1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৫৭ অপরাহ্ন

১২ সেপ্টেম্বর শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৭ Time View

উদ্ভাবনের সঙ্গে নীতি সহায়তা, শিল্পখাত, বিনিয়োগ ও বাজারের সুযোগের সংযোগ ঘটাতে আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে ঢাকার নভোথিয়েটারে শুরু হচ্ছে ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬’। তিন দিনব্যাপী এ মেলায় ১০০ জনের বেশি ব্যক্তি পর্যায়ের উদ্ভাবক ও স্টার্ট-আপ প্রতিষ্ঠাতা এক হাজারের বেশি উদ্ভাবন প্রদর্শন করবেন।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।

মন্ত্রী বলেন, এই মেলা বাংলাদেশের উদ্ভাবনগুলোর সঙ্গে নীতি সহায়তা, বিনিয়োগ, শিল্পখাত এবং বাজারের সুযোগের সংযোগ ঘটাতে সাহায্য করবে। উদ্ভাবনকে শুধু প্রদর্শনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে তা বাস্তব প্রয়োগ ও বাণিজ্যিকীকরণের সুযোগ তৈরিই এ আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য।

তিনি জানান, আগামী ১২ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর নভোথিয়েটারে তিন দিনব্যাপী এ মেলা অনুষ্ঠিত হবে। মেলার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মেলায় উদ্ভাবক, গবেষক, শিক্ষার্থী, স্টার্ট-আপ, বিশ্ববিদ্যালয়, শিল্পখাত, বহুজাতিক কোম্পানি, সরকারি প্রতিষ্ঠান, দেশি ও আন্তর্জাতিক এনজিও, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প, সেবা প্রদানকারী, আইডিয়া ইনকিউবেটর, পরিবেশবান্ধব উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারীরা অংশ নেবেন। ৭৩টি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, শীর্ষস্থানীয় বাণিজ্যিক ব্যাংক এবং বড় করপোরেট প্রতিষ্ঠানও এতে অংশ নেবে।

মেলায় উদ্ভাবন প্রদর্শনীর পাশাপাশি ৬টি প্লেনারি সেশন, ৬টি প্যারালাল সেশন ও ৫টি গোলটেবিল বৈঠকসহ তিন দিনে মোট ১৭টি সেশন ও সংলাপ অনুষ্ঠিত হবে। এসব আলোচনায় নীতিনির্ধারক, থিংক ট্যাংক, গবেষক, শিল্প নেতা, উন্নয়ন সহযোগী ও উদ্ভাবকরা অংশ নেবেন।

মন্ত্রী বলেন, আলোচনার মাধ্যমে বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে প্রাসঙ্গিক উদ্ভাবনগুলো চিহ্নিত করা হবে। সফল মডেলগুলো পরীক্ষা করার পাশাপাশি প্রতিশ্রুতিশীল ধারণাগুলো কীভাবে আরও সম্প্রসারণ, বাণিজ্যিকীকরণ ও বাজারের সঙ্গে যুক্ত করা যায়, সে বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হবে।

১৪টি অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাত থেকে উদ্ভাবকরা মেলায় অংশ নেবেন। প্রদর্শিত উদ্ভাবনকে কেন্দ্র করে একটি ‘ইনোভেশন হাব’ বা উদ্ভাবনী কেন্দ্র বিকাশের সূচনাও করা হবে। এর মাধ্যমে উদ্ভাবকদের নীতি সহায়তা, অর্থায়ন, মেধাস্বত্ব সুরক্ষা, শিল্প অংশীদারত্ব ও বাজারের সুযোগ পেতে সহায়তা করা হবে।

উদ্ভাবনের জন্য নীতিগত পরিবেশ শক্তিশালী করতে পলিসি পার্টনার হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ও প্যাটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্ক অধিদপ্তর অংশ নিচ্ছে। টেকনিক্যাল পার্টনার হিসেবে রয়েছে ইউএনডিপি এবং স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার হিসেবে রয়েছে ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, মেলার দ্বিতীয় দিনে ‘হেলথ ইনোভেশন ফর অল: অ্যাক্সপ্যান্ডিং অ্যাকসেস টু অ্যাফোর্ডেবল অ্যান্ড ইনক্লুসিভ কেয়ার’ শীর্ষক বিশেষ সেশন অনুষ্ঠিত হবে। এতে স্বাস্থ্যসেবাকে আরও সহজলভ্য, সাশ্রয়ী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করতে সহায়ক উদ্ভাবন নিয়ে আলোচনা হবে। সেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান উপস্থিত থাকবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার আয়োজন করছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়। বাস্তবায়ন করছে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর এবং বাস্তবায়ন সহযোগী হিসেবে রয়েছে স্পেলবাউন্ড কমিউনিকেশন্স লিমিটেড।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ