অস্ট্রেলিয়া সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ চিত্র উঠে এসেছে।
ইউনিভার্সিটি অব নিউ সাউথ ওয়েলস (ইউএনএসডব্লিউ), সিডনি
সিডনি থেকে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস
অস্ট্রেলিয়ার শিক্ষাখাতে শীর্ষ আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী সরবরাহকারী দেশগুলোর তালিকায় সেরা পাঁচে উঠে এসেছে বাংলাদেশ। দেশটিতে অধ্যয়নরত মোট বিদেশি শিক্ষার্থীর ৪ শতাংশই বাংলাদেশি।
অস্ট্রেলিয়া সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রকাশিত ‘ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট মান্থলি সামারি’ প্রতিবেদনে এ চিত্র উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনে জানানো হয়, ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থানরত মোট আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর ৫৭ শতাংশই এসেছে মাত্র পাঁচটি দেশ থেকে। তালিকায় ২৩ শতাংশ শিক্ষার্থী নিয়ে শীর্ষে রয়েছে চীন। ১৬ শতাংশ নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে ভারত এবং ৯ শতাংশ নিয়ে তৃতীয় স্থানে নেপাল। চতুর্থ স্থানে থাকা ভিয়েতনামের অবদান ৫ শতাংশ এবং ৪ শতাংশ শিক্ষার্থী নিয়ে পঞ্চম শীর্ষ উৎস হিসেবে উঠে এসেছে বাংলাদেশ।
তবে সামগ্রিক বিচারে অস্ট্রেলিয়ায় বিদেশি শিক্ষার্থী আসার গতিতে কিছুটা মন্দা দেখা গেছে। মে ২০২৬ পর্যন্ত বছরের প্রথম পাঁচ মাসের হিসাবে দেশটিতে মোট ৬ লাখ ৮০ হাজার ৫৮২ জন আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছেন, যা ২০২৫ সালের একই সময়ের তুলনায় ৬ দশমিক ৯ শতাংশ কম।
একই সময়ে নতুন শিক্ষার্থী আসার হারও ৬ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৯১ হাজার ৪৬৮ জনে। এক বছরে একজন শিক্ষার্থী একাধিক কোর্সে ভর্তি হতে পারায় মোট এনরোলমেন্ট বা নিবন্ধনের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ৫২ হাজার ৭৮৪-এ (গত বছরের চেয়ে ৮ শতাংশ কম) এবং নতুন কোর্স শুরুর হার ৮ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ১৬ হাজার ৮৮৪-এ।
সার্বিক নিবন্ধনে পতন হলেও বিদেশি শিক্ষার্থীদের কাছে দেশটির বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রিগুলোর কদর এখনো অটুট। অন্যান্য খাতে শিক্ষার্থী কমলেও উচ্চশিক্ষা খাতে ২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি রেকর্ড করা হয়েছে। তবে ল্যাংগুয়েজ বা ভাষাশিক্ষা খাতে নিবন্ধনের সংখ্যা এক ধাক্কায় ২৭ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে।
পছন্দের বিষয়ের ক্ষেত্রে উচ্চশিক্ষায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের প্রথম পছন্দ ‘ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড কমার্স’ এবং দ্বিতীয় পছন্দ ‘ইনফরমেশন টেকনোলজি’ (আইটি)। অন্যদিকে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা (ভিইটি) খাতে ‘ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড কমার্স’-এর পরই জনপ্রিয় বিষয় ‘আর্কিটেকচার অ্যান্ড বিল্ডিং’।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, অধ্যয়নের স্তর বিচারে উচ্চশিক্ষার ৪৩ শতাংশ শিক্ষার্থী ‘মাস্টার্স ডিগ্রি বাই কোর্সওয়ার্ক’ এবং ৪১ শতাংশ ‘ব্যাচেলরস ডিগ্রি’ বেছে নিয়েছেন। পাশাপাশি ভিইটি খাতে ৩৩ শতাংশ শিক্ষার্থী ‘ডিপ্লোমা’ এবং ২৪ শতাংশ শিক্ষার্থী ‘সার্টিফিকেট ৩’ কোর্সে পড়াশোনা করছেন।
জার্মান রাজনীতিতে অতিডান ও অতিবামের উত্থান: ইউরোপের জন্য কি সতর্কবার্তা?
বুদ্ধির মুক্তি: একশ বছর পরও যে প্রশ্নগুলো আমাদের তাড়া করে
আয়নায় মিডিয়ার মুখ: গণমাধ্যম সংস্কার কি অধরাই থেকে যাবে?
অপ্রতিম হত্যা: এমন নির্মম সমাজ ও সংবাদমাধ্যম কীভাবে আমাদের হলো?