মক্কা ও মদিনার বিমানবন্দর ছাড়া সৌদি আরবের সব বিমানবন্দরই সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু বলে সতর্ক করেছে হুতিরা।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস
সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দরে ইয়েমেনি গোষ্ঠী হুতিদের হামলার ঘটনায় তিন দিন ধরে একের পর এক বাতিল হচ্ছে রিয়াদ ও জেদ্দাগামী ফ্লাইট।
শনিবার রাত থেকে সোমবার পর্যন্ত ঢাকা থেকে এ দুই পথে মোট ২৮টি ফ্লাইট বাতিল হওয়ার কথা জানিয়েছে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।
সোমবার বিকালে এক বার্তায় জানানো হয়, এ পর্যন্ত মোট ২৮টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। তাতে ৪ হাজার ৮৫১ জন যাত্রী ঢাকায় আটকা পড়েছেন।
এর মধ্যে বিমানের চারটি, ইউএস-বাংলার দুটি, রিয়াদ এয়ারের তিনটি, সৌদিয়ার তিনটি এবং ইন্ডিগো এয়ারলাইনসের ১৬টি ফ্লাইট (ট্রানজিট) রয়েছে।
গত শনিবার রিয়াদে বাদশা খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ৩ নম্বর টার্মিনালের ওপর একটি ক্ষেপণাস্ত্র বিস্ফোরণ হয়। এতে দুই বাংলাদেশিসহ ১৩ জন নিহত হন, আহত হন ৩০৮ জন।
নিহত অন্যদের মধ্যে সৌদি আরবের চারজন এবং ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, জর্ডান, ফিলিস্তিন, সিরিয়া, সুদান ও মিশরের একজন করে নাগরিক রয়েছেন।
এ ঘটনার রেশ না কাটতেই রোববার ফের বাদশা খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে নিশানা করে হুতিরা। তাতে এক প্রবাসী পাকিস্তানি নিহত হওয়ার পাশাপাশি ১১ ব্যক্তি আহত হয়েছেন।
হুতিরা জানিয়েছে, তারা ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের পাশাপাশি ড্রোন ব্যবহার করে বিমানবন্দরটিকে নিশানা করেছে।
গোষ্ঠীটির সামরিক মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াহিয়া সারি বলেন, পূর্ব সৌদি আরবের তেল স্থাপনা ও দাম্মাম বিমানবন্দরেও হামলা চালানো হয়েছে।
পবিত্র নগরী মক্কা ও মদিনার বিমানবন্দর ছাড়া সৌদি আরবের সব বিমানবন্দরই সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু বলে সতর্ক করেছেন ইয়াহিয়া সারি।
২০২২ সালে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় হুতি বিদ্রোহী ও সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের সমর্থনপুষ্ট ইয়েমেন সরকারের মধ্যে অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছিল। দুই দফা মেয়াদ বাড়ানোর পর ওই বছরের ২ অক্টোবর যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হয়।
মদ, নাচানাচি ও রাষ্ট্রের নৈতিক পাহারাদারি
‘রাস্তা আছে যেখানে, অটো চলবে সেখানে’
তৌফিক ইমরোজ খালিদী: ডিজিটাল সংবাদপত্রের পথিকৃৎ