বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস
রাজশাহীতে ‘সর্বহারা’ পরিচয়ে ফোন করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষকসহ কয়েকজন শিক্ষক, চিকিৎসক ও প্রকৌশলীকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় নিরাপত্তা চেয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের শিক্ষক শাহরিয়ার হোসেন।
গত ৬ সেপ্টেম্বর রাজশাহীর মতিহার থানায় তিনি এ জিডি করেন। সোমবার সাংবাদিকদের কাছে এ ঘটনার কথা জানান তিনি।
এ বিষয়ে মতিহার থানার ওসি মো. আরজুন বলেন, “আমরা অভিযোগটি পেয়েছি। বিষয়টি এখনও তদন্তনাধীন। আশা করছি, দ্রুতই সমস্যাটির সমাধান হবে।”
ভুক্তভোগী শিক্ষক শাহরিয়ার হোসেন বলেন, “আমার কাছে পরপর দুইবার ফোন আসে। প্রথমবার আমি ব্যস্ত থাকায় কথা বলতে পারিনি। প্রায় দুই ঘণ্টা পর তারা আবার ফোন দেয়। তখন তাদের সঙ্গে দীর্ঘ সময় কথা হয়। এক পর্যায়ে কারাগারে থাকা কর্মীদের জামিনের খরচের কথা বলে তারা আমার কাছে টাকা দাবি করে।”
“পরে নিরাপত্তার জন্য আমি মতিহার থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করি। একই সঙ্গে বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে প্রক্টরকে জানাই। পরে পুলিশের মাধ্যমে নম্বরটি ট্র্যাক করে জানতে পারি, কলটি মাদারীপুর থেকে করা হয়েছে। যে নম্বর থেকে ফোন করা হয়, সেটি মুফতি রেজাউল করিম নামে এক ব্যক্তির পরিচয়ে নিবন্ধিত।”
এ শিক্ষক বলছেন, হুমকি পাওয়াদের মধ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক আব্দুল্লাহ আল মামুন, গণিত বিভাগের গৌর চন্দ্র পাল, সমাজকর্ম বিভাগের জান্নাতুল ফেরদৌস, বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব শাখার কম্পিউটার অপারেশন ম্যানেজার গৌতম লাহিড়ী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল অ্যান্ড কলেজের সহকারী অধ্যাপক আশুতোষ ব্যানার্জি এবং রাজশাহীর এক ইঞ্জিনিয়ার ও চিকিৎসক আবুল হাসানের নাম পাওয়া গেছে।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, “আমাকে ফোন করে সর্বহারার পরিচয় দেওয়া হলে আমি বেশি কথা না বাড়িয়ে ফোন কেটে দেই। পরবর্তীতে জানতে পারি এমন কল আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের আরো অনেক শিক্ষকের কাছেই এসেছে।”
সংবিধান সংশোধনে দুই-তৃতীয়াংশের ফাঁদ: ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি নাকি জনস্বার্থ?
‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ নিয়ে বিতর্ক চলতে পারে, কিন্তু তালা ঝুলানো নয়
ডলারের অঙ্ক বাড়ে, শ্রমিকের হিসাব মেলে না