এ ছাড়া সিল জালিয়াতির দায়ে আরও তিন শিক্ষার্থীকে এক বছরের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে র্যাগিংয়ের দায়ে ৯৬ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে বহিষ্কার ও আবাসিকতা বাতিলসহ বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি দিয়েছে প্রশাসন। এ ছাড়া সিল জালিয়াতির দায়ে আরও তিনজনকে এক বছরের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।
বুধবার বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন।
উপাচার্য বলেন, মঙ্গলবার ৫৪৯তম সিন্ডিকেট সভায় শৃঙ্খলা অভিযোগগুলো প্রমাণসহ উপস্থাপন করে উপকমিটি। পরে সিন্ডিকেট উন্মুক্তভাবে পর্যালোচনা করে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি দিয়েছে।
শাস্তি পাওয়াদের মধ্যে র্যাগিংয়ের দায়ে ১৪ জন এবং সিনিয়রের ওপর হামলার দায়ে একজনসহ মোট ১৫ শিক্ষার্থীকে এক বছরের জন্য বহিষ্কার করা হয়। এ ছাড়া দুই শিক্ষার্থীর আবাসিকতা বাতিল এবং ৭৯ শিক্ষার্থীকে কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়েছে।
এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগে বিভাগীয় সভাপতির সিল, স্বাক্ষর এবং অফিসিয়াল প্যাড জালিয়াতির দায়ে আরও তিন শিক্ষার্থীকে এক বছরের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।
ছাত্রত্ব স্থগিত ১৫ জন, আবাসিকতা বাতিল দুইজন এবং সিল জালয়াতির অভিযোগে সাজা পাওয়া তিনজনসহ ২০ শিক্ষার্থী ভবিষ্যতে আবাসিকতা পাবেন না বলেও সিদ্ধান্ত হয়।
উপাচার্য বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ে র্যাগিং বিষয়টির মাত্রা দিন দিন বাড়ছে। তাই আমরা এ বিষয়ে খুব কঠোর অবস্থানে আছি। আমরা কাউকে চিরতরে ছাত্রত্ব বাতিল করিনি। সর্বোচ্চ এক বছরের জন্য শাস্তি দেওয়া হবে। কেউ যদি আবাসিক শিক্ষার্থী হয়ে থাকে, তার আবাসিকতাও বাতিল করা হবে।
“একইসঙ্গে তার বাবা-মাকে বিষয়টি জানানো হবে। যাদের সতর্ক করা হয়েছে, তাদের সর্বোচ্চ সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। এরপরও যদি কোনোভাবে বোঝা যায় যে তারা এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
র্যাগিংয়ের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসক ‘জিরো টলারেন্স’ অবস্থান নিয়েছে বলে জানিয়েছেন অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম।
শাহরিয়ার কবির: রাজনৈতিক পরিচয়ের ফৌজদারি পুনর্লিখন
আইফোন, ভোগবাদ ও সামাজিক অবক্ষয়: অপ্রতিমের হত্যাকারী কে?
রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিষ্ঠান হয়ে ওঠার ব্যর্থতা
জার্মান রাজনীতিতে অতিডান ও অতিবামের উত্থান: ইউরোপের জন্য কি সতর্কবার্তা?