1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
নৌকা স্থগিত রেখে ১২০ প্রতীক চূড়ান্ত, একক প্রার্থী হলে থাকবে ‘না’ ভোট বাটেক্সপো ২০২৬ দিয়ে বিশ্ববাজারে নতুনভাবে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের ব্র্যান্ডিং: বিজিএমইএ দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে ৬ গোলে হারল বাংলাদেশ সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পে ৬% সুদে মিলবে ঋণ; ১,৫০০ কোটি টাকার তহবিল করছে সরকার পাকিস্তান-চীন যৌথ সীমান্ত কমিশন প্রত্যাখ্যান করল ভারত এশিয়ান গেমসের আগে দুঃসংবাদ পেল ভারত তিন বছর পর গোপালগঞ্জ স্টেডিয়ামে ফিরছে প্রিমিয়ার লিগ ফুটবল সৌদি আরবে কোরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ৪ হাফেজকে সংবর্ধনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী পর্যটন খাতকে আন্তর্জাতিক মানে নিতে চায় সরকার : পর্যটনমন্ত্রী ভিসা ও অভিবাসন নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন অস্ট্রেলিয়ায়

পর্যটন খাতকে আন্তর্জাতিক মানে নিতে চায় সরকার : পর্যটনমন্ত্রী

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৮ Time View

ঢাকাঃ বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম. রাশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেছেন, বাংলাদেশের পর্যটন খাতের সম্ভাবনাকে পরিকল্পিত, টেকসই ও আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিযোগিতামূলক শিল্পে রূপ দিতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব ও বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

দেশের প্রায় প্রতিটি অঞ্চলেরই নিজস্ব পর্যটন সম্ভাবনা রয়েছে। এসব বিচ্ছিন্ন সম্ভাবনাকে পরিকল্পিতভাবে কাজে লাগাতে হবে।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় ৩ দিনব্যাপী ১৩তম এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে নদী, পাহাড়, সমুদ্র, বন, জঙ্গলসহ বৈচিত্র্যময় পর্যটন সম্পদ রয়েছে। বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন, দীর্ঘ প্রাকৃতিক সমুদ্রসৈকত কক্সবাজার, কুয়াকাটাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আকর্ষণীয় পর্যটনকেন্দ্র রয়েছে। এ ছাড়া সিলেটের চা-বাগান, নদী ও জলাভূমি এবং প্রত্নতাত্ত্বিক ও ধর্মীয় ঐতিহ্যও বাংলাদেশের পর্যটনের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ।

তিনি বলেন, পর্যটনের সম্ভাবনা কয়েকটি প্রতিষ্ঠিত গন্তব্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি অঞ্চলেরই নিজস্ব গল্প ও পর্যটন সম্ভাবনা রয়েছে। এখন এসব বিচ্ছিন্ন সম্ভাবনাকে পরিকল্পিত, টেকসই এবং আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিযোগিতামূলক পর্যটন শিল্পে রূপ দেওয়াই লক্ষ্য। বিভিন্ন শ্রেণির পর্যটন আকর্ষণকে নিয়ে একটি মাস্টারপ্ল্যান তৈরির কাজ চলছে। একই সঙ্গে পর্যটন খাতে বেসরকারি বিনিয়োগ এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) ওপর জোর দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি বলেন, পর্যটন উন্নয়ন শুধু প্রশাসনিক অগ্রাধিকার নয়, এটি বর্তমান সরকারের রাজনৈতিক অঙ্গীকারও। অর্থনৈতিক বৈচিত্র্য, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং ভারসাম্যপূর্ণ আঞ্চলিক উন্নয়নের বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে পর্যটন খাতকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

কক্সবাজারকে আঞ্চলিক পর্যটন হাব হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, কক্সবাজারের দীর্ঘ সমুদ্রসৈকতকে কেন্দ্র করে এটিকে আঞ্চলিক পর্যটন হাব হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। নতুন কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অন্যতম উদ্দেশ্য হলো বাইরের পর্যটকদের আকৃষ্ট করা। আর সুন্দরবনকে নিয়ে পিপিপি মডেলে কিছু করা গেলে বড় ধরনের উদ্যোগ নেওয়া সম্ভব হবে।

পর্যটন খাতে সরকারি ও বেসরকারি খাতের পাশাপাশি স্থানীয় জনগোষ্ঠীকেও সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা ছাড়া পর্যটন খাতকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। এ খাতকে আন্তর্জাতিক বাজারে নিয়ে যেতে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাত ও কমিউনিটিকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

বর্তমানে পর্যটন খাতের অবদান যে পর্যায়ে রয়েছে, সেখান থেকে তা আরও বাড়াতে কাজ করতে হবে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে নতুন, উদ্ভাবনী ও ব্যয়-সাশ্রয়ী ধারণা নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে।

অনুষ্ঠানে পর্যটন শিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার, উন্নয়ন সহযোগী, বিনিয়োগকারীরা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে আয়োজকরা জানিয়েছেন, আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই ট্যুরিজম ফেয়ার অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত মেলা চলবে। এতে বাংলাদেশসহ ১০টি দেশের ২০০টির বেশি প্রতিষ্ঠান প্রায় ৩০০টি বুথে অংশ নিচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ