বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে রাজশাহী মহানগরীর ৮৫টি পূজামণ্ডপে মোট ১৭ লাখ টাকা অনুদান দিয়েছে রাজশাহী সিটি করপোরেশন।
প্রতিটি মণ্ডপকে ২০ হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়া হয়েছে।
রোববার বেলা সাড়ে ১১টায় নগর ভবনের সিটি হল সভাকক্ষে দুর্গাপূজা উদ্যাপন উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বী নেতৃবৃন্দ, মহানগর পূজা উদ্যাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন পূজামণ্ডপের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেন রাসিক প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন।
সভা শেষে মণ্ডপগুলোর প্রতিনিধিদের হাতে অনুদানের চেক তুলে দেন রাসিক প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন।
পরে এক সভায় মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, “শারদীয় দুর্গাপূজা সুষ্ঠু, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উদযাপন নিশ্চিত করাই সবার লক্ষ্য। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুর্গাপূজা উপলক্ষে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন।
“সে অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সংস্থাগুলো উদ্যোগ নিয়েছে। রাসিকের পক্ষ থেকেও পূজা উদযাপনে সার্বিক সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, “রাজশাহীকে গ্রিন ও ক্লিন সিটির পাশাপাশি সম্মিলিত প্রচেষ্টায় মাদকমুক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত ও নিরাপদ নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চান তাঁরা। এ লক্ষ্য অর্জনে নগরবাসীসহ সবার আন্তরিক সহযোগিতা প্রয়োজন।”
মতবিনিময় সভায় পূজামণ্ডপের নেতৃবৃন্দরা ওয়াইফাই সংযোগের দাবি জানান। তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিটি মণ্ডপে ওয়াইফাই সংযোগ দেওয়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন প্রশাসক।
সভায় বক্তব্য দেন রাজশাহী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক নজরুল ইসলাম ও রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার ফারুক হোসেন। সভা সঞ্চালনা করেন রাসিকের সচিব সোহেল রানা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন রাসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল করিম, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা শেখ মো. মামুন, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী খায়রুল বাকের, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. এফএএম আঞ্জুমান আরা বেগম, বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের রাজশাহী মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক অশোক কুমার সাহা, আরডিএর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন এবং এসআরবি-৫-এর সহকারী পুলিশ সুপার মো. আশরাফসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
সভায় দুর্গাপূজার নিরাপত্তা ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর মধ্যে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ ও আনসার সদস্য মোতায়েন, প্রতিটি মণ্ডপে স্বেচ্ছাসেবক দল গঠন, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং মণ্ডপ ও বিসর্জনঘাটে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা। এ ছাড়া আশপাশের সড়ক মেরামত ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা এবং প্রতিটি মণ্ডপে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়।
অগ্নিকাণ্ড প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা রাখা, বিসর্জনঘাটে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও সরঞ্জাম মোতায়েন এবং যানজট নিয়ন্ত্রণে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা জোরদার করার বিষয়েও আলোচনা হয়। বিসর্জন নির্বিঘ্ন করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্তও হয়।
তাজমিন হত্যা: ভিকটিম ব্লেমিং বন্ধ করে হত্যাকারীর বিচার চান
‘তৌফিক ইমরোজ খালিদীর আত্মকথা’ লিখতে চেয়েছিলাম
তৌফিক ইমরোজ খালিদী ও মুক্ত সংবাদমাধ্যমের অসমাপ্ত লড়াই
কেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ওরফে ‘রঠা’কে নিষিদ্ধ করা জরুরি?