তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, মানুষকে দীর্ঘ সংগ্রাম ও ত্যাগের পর ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই ভোটের অধিকার বানচাল করা এবং বাংলাদেশের গণতন্ত্র নস্যাৎ করার লক্ষ্যে পালিয়ে যাওয়া শেখ হাসিনা নতুন করে চক্রান্ত করছেন। কিন্তু দুটো বাসে আগুন দিয়ে কিংবা অরাজকতা তৈরি করে জনগণকে ভয় দেখানো যাবে না। কোনো অবস্থাতেই বাংলাদেশকে আর অস্থিতিশীল করতে দেওয়া হবে না।
বুধবার দুপুরে কিশোরগঞ্জে পরিকল্পিত সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টার প্রতিবাদে জেলা বিএনপি আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল শেষে এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী পালিয়ে যাওয়া স্বৈরাচারী শাসকগোষ্ঠীকে হুঁশিয়ার করে বলেন, দুটি বাস পুড়িয়ে কিংবা একটা চক্কর দিয়ে জনগণকে ভয় দেখাতে পারবেন না। আপনাদের সতর্ক করে দিতে চাই—জাতীয়তাবাদী দলের সৈনিকেরা সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে আপনাদের যেভাবে দেশ থেকে বিতাড়িত করেছে, এখানে যাদের দু-একজন সহযোগী অবশিষ্ট আছে, প্রয়োজনে তাদেরও দেশছাড়া করা হবে।
তিনি আরো বলেন, আমরা সকল চক্রান্ত মোকাবিলা করে সেই ফ্যাসিবাদের শক্ত ভিত্তি ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছি। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের পরিবার আজ সমগ্র বাংলাদেশে ঐক্যবদ্ধ। সাধারণ জনগণকে সাথে নিয়ে এই দল গণতন্ত্র, ভোটাধিকার এবং দেশের উন্নয়ন অভিযাত্রা অব্যাহত রাখবে।
এর আগে শহরের রথখলা এলাকাভুক্ত বিএনপি কার্যালয় থেকে একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে সৈয়দ নজরুল ইসলাম চত্বরে এসে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে রূপ নেয়।
কর্মসূচিতে কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. জালাল উদ্দীন, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাজী ইসরাইল মিয়া, জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল আলম, জেলা যুবদলের সভাপতি খসরুজ্জামান শরীফ, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মাসুদ সুমন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব শহীদুল্লাহ কায়সার শহীদ, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শরীফুল ইসলাম নিশাদ ও সাধারণ সম্পাদক রাফিউল ইসলাম নওশাদসহ বিএনপি এবং এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।