রাজনীতি ও নির্বাচনে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে নির্বাচনি ব্যয় কমানো, রাষ্ট্রীয় অর্থায়ন ও নিরাপদ রাজনৈতিক পরিবেশ নিশ্চিতের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আবুল ফজল মুহম্মদ সানাউল্লাহ।
রবিবার রাজধানীর একটি হোটেলে বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন-২০২৬-এর দ্বিতীয় দিনের কর্মঅধিবেশনে এক সেশনে তিনি এ বিষয়ে জোর দেন।
আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, সর্বশেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৯৯১ সালের পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চসংখ্যক নারী প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও তাদের জয়লাভের হার ছিল তুলনামূলক কম। অর্থনৈতিক সক্ষমতা ও সম্পদে প্রবেশাধিকারের সীমাবদ্ধতা নারী প্রার্থীদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।
তিনি বলেন, জাতীয় সংসদে নারীদের প্রতিনিধিত্ব বর্তমানে ১৬-১৭ শতাংশ, যা আঞ্চলিক গড়ের চেয়ে কিছুটা বেশি। একইসঙ্গে নারী ভোটারদের অংশগ্রহণও সন্তোষজনক এবং সামাজিক ও ধর্মীয় বাধা আগের তুলনায় কমেছে।
তিনি বলেন, নারীদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ শুধু নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। ভোট দেওয়া, নির্বাচন পর্যবেক্ষণ, নির্বাচনি কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন, রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব, নাগরিক সমাজ ও তৃণমূল সংগঠনে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমেও নারীদের ভূমিকা বাড়াতে হবে।
এই নির্বাচন কমিশনার আরও বলেন, নারী প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্বাচনী আচরণবিধিতে সহিংসতা ও সাইবার বুলিং প্রতিরোধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।