1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
শেরেবাংলা নগরে সচিবালয় সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন অস্ত্রোপচারে বিশ্বসেরা ১০ হাসপাতালের তালিকায় রাজশাহী মেডিকেল রহস্যজনক আগুন আতঙ্কে রাত জেগে গ্রাম পাহারা ভোলায় একজনকে ছুরিকাঘাতের জেরে গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু সৌদিতে ২ বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর : বিস্তারিত জানতে চেয়েছে ঢাকা ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে সবুজায়ন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড: রাষ্ট্রদূতকে তলব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক ‘ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী স্বর্ণপদক ট্রাস্ট ফান্ড’ গঠন ইউনিয়ন প্রতিনিধি মনোনয়ন নিয়ে বিতর্ক, অব্যাহতি পেলেন যুবদলের দুই নেতা ফ্যাসিস্টদের পথ কী? জামায়াত আমিরের কাছে জানতে চাইলেন বিএনপি মহাসচিব

পুনঃঅর্থায়ন স্কিম: বন্ধ কারখানা চালু করতে ১৮ দিনে বাংলাদেশ ব্যাংকের ঋণ বিতরণ ৪৫০ কোটি টাকা

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১০ Time View

বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানাগুলো পুনরায় চালু করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের গঠিত ২০ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন স্কিমে কিছুটা গতি ফিরে এসেছে। গত ১৮ দিনের ব্যবধানে এই খাতের অধীনে প্রায় ৪৫০ কোটি টাকা বিতরণ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্যানুযায়ী, চলতি বছরের ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত এই স্কিমের আওতায় মোট ১ হাজার ৪৯০ কোটি টাকার ঋণের আবেদন জমা পড়েছে। এর মধ্যে ৫৬০ কোটি টাকা ইতিমধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। অবশিষ্ট ৯২৯ কোটি টাকার ঋণ গ্রাহকদের অনুকূলে বর্তমানে বিতরণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এর আগে অক্টোবর মাসের ১ তারিখ পর্যন্ত বন্ধ কারখানার বিপরীতে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে মাত্র ৮০০ কোটি টাকার ঋণের আবেদন জমা পড়েছিল, যার মধ্যে আটটি প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে মাত্র ১১০ কোটি টাকা ছাড় করা হয়।

চলতি বছরের গত জুন মাসে বাংলাদেশ ব্যাংক এই বিশেষ পুনঃঅর্থায়ন স্কিমটি ঘোষণা করে। স্কিম ঘোষণার পর আবেদন গ্রহণ এবং তা যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ার আনুষঙ্গিক কার্যক্রম চূড়ান্ত করতে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর অক্টোবর পর্যন্ত সময় লেগে যায়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক কম সুদে এই তারল্য সুবিধা প্রদান করলেও ঋণের পুরো ক্রেডিট ঝুঁকি বহন করতে হচ্ছে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকেই। কারণ, ঋণগ্রহীতার ব্যবসায়িক সক্ষমতা এবং বাজারে টিকে থাকার সম্ভাব্যতা মূল্যায়নের মূল দায়িত্ব শুধুমাত্র ব্যাংকগুলোর ওপরই ন্যস্ত করা হয়েছে।

নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী, ঋণগ্রহীতারা প্রথমে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে আবেদন জমা দেন। পরবর্তীতে ব্যাংকগুলো নিজস্ব মূল্যায়নে অনুমোদিত ও যোগ্য আবেদনগুলো অর্থায়নের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকে প্রেরণ করে।

এদিকে, তৈরি পোশাক শিল্পমালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ) জানিয়েছে, প্রয়োজনীয় মানদণ্ড পূরণ করায় অডিট সম্পন্ন করে তারা প্রায় ২০০টি পোশাক কারখানাকে এই স্কিমের জন্য প্রত্যয়নপত্র (সার্টিফিকেট) দিয়েছিল। তবে সংগঠনটির দাবি, এখন পর্যন্ত এর একটি কারখানাও কোনো তহবিল পায়নি।

বিজিএমইএ-এর সহ-সভাপতি মো. শিহাব উদ্দোজা চৌধুরী টিবিএস-কে বলেন, 'আমাদের জানা মতে, এই স্কিমের অধীনে এখন পর্যন্ত একটি কারখানাও ফান্ড পায়নি।' এ ছাড়া চারজন কারখানা মালিকও নিশ্চিত করেছেন যে, আবেদন অনুমোদনের পর তারা এখনো তহবিল ছাড়ের অপেক্ষায় রয়েছেন।

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ