গত ২১ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। সরকারপ্রধান হিসেবে এটি ছিল জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে তাঁর প্রথম অংশগ্রহণ। সফরে তিনি সাধারণ বিতর্কে বাংলাদেশের পক্ষে বক্তব্য দেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
সফরের গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার মধ্যে ছিল জলবায়ু পরিবর্তন, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, রোহিঙ্গা সংকট এবং মাতৃ ও নবজাতকের স্বাস্থ্যসেবা। জলবায়ু ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা নিয়ে আয়োজিত বৈঠকে বাংলাদেশের মতো জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশের অবস্থান তুলে ধরেন তিনি। পাশাপাশি রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব দেন।
জাতিসংঘ অধিবেশনের ফাঁকে বিভিন্ন দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধান এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেন তারেক রহমান। এসব আলোচনায় দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, উন্নয়ন সহযোগিতা, জলবায়ু এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় উঠে আসে।
সফরের শেষ দিনেও ব্যস্ত কর্মসূচি ছিল প্রধানমন্ত্রীর। ম্যানহাটনে জেপি মরগ্যানের আয়োজনে ওয়াল স্ট্রিটের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রাতরাশ বৈঠকে বাংলাদেশের ব্যবসা ও বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন তিনি। পরে যুক্তরাষ্ট্রে বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গেও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনে সংবাদ সম্মেলন করে প্রধানমন্ত্রীর সফরের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।
নিউইয়র্ক থেকে রওনা হয়ে দুবাই হয়ে ঢাকায় ফিরবেন প্রধানমন্ত্রী। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, ২৭ সেপ্টেম্বর সকালে তাঁর ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।