1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ

ম্যান সিটির শিরোপা কেড়ে নেওয়াসহ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান জেরার্ড

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১৭ Time View

ম্যানচেস্টার সিটির আর্থিক অনিয়মের কারণে অন্যান্য দলগুলি যেভাবে ভুগেছে, সেভাবেই সিটিকে ভোগান্তিতে ফেলতে হবে, বলছেন লিভারপুল কিংবদন্তি স্টিভেন জেরার্ড।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

ম্যানচেস্টার সিটির শিরোপাগুলো তো কেড়ে নিতে হবেই, আরও কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। এমন শাস্তি দিতে হবে, যা হয়ে থাকবে সবসময়ের জন্য উদাহরণ। এই দাবি স্টিভেন জেরার্ডের। লিভারপুলের কিংবদন্তির মতে, এখানে সিটিকে ছাড় দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে একশটিরও বেশি আর্থিক অনিয়মের অভিযৈাগে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর গত কিছুদিন ধরেই আলোচনা-সমালোচনার কেন্দ্রে আছে ম্যানচেস্টার সিটি। অভিযোগগুলো ২০০৯ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যের সময়কার। সিটি সব ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করেছে এবং রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেছে।

লিভারপুলে ১৭ বছরে ক্যারিয়ার শেষে ২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাব এলএ গ্যালাক্সিতে যোগ দেন জেরার্ড। ২০১৩-১৪ মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগে তুমুল লড়াইয়ের পর সিটির চেয়ে দুই পয়েন্ট পেছনে থেকে রানার্স আপ হওয়া দলের অধিনায়ক ছিলেন তিনি।

সিটির কী শাস্তি হওয়া উচিত বলে তিনি মনে করেন, এমন প্রশ্নের জবাবে কোনো রাখঢাক না রেখেই জেরার্ড দা ওভারল্যাপকে বলেন, অভিযুক্ত সময়কালে অন্যান্য দল যেমন ভুগেছে, সেভাবেই ভোগান্তিতে ফেলতে হবে সিটিকে।

“আমার অনুভূতির কথা বলতে গেলে… যদি বলেন, আমি হয়তো এতে প্রভাবিত হতে পারি। আমি চাইব না যে ব্যক্তিগতভাবে কারও বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক। কিন্তু ক্লাবের শিরোপা কেড়ে নিতে হবে… ঐতিহাসিকভাবে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করা প্রয়োজন।

“এরপর ভবিষ্যতে একটা শাস্তির ব্যবস্থা থাকা দরকার। জানি না, সঠিক শাস্তিটা কী হতে পারে… যদি তাদেরকে (দ্বিতীয় বিভাগে) নামিয়ে দেওয়া হয়, আমার মনে হয় না চ্যাম্পিয়নশিপের (দ্বিতীয় বিভাগের) জন্য এটা ন্যায্য হবে, কারণ তারা হবে সেই তিনটি দলের মধ্যে একটি, যারা আবার উঠে আসবে, ফলে চ্যাম্পিয়নশিপের একটি জায়গা কমে যাবে। তাই এটা চ্যাম্পিয়নশিপের (দ্বিতীয় বিভাগ) জন্য ন্যায্য হবে না.. অথবা সেই দলগুলোর জন্যও নয়, যারা প্রতি সপ্তাহে সিটির বিপক্ষে খেলে।”

জেরার্ডের মতে, লম্বা সময় ধরে ধাপে ধাপে শাস্তি দেওয়া উচিত সিটিকে।

“আমার মনে হয়, প্রিমিয়ার লিগে ভবিষ্যতে তাদের শাস্তি দেওয়া উচিত, একটি নির্দিষ্ট সময় ধরে, বহু বছরের শাস্তি। এটাই আমার মতামত। আমি বলছি না যে এটাই সঠিক মতামত, কিন্তু আমি এমনই অনুভব করি।

“আমার মনে হয়, তাদেরকে দলবদলে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া উচিত, একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য পয়েন্ট কাটা উচিত এবং তাদেরও সেইভাবে ভোগানো উচিত যেভাবে তারা গত ৯-১০ বছর ধরে সবাইকে ভুগিয়েছে। এভারটন এবং ফরেস্টের ক্ষেত্রে (নিয়ম লঙ্ঘনের জন্য) কঠোর শাস্তি দেওয়া হয়েছিল। প্রিমিয়ার লিগ কর্তৃপক্ষের জন্য শুভকামনা, কিন্তু তাদেরকে এখানে শক্ত হতে হবে।”

সুদীর্ঘ ক্যারিয়ারে অসাধারণ পারফরম্যান্স দেখালেও কখনও প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা জেতার স্বাদ পাননি জেরার্ড। সিটির শিরোপা কেড়ে নেওয়া হলে তার ক্যারিয়ারে প্রিমিয়ার লিগের ট্রফি যোগ হবে। তবে সেই লোভ তার নেই বলেই দাবি করলেন ৪৬ বছর বয়সী সাবেক মিডফিল্ডার।

“ম্যান সিটির ফুটবলারদের ক্ষেত্রে বিষয়টি আমার জন্য ব্যক্তিগত নয়, কারণ তারা সবাই অসাধারণ খেলোয়াড়, তারা মুহূর্তটাকে উপভোগ করেছে এবং এসব (ট্রফি) তাদের প্রাপ্য। আমি এমন কেউ নই যে এখানে বসে বলব আমি প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা গ্রহণ করব বা তাদের পাওয়া ট্রফি আমি চাই। এতে অনুভূতিটা একই রকম হবে না, ব্যাপারটা আর আগের মতো থাকবে না। আমি বরং এটা মেনে নিয়েছি যে, কখনও প্রিমিয়ার লিগ জিতিনি, এখানে পিছিয়ে ছিলাম।”

তবে আর্থিক অনিয়মের কারণে সিটি যে সুবিধাগুলো পেয়েছে এবং অন্য দলগুলিকে যেভাবে ভুগতে হয়েছে, সেই কারণেই সিটির কঠোর শাস্তি চান বলে জানালেন জেরার্ড।

“সিটির অনেক ফুটবলার, অনেক সিটি ভক্ত, তারকা ভক্তদের বলতে শুনেছি, ‘আপনারা আমাদের কাছ থেকে সেই মুহূর্তগুলো কেড়ে নিতে পারেন না।’ কিন্তু তারা যে স্মৃতিগুলো কেড়ে নিয়েছে, সেগুলোর কি হবে? শুধু আমার এবং আমি যে দলে খেলেছি তাদের কাছ থেকেই নয়, বরং সেই ৯-১০ বছরের সময়কালের স্মৃতিগুলোর কি হবে?

স্পার্সের ভক্ত, ইউনাইটেড ভক্ত, এভারটন ভক্ত পয়েন্ট টেবিলের নিচের দিকের দলগুলো, কাপে খেলা দলগুলো… সিটির সাবেক ফুটবলার, বর্তমান ফুটবলার এবং সিটির কর্ণধার, সিটির সঙ্গে যুক্ত প্রত্যেককে সেই স্মৃতিগুলোর কথা ভাবতে হবে, যা তারা সম্ভবত অন্য সবার কাছ থেকে চুরি করেছে।”

মদ, নাচানাচি ও রাষ্ট্রের নৈতিক পাহারাদারি

‘রাস্তা আছে যেখানে, অটো চলবে সেখানে’

তৌফিক ইমরোজ খালিদী: ডিজিটাল সংবাদপত্রের পথিকৃৎ

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ