আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আমরা গণতন্ত্র ও সাংবিধানিক ধারা অব্যাহত রাখতে চাই। জনগণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য অস্থায়ী সরকার দেখতে চায় না।’
শনিবার বিকালে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে জামায়াত-হেফাজতের হামলায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে চেক বিতরণকালে তিনি এসব কথা বলেন।
আগামী নির্বাচন সংবিধান অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হওয়ার ব্যাপারে দৃঢ় প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অন্যান্য গণতান্ত্রিক দেশে যেভাবে নির্বাচন হয়, আগামী নির্বাচন সেভাবেই অনুষ্ঠিত হবে।
শেখ হাসিনা বলেন, অশুভ শক্তিগুলো বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে দেখতে চায় না। তারা অতীতে খুনি ও যুদ্ধাপরাধীদের মদদ যুগিয়েছে। এখন তারা খুনি ও যুদ্ধাপরাধীদের ক্ষমতায় আনতে চায়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিরোধী দল নিরীহ মানুষকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করেছে। শিশু থেকে শ্রমজীবী মানুষের কেউ তাদের হাত থেকে রেহাই পায়নি।
শেখ হাসিনা বিরোধী নেত্রীকে দেয়া আলোচনার প্রস্তাব সম্পর্কে বলেন, তিনি দেশ ও জনগণের স্বার্থে তাকে আলোচনায় বসার অনুরোধ জানিয়েছিলেন। বিরোধী নেত্রী যে ভাষায় আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করলেন তা মোটেই শোভন ছিল না। এটি রাজনৈতিক ভাষা হতে পারে না।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী ফটিকছড়ির সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্ত ২০২ জনের মাঝে চেক বিতরণ করেন। গত ১১ এপ্রিল চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার ভুজপুরের কাজিরহাটে ছাত্রলীগ ও যুবলীগ ও জামায়াত-শিবির ও হেফাজতে ইসলামের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। এতে আওয়ামী লীগের ৩ জন নিহত এবং ৫০ জন আহত হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র মন্ত্রী ডা. দিপু মণি, অ্যাম্বেসেডর এট লার্জ মোহাম্মদ জিয়া উদ্দীন, মূখ্য সচিব শেখ মো. ওয়াহিদুজ্জামান, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদসহ প্রমুখ।