1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
জামায়াতে ইসলামী ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক দেশ গঠনে নেতৃত্ব তৈরি করছে স্থানীয় নির্বাচনে সরকার বিন্দুমাত্র হস্তক্ষেপ করবে না: মীর শাহে আলম পূজার ছুটিতে ফাঁকা ঢাকা, বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে দর্শনার্থীদের ভিড় অস্ট্রেলিয়াকে ইনিংস ব্যবধানে হারিয়ে সমতায় ফিরল দ. আফ্রিকা দ্রুততম ডাবল সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়ে ব্রুকের বিধ্বংসী ২০২ কবি শামসুর রাহমানের ৯৮তম জন্মদিন আগামীকাল আইনের শাসনে দুই ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ খুলনায় নদী ভাঙনের সামনে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে বেড়িবাঁধের দাবি অবৈধ ফোন বন্ধে দুই ধাপে চালু হচ্ছে এনইআইআর, ব্যবস্থা নিচ্ছে বিটিআরসি ভারতের সঙ্গে লড়াই করেও পারল না বাংলাদেশ

খুলনায় নদী ভাঙনের সামনে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে বেড়িবাঁধের দাবি

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১৩ Time View

দাকোপ উপজেলার বটবুনিয়া এলাকার ভাঙনকবলিত এলাকায় দাঁড়িয়ে এ দাবি জানান এলাকাবাসী।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

খুলনায় সফররত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। দাকোপ উপজেলার বটবুনিয়া এলাকার নদী ভাঙন এলাকায় দাঁড়িয়ে এ দাবি জানান তারা।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণে ‘মানুষ বাঁচলে উপকূল বাঁচবে, টেকসই বাঁধেই নিরাপত্তা আসবে’, ‘ত্রাণ নায়, টেকসই বেড়িবাঁধ উপকূলবাসির প্রাণের দাবি’- এসব স্লোগান সম্বলিত প্লাকার্ড হাতে নদী তীরে জড়ো হন বাসিন্দারা।

বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা ২৮ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী হেলিকপ্টার দাকোপের নলিয়ান মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অবতরণ করে। পরে হেঁটে নলিয়ান কোস্টগার্ডের পল্টুনে যান তিনি। এরপর ১০টা ৪৮ মিনিটে সেখান থেকে নৌপথে মোংলার উদ্দেশে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী।

এর আগে নলিয়ান বাজার মোড়ে অপেক্ষায় থাকা শত শত মানুষের সঙ্গে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা বিনিময় ও করমর্দন করেন তারেক রহমান। তাকে দেখতে সকাল থেকেই সেখানে ভিড় করেন বাসিন্দারা।

নয়টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত নদীবেষ্টিত দাকোপ উপজেলা মূলত তিনটি দ্বীপের সমন্বয়ে গঠিত। পানি উন্নয়ন বোর্ড ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী এই তিনটি দ্বীপকে ৩১, ৩২ ও ৩৩ নম্বর পোল্ডারে বিভক্ত করেছে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, এসব এলাকায় প্রায় ৯০ হাজারের বেশি মানুষ বসবাস করেন। বাঁধের ঝুঁকির কারণে তাদের বড় একটি অংশের নিরাপত্তা ও জীবিকা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, ১১ অক্টোবর সকাল ৮টার দিকে ঢাকী নদীর প্রবল জোয়ার ও স্রোতের চাপে তিলডাঙা ইউনিয়নের বটবুনিয়ায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেড়িবাঁধের প্রায় ৪০ মিটার ধসে গেছে। এতে আশপাশের ১৩টি পরিবার প্লাবিত হয়।

গতবছরও বটবুনিয়া বাজারের পশ্চিমপাশে হরিসভা মন্দির ও সরদারবাড়ির সামনে বাঁধ ভেঙে বহু কৃষকের রোপা আমন ক্ষেত ও পুকুরের মাছ ভেসে যায়।

দুর্যোগ ছাড়াও কোনো কোনো সময় অমাবস্যা ও পূর্ণিমার জোয়ারেও বাঁধ ভেঙে ক্ষতির শিকার হন বাসিন্দারা। প্লাবিত হয় বিস্তীর্ণ এলাকা। ভাসিয়ে নেয় হাজারো মানুষের বসতি, কেড়ে জীবন-জীবিকা।

প্রধানমন্ত্রীর আগমনে বাসিন্দাদের দাবি টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ করে উপকূলের মানুষের জন্য নিরাপদ বাসস্থান গড়ে তোলা ও উন্নত যোগাযোগব্যবস্থার নিশ্চিত করা।

উপজেলার পানখালী ইউনিয়নের খোনা মোল্লা বাড়ির সামনে, জাবেরের খেয়াঘাট, তিলডাঙ্গা ইউনিয়নের কামিনীবাসিয়া, গড়খালী আন্দারমানিক, সুতারখালি ইউনিয়নের গুনারীর কালিবাড়ি লঞ্চঘাট, কালাবগী মডেল বাজারসহ বেশ কয়েকটি স্থানেও বেড়িবাঁধে ফাটল দেখা দিয়েছে।

ভাঙন অব্যাহত রয়েছে- বাণীশান্তা ইউনিয়নের বাণীশান্তা যৌনপল্লী ও রেখামারি, সুতারখালি ইউনিয়নের কালাবগী বাজার, আমিনুর সানার বাড়ির সামনে, তেলিরকোনা বাজারের দক্ষিণ পাশে, কাছারী বাড়ি, তিলডাঙ্গা ইউনিয়নের কামনীবাসিয়ার গাইন বাড়ির সামনে এলাকায়।

বটবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা মো. আজমির রহমান সানা বলেন, যখন জোয়ারের পানি বাঁধ উপচে পড়ার উপক্রম বা বাঁধ ভেঙে যায়, তখনই ‘জরুরি পরিস্থিতি’র বাঁধ মেরামতে উদ্যোগ নেয় পানি উন্নয়ন বোর্ড।

“এক্ষেত্রে লাভ হয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা আর ঠিকাদারদের। কারণ মানুষ তখন জন্মভিটায় টিকে থাকার স্বার্থে স্বেচ্ছাশ্রমে রিং-বাঁধ দেয়, অন্যদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা এসব কাজের কোটি কোটি টাকা ব্যয় দেখান”, বলেন তিনি।

টবুনিয়ার ভাঙনকবলিত সরদারবাড়ির সামনের বাসিন্দা গোবিন্দ সরদার বলেন, বেড়িবাঁধ নির্মাণে বাঁধের খুব কাছ থেকে মাটি কাটা হয়। সেই মাটির সঙ্গে স্থানীয় নদীর বালু এবং কিছু মানহীন জিওব্যাগ ফেলেই দায় সারাভাবে এক একটি প্রকল্পের কাজ শেষ করে কোটি কোটি টাকা লোপাট করা হচ্ছে।

অপরিকল্পিত ও নিম্নমানের কাজের কারণে তা দ্রুত নষ্ট হয়ে প্রতিবছরই নতুন সংকট তৈরি হচ্ছে বলে জানান তিনি।

দুর্যোগপ্রবণ এই এলাকার উন্নয়নে সরকারি প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে জানিয়ে দাকোপ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বোরহান উদ্দিন মিঠু বলেন, বাঁধ ভেঙে যেন এলাকা প্লাবিত হতে না পারে এবং মানুষের জানমালের ক্ষতি না হয়, সেজন্য পাউবোর সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত বাঁধ সংস্কারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খুলনার উপ-পরিচালক নজরুল ইসলাম বলেন, উপকূলীয় এলাকায় নদীভাঙনের অন্যতম বড় বিপদ হল, লবণাক্ত পানির অনুপ্রবেশ।

“বেড়িবাঁধ ভেঙে নদীর পানি জমিতে ঢুকলে শুধু চলতি মৌসুমের ফসলই নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে না, মাটির লবণাক্ততাও বেড়ে যায়। এতে পরবর্তী মৌসুমে ফসল উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। আর এর প্রভাব পড়ে কৃষি, মৎস্য, বসতভিটা ও স্থানীয় অর্থনীতিতে”, বলেন তিনি।

মক্কায় মৃত্যুদণ্ড: প্রবাসীদের আইনি সুরক্ষার কঙ্কালসার চিত্র

সড়ক দুর্ঘটনা রোধে রাষ্ট্রের ব্যর্থতার দায় আদালতের কাঁধে

তৌফিক ভাইয়ের চারটি বাক্য, আমার সাংবাদিকতার পাঠ

আট মাসেও কাটেনি অস্থিরতা: জনমনে স্বস্তি ফেরানো জরুরি

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ