শুক্রবার থেকে এ কার্যক্রম জেলা পর্যায়ে শুরু করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস
বিদেশগামী কর্মীদের অনলাইন রেজিস্ট্রেশনের ভুল সংশোধনে ভোগান্তি কমাতে এখন থেকে কেন্দ্র বা ঢাকার সদর দপ্তরে দৌড়ঝাঁপ না করে নিজ নিজ জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসে মূল কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করা যাবে।
জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, শুক্রবার থেকে এ কার্যক্রম জেলা পর্যায়ে শুরু করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিদেশগামী কর্মীরা বিএমইটির ‘ওইপি’ সিস্টেমে রেজিস্ট্রেশন করার সময় প্রায়ই ভুল তথ্য ইনপুট করে থাকেন। পরে তা সংশোধনের জন্য বিএমইটি কার্যালয়ে আসতে হয়, যার ফলে কর্মীদের সময় ও অর্থ দুই-ই অপচয় হয়। একইসঙ্গে সংশোধন প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতা দেখা দেয়।
সেবাগ্রহীতাদের ভোগান্তি দূর করতে এবং সেবা দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে এখন থেকে সংশ্লিষ্ট জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসেই প্রয়োজনীয় মূল কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে তথ্য সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হবে।
• বানান সংশোধন: জন্মনিবন্ধন সনদের ভিত্তিতে তৈরি পাসপোর্টের ক্ষেত্রে কর্মীর নাম ও পিতার নামের সামান্য ভুল বানান জেলা অফিসের মাধ্যমেই সংশোধন করা যাবে।
• সাপোর্ট টিকিট জেনারেট: পাসপোর্টে নাম ও পিতার নাম সম্পূর্ণ পরিবর্তন কিংবা জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি পাসপোর্টের যে কোনো তথ্য সংশোধনের ক্ষেত্রে জেলা অফিসের মাধ্যমে ওইপি সিস্টেমে সাপোর্ট টিকিট জেনারেট করতে হবে।
• চূড়ান্ত অনুমোদন: জেলা অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঠিকভাবে যাচাই করে ‘কাগজপত্র সঠিকভাবে যাচাই করা হয়েছে’ মর্মে প্রত্যয়ন করবেন এবং সিস্টেমে আপলোড করবেন। এরপর বিএমইটি মূল দপ্তর থেকে তা চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হবে।
এ প্রসঙ্গে বিএমইটির মহাপরিচালক জামিল আহমেদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “অনেকদিন ধরেই এই দাবিটা ছিল। তাছাড়া ছোটো একটু ভুল সংশোধনের জন্য অনেককেই ঢাকায় ছুটে আসতে হত।
“আমাদের এখানেও একটু লোকবলের সংকট আছে। এই উদ্যোগের ফলে জেলা পর্যায়ের প্রবাসগামীদের তথ্য সংশোধনে আর রাজধানীতে বিএমইটি কার্যালয়ে আসার প্রয়োজন হবে না, ফলে ভোগান্তি এবং আর্থিক অপচয় অনেকাংশে কমে আসবে।”
কী মধু ভিসি পদে, সবাই কেন ইঁদুর দৌড়ে?
‘হোটেল রুয়ান্ডা’র বাইরের গল্প এবং নাভি পিল্লাইয়ের লড়াই
সাংবাদিকতায় বিনিয়োগ, প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট ও বিকল্প আয়: মেন্টর যখন টিআইকে