ছবির পোস্টার তার চোখে পড়ে৷ ‘অরুন্ধতী’-র পোস্টার তার চোখে পড়েনি, এমন কি সম্ভব নাকি? আর জিতের বরাবরের বন্ধু কোয়েল হঠাত্ ঘাড়ে এসে পড়া এই ‘প্রতিদ্বন্দ্বী’-র তকমাটা কোন চোখে দেখছেন?

কোয়েল বলছেন, ‘আমি তো জিত্কে বেস্ট অফ লাক বলেছি৷ ট্রেলর, গান যখনই দেখেছি, মনে হয়েছে, খুব ভালো হবে জিতের ছবি৷ আমার তরফ থেকে জিৎ আর শুভশ্রী দু’জনকেই বেস্ট অফ লাক৷’ নায়কের মতোই নায়িকার কেরিয়ারেও এই ছবি খুব গুরুত্বপূর্ণ৷ কারণ? ‘এটা লাইফটাইম চরিত্র৷ বাংলা ছবিতে এমন চরিত্র খুব কম তৈরি হয়েছে৷ অন্য ছবিতে গ্ল্যামার থাকে৷ এই ছবিতে কিন্তু পরতে পরতে নারীশক্তির প্রকাশ৷ সে কারণেই এই ছবি খুব স্পেশ্যাল’ বলছেন নায়িকা স্বয়ং৷

কোয়েল এই ছবিতে তরবারি হাতে৷ যুদ্ধে প্রস্ত্তত৷ তেমনভাবেও তো কোয়েলকে আগে দেখেনি তার ফ্যানেরা৷ পোস্টারে এই নতুন লুকে দেখে ফ্যানেদের মনে তৈরি হয়েছে প্রত্যাশা৷ ব্যবসায়িক দিক থেকেও কোয়েলের কাছে এই ছবি গুরুত্বপূর্ণ৷ কারণ কোয়েলের বরই এই ছবির অন্যতম প্রযোজক৷ আর মজার ব্যাপার হল, জিতের মতোই একই আত্মবিশ্বাস চলকে পড়ছে কোয়েলের গলাতেও৷ তবে একটা প্রশ্ন যে থেকেই যায়৷ জিত্ -কোয়েল এতদিন যে জুটি বেঁধে এসেছেন, তারা এবার তো মুখোমুখি৷ তা হলে? কোয়েল হেসে বলছেন, ‘দু’টো ছবির বিষয় তো একেবারেই আলাদা৷ তাই ফ্যানেদের জন্য ভ্যারাইটি রয়েছে৷ ওরা খুশি হবে যে জিত্ আর কোয়েল দু’ জনকেই দেখতে পাবে আবার৷ একসঙ্গে না হলেও৷’

একনজরে

জিৎ

ছবির ধরন: পারিবারিক বিনোদন, দক্ষিণী ছবির রিমেক
জিতের সঙ্গে আছেন: শুভশ্রী
ছবির পরিচালক: বাবা যাদব
নৃত্য পরিচালনা: বাবা যাদব
গান: জিৎ গঙ্গোপাধ্যায়
প্রযোজক: জিৎ নিজে
কেরিয়ারের বয়স: ১২ বছর
শেষ মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি: রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার

কোয়েল

ছবির ধরন: পুনর্জন্মের গল্প, দক্ষিণী ছবির রিমেক
কোয়েলের সঙ্গে আছেন: ইন্দ্রনীল সেনগুপ্ত
ছবির পরিচালক: সুজিত মণ্ডল
নৃত্য পরিচালনা: বাবা যাদব
গান: জিৎ গঙ্গোপাধ্যায় আর সালুরি কোটেস্বারা রাও (কোটি)
প্রযোজক: অন্যতম প্রযোজক স্বামী নিশপাল সিং
কেরিয়ারের বয়স: ১১ বছর
শেষ মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি: রংবাজ

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ