1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
মেসির বিদায়ী পোস্টের কমেন্টে যা লিখলেন রোনালদো মাগুরায় কুমড়ো ফুল বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন গৃহিণীরা দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের বাধা দূর করতে আলোচনায় বসছে ঢাকা-দিল্লি গোপালগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণা রংপুর সিটির উন্নয়নে ১ হাজার ৮১৩ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন ‘মব’ করে রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিকে পদত্যাগে বাধ্য করার ঘটনায় আরও ২ গ্রেপ্তার ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের সেরা দশে উন্নতি কেবল পর্তুগালেরই আন্তর্জাতিক বিরতি: মেসির বিদায়, রোনালদোর নির্বাসন থেকে বাংলাদেশের দুর্দশা বাংলাদেশের অটোমোবাইল শিল্পে দীর্ঘমেয়াদি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করল টয়োটা ৬ ব্যাংকের চাকরিজীবীদের জন্য বড় সুখবর

মাগুরায় কুমড়ো ফুল বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন গৃহিণীরা

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১৯ Time View

জীবিকার তাগিদে বাড়ির আঙিনায় লাগানো কুমড়ো গাছ থেকে ফুল ছিঁড়ে বিক্রি করেন জাহেদা বেগম। এতে তার পাঁচ থেকে ছয় শ টাকা আয় হয়। একদিন পর একদিন তিনি এই ফুল বিক্রি করে থাকেন। জাহেদা বেগম ছাড়াও এলাকার অনেকেই কুমড়ো ফুল বিক্রি করে থাকেন।

মাগুরা সরকারি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের সামনে কুমড়ো ফুল বিক্রি করেন জাহেদা বেগম। ক্রেতাদের আগ্রহও চোখে পড়ার মতো। এখানে গ্রামের নানা বয়সি মানুষ সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কুমড়োর ফুল বিক্রি করেন।

কুমড়ো ফুল দেখতে উজ্জ্বল হলুদ রঙের। এটি বিভিন্নভাবে খাওয়া যায়। ভেজে, সেদ্ধ করে বা বেসন দিয়ে বড়া তৈরি করে খাওয়া হয়। এই কুমড়ো ফুল পুষ্টিগুণে ভরপুর। এতে ক্যালোরি ও ফ্যাট কম কিন্তু ভিটামিন ও ফাইবার বেশি। যা হজমে সাহায্য করে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। ত্বক উজ্জ্বল রাখতে সাহায্য করে। কুমড়ো লতায় পুরুষ ও স্ত্রী দুই ধরনের ফুল ফোটে। শুধু স্ত্রী ফুল থেকে ফল ধরে। তাই পুরুষ ফুল সংগ্রহ করে বিক্রি করা হয়।

গৃহিণীরা জানান, কুমড়ো ফুলের বড়া বেসনে ডুবিয়ে ভেজে মচমচে করে খাওয়া হয়। কুমড়োর ফুল বেঁটে বড়া তৈরি করেও খাওয়া যায়। এছাড়া এটি সেদ্ধ করে বা বেটে বিভিন্ন রান্নায় ব্যবহার করা হয়।

কুমড়ো ফুল বিক্রেতা জাহেদা বেগম বলেন, পেটের তাগিদে আঙিনায় লাগানো কুমড়ো গাছ থেকে ফুল ছিঁড়ে এনে বিক্রি করি। এ মৌসুমে কুমড়ো ফুল এবং কুমড়ো থেকে অর্থ উপার্জন করে জীবিকা নির্বাহ করে থাকি। কুমড়ো গাছের পুরুষ ফুল বেছে বেছে সরকারি কলেজ রোডের পাশে বসে বিক্রি করি।

আরেক বিক্রেতা রাশেদ মোল্লা বলেন, অন্যান্য সবজির পাশাপাশি আমি কুমড়োর ফুল বিক্রি করি। এতে বাড়তি ইনকাম হয়। কুমড়োর মৌসুমটা আমাদের জন্য বাড়তি ইনকামের একটা সময়।

কুমড়ো ফুলের ক্রেতা শাফয়েত জামিল বলেন, আমার ছেলে-মেয়ে কুমড়ো ফুলের চপ ও বড়া খেতে খুবই পছন্দ করে। গ্রামে বাড়ির পাশে উৎপাদন করতাম। শহরে থাকায় কুমড়ো ফুল বাজার অথবা শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থান থেকে কিনতে হয়। বর্তমানে ফুলের চাহিদা বাড়ায় অনেক কৃষক বাণিজ্যিকভাবে চাষ করছেন। তারা দারুণভাবে সফলতা পাচ্ছেন। আমার জানা মতে, তারা কুমড়ো ফুল বিক্রি করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন।

গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. অনন্যা শাঁখারী জানান, কুমড়ো ফুলের পুষ্টিগুণ এবং স্বাস্থ্য উপকারিতা আছে। ভিটামিন সি থাকায় এটি রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। উচ্চ ফাইবারের কারণে হজম প্রক্রিয়া উন্নত করে। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে। ক্যালোরি ও ফ্যাট কম থাকায় এটি স্বাস্থ্যকর খাবার। এই ফুল খেলে ত্বক উজ্জ্বল থাকে। নারীদের জন্য খাবারটি দারুণ কার্যকরী।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ