ছয়টি কনফেডারেশনের প্রধানদের কাছে পাঠানো জিয়ান্নি ইনফান্তিনো জানিয়েছেন যে, প্রতিটি দেশকে কত টাকা দেওয়া হবে, তা ফিফা কাউন্সিলে আগামী ১৫ অক্টোবরের বৈঠকের আলোচ্যসূচিতে থাকবে।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস
সদস্য সংস্থাগুলোকে লাল লাখ মার্কিন ডলার বিতরণের বিষয়ে আলোচনা করতে ইচ্ছুক ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। ‘দা অ্যাথলেটিক’ এবং ‘ইএসপিএন’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ছয়টি কনফেডারেশনের প্রধানদের কাছে পাঠানো চিঠিতে ফিফা প্রধান জানিয়েছেন যে, প্রতিটি দেশকে কত টাকা দেওয়া হবে, তা ফিফা কাউন্সিলে আগামী ১৫ অক্টোবরের বৈঠকের আলোচ্যসূচিতে থাকবে।
‘দা অ্যাথলেটিক’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইনফান্তিনো লিখেছেন, যথাযথ প্রক্রিয়া মেনে এই তহবিল দেওয়া হবে।
“টাকার পরিমাণ নিয়ে আগে থেকে কোনো মন্তব্য করব না। সর্বোচ্চ পরিমাণ অতিরিক্ত তহবিলকে সমর্থন করব আমি, যা ফিফার যথাযথ প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দায়িত্বের সঙ্গে প্রদান করা সম্ভব, ন্যায্যভাবে প্রয়োগ করা হবে এবং স্বচ্ছ ও নিরীক্ষণযোগ্য ব্যবস্থার দ্বারা সমর্থিত হবে। এই উচ্চাকাঙ্ক্ষা প্রশংসার যোগ্য। এখন আর্থিক প্রমাণ, প্রশাসনিক ব্যবস্থা এবং বাস্তবায়নকে অবশ্যই একে সমর্থন করতে হবে।
একটি একক অঙ্ক আলোচনার সূচনা করতে পারে, কিন্তু তা একটি বৈশ্বিক নীতিকে সম্পূর্ণ করতে পারে না। তাই আমি সমস্ত প্রস্তাবনা একত্রিত করে একটি সমন্বিত মূল্যায়ন তৈরি করতে মহাসচিবকে নির্দেশ দিয়েছি আমি, যা ফিফা কাউন্সিলের বিবেচনার জন্য পেশ করা হবে।”
ইনফান্তিনো যে ধরনের অর্থ প্রদানের কথা বলেছেন, সম্প্রতি ফিফাকে চিঠি লিখে সোমবার সেরকম অর্থ প্রদানের দাবি জানিয়েছেন উয়েফা সভাপতি আলেকসান্দের চেফেরিন এবং কনক্যাকাফের ভিক্টর মন্টাগ্লিয়ানি। দা অ্যাথলেটিকের তথ্য অনুযায়ী, এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের প্রধান শেখ সালমান বিন ইব্রাহিম আল খলিফাও একই ধরনের অনুরোধ করেছেন।
বিশ্বকাপ এবং অন্যান্য ফিফা টুর্নামেন্টের বাণিজ্যিক ও পরিচালনগত দিকগুলোর জন্য প্রস্তাবিত নতুন সংস্থা, ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ (এফএফই)-এর প্রায় ২০ শতাংশ শেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনার জের ধরে ইনফান্তিনোকে পদত্যাগের আহ্বান জানানোর প্রেক্ষাপটে উয়েফা, কনক্যাকাফ এবং এএফসি এই আর্থিক আলোচনাটি সামনে এসেছে।
এফএফই-এর বিনিয়োগকারীদের মধ্যে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারের ভাই জোশুয়া কুশনারও ছিলেন। ট্রাম্প ইনফান্তিনোর একজন ঘনিষ্ঠ মিত্র।
ইনফান্তিনো পরবর্তীতে এই পরিকল্পনা বাতিল করেন। কিন্তু তার ওপর প্রবল চাপ চলছে সেই সময় থেকেই। তিনি যদিও পদত্যাগ করতে অস্বীকার করেছেন এবং মার্চ মাসে পুনর্নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার পরিকল্পনা করছেন। প্রার্থীদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দেওয়ার জন্য সাত সপ্তাহ বাকি আছে। ইনফান্তিনোর কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী এখনও প্রকাশ্যে দেখা যায়নি।
ইনফান্তিনোর এফএফই পরিকল্পনাটি যদি বাস্তবায়িত হতো, তাহলে প্রতিটি সদস্য রাষ্ট্র অন্তত ২ কোটি ডলার পেত। ইএসপিএন-এর তথ্যমতে, উয়েফা এবং কনক্যাকাফের চিঠিতে প্রতিটি সদস্য সংস্থাকে ফিফার রিজার্ভ থেকে ন্যূনতম ১ কোটি ডলার দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
ডলারের অঙ্ক বাড়ে, শ্রমিকের হিসাব মেলে না
মদিনার মিষ্টান্ন, শ্রী ঘোষের দধি: সম্প্রীতির যে রেখা চোখে পড়ে না
ডিজিটাল কলোনিয়ালিজম: আত্মপরিচয়ের সংকট ও লিঙ্গভিত্তিক সংঘাত
রাড্ডাকাণ্ড: আট মাস না পেরোতেই বড় প্রশ্নের মুখে বিএনপি