1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
‘ধর্মের অপব্যাখ্যা দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করছে সংঘবদ্ধ ধর্ম ব্যবসায়ী গোষ্ঠী’ কারাগারে নেওয়ার পথে তানভীরের সঙ্গে আদালত চত্বরে যা ঘটল টানাটানি করলে জুলাই আমাদের কারও থাকবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ডিসেম্বরে তারা দেশে এলে ‘রাজপথে দেখা হবে’ ইনশাআল্লাহ: রাষ্ট্রপতি প্রয়োজনে আমরা আবারও রাজপথে নামব, আমিও নামব: আসিফ নজরুল ফ্যাসিবাদের পরাজয়, গণতন্ত্রের বিজয় হয়েছে: তথ্যমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া জগলুল পাশা গ্রেপ্তার শেখ হাসিনার জন্য ভারত মায়াকান্না করছে: রিজভী জুলাই সনদ প্রতিটি অক্ষরে অক্ষরে আমরা বাস্তবায়ন করবো: ফরহাদ হোসেন আজাদ জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের টিকেট পাবেন যেভাবে

ইরানি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত মধ্যপ্রাচ্যের ১৬ মার্কিন ঘাঁটি

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ২ মে, ২০২৬
  • ১৪০ Time View

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনাগুলোর ওপর ইরান ও তার মিত্রদের হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির তথ্য উঠে এসেছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল ও ইরান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে অন্তত ১৬টি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে সিএনএন।

গালফ নিউজের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, আটটি মধ্যপ্রাচ্যের দেশে অবস্থিত এসব স্থাপনার মধ্যে কয়েকটি এতটাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে যে সেগুলো কার্যত ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। অঞ্চলটিতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতির বড় অংশজুড়েই এই ঘাঁটিগুলো অবস্থিত বলে উল্লেখ করা হয়।

ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন মূল্যায়ন রয়েছে। এক মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, কোথাও পুরো স্থাপনাই ধ্বংস হয়ে বন্ধের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, আবার কোথাও কৌশলগত গুরুত্ব বিবেচনায় মেরামতের পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।

স্যাটেলাইট চিত্র ও বিভিন্ন সূত্রের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ইরানের হামলার মূল লক্ষ্য ছিল যুক্তরাষ্ট্রের উন্নত রাডার ব্যবস্থা, যোগাযোগ নেটওয়ার্ক এবং মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েনকৃত যুদ্ধবিমান। এসব সরঞ্জাম অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং দ্রুত প্রতিস্থাপন করা কঠিন।
এতে তুলনামূলক কম আঘাতে বড় ধরনের কৌশলগত ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ওই কর্মকর্তা বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের রাডার ব্যবস্থাগুলোই অঞ্চলটিতে সবচেয়ে ব্যয়বহুল ও সীমিত সম্পদের মধ্যে পড়ে, এ কারণে সেগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।

এদিকে পেন্টাগনের ভারপ্রাপ্ত নিয়ন্ত্রক কংগ্রেসকে জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে এই সংঘাতে এখন পর্যন্ত মার্কিন করদাতাদের ব্যয় হয়েছে প্রায় ২৫ বিলিয়ন ডলার।

পেন্টাগনের প্রাথমিক মূল্যায়নের পর এক কংগ্রেসনাল কর্মকর্তার বরাত দিয়ে দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর ফিফথ ফ্লিটের সদর দপ্তর মেরামতেই প্রায় ২০ কোটি ডলার ব্যয় হতে পারে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ