‘এমনকি শেষ মুহূর্তে যদি পেনাল্টি হয় এবং মেসি তা নেন, সেটি ঠেকানোর চেষ্টা করব’, দৃঢ় কণ্ঠে বললেন মার্সেল দাঞ্জিনু।
আর্জেন্টিনার জার্সিতে নিজের শেষ ম্যাচ খেলার অপেক্ষায় লিওনেল মেসি। ছবি: আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস
আন্তর্জাতিক ফুটবলে লিওনেল মেসির বিদায়ী ম্যাচ নিয়ে দারুণ রোমাঞ্চিত প্রতিপক্ষ বেনিনের গোলরক্ষক মার্সেল দাঞ্জিনু। এই মহাতারকার বিপক্ষে খেলবেন, কখনও কল্পনাও করতে পারেননি তিনি। একই সঙ্গে তার স্পষ্ট উচ্চারণ- মাঠের লড়াইয়ে আর্জেন্টিনা ও মেসিকে একবিন্দুও ছাড় দেবেন না তারা।
বুয়েনস আইরেসের মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় বুধবার ভোর পাঁচটায় শুরু হবে ম্যাচটি। মেসি তার দেশের মাঠে সমর্থকদের সামনে বিদায় জানাবেন এবং দেশের জার্সিতে বর্ণাঢ্য ও গৌরবময় যাত্রার ইতি টানবেন।
দক্ষিণ আফ্রিকার প্রিমিয়ার লিগে ক্রুগার ইউনাইটেডের হয়ে খেলা ২৮ বছর বয়সি দাঞ্জিনুর জন্যও ম্যাচটি সাধারণ কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচের চেয়ে অনেক বেশি কিছু।
“এটি অন্য যেকোনো ম্যাচের মতো নয়। আমার মনে হয় এমন ঘটনা ক্যারিয়ারে একবারই ঘটে, কারণ এটি মেসির শেষ ম্যাচ। এটি স্পেশাল ম্যাচ। তবে মনে রাখবেন, আমরা এখানে আর্জেন্টিনা ও মেসির জন্য এসেছি ঠিকই, কিন্তু আমাদের এটাও ভুলে গেলে চলবে না যে, আমরা আমাদের দেশের প্রতিনিধিত্ব করছি। আমরা এখানে বেনিনের হয়ে লড়তে এসেছি।”
এবারের আন্তর্জাতিক বিরতিতে মেসিকে ছাড়াই প্রথম দুই ম্যাচে বলিভিয়াকে ৪-০ ও বুর্কিনা ফাসোকে ৭-০ গোলে উড়িয়ে দেয় আর্জেন্টিনা। শক্তি ও সামর্থ্যে এবারের প্রতিপক্ষের চেয়েও অনেক এগিয়ে থেকে মাঠে নামবে তিনবারের বিশ্বকাপ জয়ীরা।
দাঞ্জিনু বললেন, পার্থক্য যতই থাকুক, আর্জেন্টিনাকে নিয়ে মোটেও ভীত নন তারা।
“ফুটবল মানেই ১১ জনের বিপক্ষে ১১ জনের লড়াই। আমরা জিততে পারি, ড্র করতে পারি, কিংবা তারাও জিততে পারে- ফুটবল এমনই। আমরা আর্জেন্টিনায় পর্যটক হিসেবে আসিনি, এখানে এসেছি খেলতে ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে। আমাদের জীবনের জন্য এটি দারুণ একটি দিন হতে যাচ্ছে।”
রেকর্ড আটবারের ব্যালন দ’র জয়ী মেসিকে প্রশংসায় ভাসালেন বেনিন গোলরক্ষক।
“আমার কাছে তিনি ফুটবলের রাজাদের একজন। আমরা তার খেলা দেখেই বড় হয়েছি। তিনি আমাদের প্রিয় খেলোয়াড়দের একজন। এখন একই মাঠে তার বিপক্ষে খেলতে পারাটা অবিশ্বাস্য। আমি কখনও ভাবিনি এমনটা হতে পারে, কিন্তু সেটাই হতে যাচ্ছে। আমার কাছে লিও একজন কিংবদন্তি, সত্যিকারের কিংবদন্তি।”
বিদায়ের উপলক্ষ রাঙাতে ম্যাচের শেষ মুহূর্তে মেসি পেনাল্টি নিলে গোল হজম করবেন কি না, এমন প্রশ্নে দাঞ্জিনু দৃঢ় ও স্পষ্ট করে বলেন, “না, না। আমি একজন গোলরক্ষক এবং আমার কাজ হলো গোল ঠেকানো।
“এমনকি শেষ মুহূর্তে যদি পেনাল্টি হয় এবং মেসি তা নেন, সেটি ঠেকানোর চেষ্টা করব আমি। বিষয়টি খুবই সহজ: এটাই ফুটবল। হ্যাঁ, আমরা এখানে মেসির বিদায় উদযাপন করতে এসেছি, কিন্তু কেউ তো আমাদের বলেনি যে তাকে গোল উপহার দিতে হবে। আর মেসিকে সবাই যেমন জানে, তাকে কোনো কিছু উপহার দেওয়ার প্রয়োজন হয় না। তিনি যদি গোল করতে চান, তাহলে সেটি পাওয়ার জন্য তাকে নিজের সর্বোচ্চ চেষ্টাই করতে হবে।”
তৌফিক ইমরোজ খালিদী: আমাদের কালের কাঙাল হরিনাথ
তৌফিক ইমরোজ খালিদী: কঠোর সম্পাদকের আড়ালে স্নেহশীল অভিভাবক
তৌফিক ইমরোজ খালিদী: এই ‘যাওয়া তো নয় যাওয়া’
তৌফিক ইমরোজ খালিদী: শিল্পানুরাগী এক অনন্য আতিথেয়তার মানুষ