বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস
টেকনাফের দুর্গম পাহাড়ে একদিন আগে যেখানে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি হয়েছে, সেখানে তিনটি লাশ পড়ে থাকার তথ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লেও পুলিশ নিশ্চিত হতে পারেনি।
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার রঙ্গীখালী এলাকায় বৃহস্পতিবার যৌথ বাহিনীর ওই অভিযানের সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে একজন সেনা সদস্য নিহত হন।
সেই দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় তিনটি লাশ পড়ে থাকার তথ্য শুক্রবার সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। কয়েকটি সংবাদমাধ্যম এ নিয়ে প্রতিবেদনও প্রকাশ করে।
বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে টেকনাফ মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সুকান্ত চৌধুরী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “এইরকম একটি মেসেজ এখানে আছে। কিন্তু আমরা নিশ্চিত নই। আদৌ ওইখানে লাশ আছে, নাকি নেই। থাকলে কয়টা আছে।”
আবার টেকনাফ মডেল থানার ওসি সাইফুল ইসলাম লাশের তথ্য অস্বীকার করে বলেছেন, এখনও অভিযান অব্যাহত আছে।
এ বিষয়ে কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপার এ এন এম সাজেদুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, “অভিযান চলছে। লাশের খবরটা আমরা শুনেছি। এখন পুলিশ দেখবে যে কী অবস্থা।”
বৃহস্পতিবারের ঘটনার বর্ণনায় আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর-আইএসপিআর বলেছিল, গহীন পাহাড়ে প্রায় ১২০ জন রোহিঙ্গা ও বাঙালি নাগরিককে ১৫-১৬ জনের একটি সশস্ত্র মানবপাচারকারী দল জিম্মি করে রেখেছে এমন খবরের ভিত্তিতে সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশের সমন্বয়ে যৌথ অভিযান চালায়।
তখন উভয় পক্ষের মধ্যে গোলাগুলিতে মো. তিতাস শেখ (২৮) গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান।
করের বিকল্প যখন রেমিটেন্স: জবাবদিহিহীন রাষ্ট্রের ‘সহজ এক্সিট’ তত্ত্ব
বিচারহীনতার দশ বছর: সাঁওতালদের ভিটা বাগদাফার্মে কার স্বার্থে ইপিজেড?
মসনদে টান ওদের, দমবন্ধ কিন্তু আমাদেরই
ল্যাবে কি ঘুমিয়ে আছে পূর্ণ শিক্ষিত রোবট?