1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪৫ অপরাহ্ন

৬ বছর পর পাগলা মসজিদের স্বর্ণ-রুপা গণনা ও নিলাম প্রক্রিয়া শুরু

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৯ Time View

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানসিন্দুকে দান হিসেবে পাওয়া স্বর্ণ ও রুপার তৈরি অলঙ্কারের ওজন নির্ধারণ, বৈদেশিক মুদ্রা গণনা এবং নিলামে বিক্রির কার্যক্রম দীর্ঘ ছয় বছর পর আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে।

সোমবার (১২ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে ৯টি মাঝারি আকারের কনটেইনার ও ৬টি সিলগালা করা খাম খুলে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।

এর আগে জেলা প্রশাসনের ট্রেজারিখানা থেকে এসব অলঙ্কার ও মুদ্রা কড়া পুলিশ পাহারায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে নিয়ে আসা হয়। পাগলা মসজিদে আসা দর্শনার্থীরা নগদ টাকার পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ সোনা ও রুপার গহনা এবং বৈদেশিক মুদ্রা অনুদান হিসেবে দিয়ে থাকেন।

জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিনের নেতৃত্বে পরিচালিত এই কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ খান সোহেল, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. এরশাদুল আলম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ইশতিয়াক ইমন, পৌর প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক জেবুন নাহার শাম্মী এবং সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার কামরুল হাসান মারুফ।

স্বর্ণ, রুপা ও বৈদেশিক মুদ্রা গণনা এবং ওজন নির্ধারণের এই পুরো কার্যক্রমে কঠোর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সার্বিক নিরাপত্তায় ৩ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ১০ জন পুলিশ সদস্য এবং ৬ জন এসআরবি সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ৬ জন কর্মচারী, মসজিদ কর্মী, জুয়েলারি সমিতির ১০ জন স্বর্ণকার এবং রূপালী ব্যাংকের কর্মকর্তারা এই কাজে সরাসরি সহযোগিতা করছেন।

জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন বলেন, অলঙ্কারগুলোর সঠিক ওজন ও বাজারমূল্য নির্ধারণের পর জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে প্রকাশ্য নিলামে বিক্রি করা হবে। অন্যদিকে প্রাপ্ত বৈদেশিক মুদ্রাগুলোকে দেশভিত্তিক আলাদা করে বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ বিনিময় হার অনুযায়ী নগদায়ন করা হবে।

জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন আরও বলেন, প্রতিবার দানবাক্স খোলার পর প্রাপ্ত নগদ টাকা সরাসরি রূপালী ব্যাংকে জমা করা হয় এবং স্বর্ণ-রুপার অলঙ্কারগুলো সিলগালা করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ট্রেজারিতে নিরাপদে সংরক্ষণ করা হয়।

এর আগে সর্বশেষ ২০২০ সালের ১১ মার্চ পাগলা মসজিদের দানসিন্দুকে পাওয়া ৪২০ ভরি স্বর্ণ ও ১৮৮ ভরি রুপা প্রকাশ্য নিলামে ১ কোটি ১১ লাখ ১০ হাজার ১২০ টাকায় বিক্রি করা হয়েছিল। একই সঙ্গে পাওয়া বৈদেশিক মুদ্রা বিক্রি করে ৭০ লাখ টাকা আয় হয়। ওই সময় পাওয়া অলঙ্কারগুলো ছিল প্রায় তিন বছরের জমানো।

২০২০ সালের মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত মোট ১৮ বার মসজিদের দানবাক্স খোলা হয়েছে, যার মধ্যে সর্বশেষ গত ২৭ জুন দানবাক্স খোলা হয়। বর্তমানে পাগলা মসজিদের ব্যাংকে জমা থাকা তহবিলের পরিমাণ ১৩১ কোটি ৮৫ লাখ ৪৪ হাজার ৮১০ টাকা। এছাড়া মসজিদের নিজস্ব ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে এ পর্যন্ত অনুদান সংগৃহীত হয়েছে ৩৯ লাখ ৩২ হাজার ৯০৬ টাকা।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ