1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৩২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
পে-স্কেল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে যে বার্তা এলো ভগ্নস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে দেশ গড়ছে সরকার: রিজভী প্রেমিকের সঙ্গে ঠাট্টা করাই কাল হলো রিধিকার বন্দনার রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসেছে বর্তমান সরকার: প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব মনির হত্যা মামলায় সাবেক এমপি মিলন গ্রেপ্তার বিএনপির সাড়ে ৪ হাজারের বেশি নেতাকর্মী ক্রসফায়ারের শিকার হয়েছেন: আইনমন্ত্রী নেইমারের সঙ্গে হাত মেলাতে অস্বীকৃতি, পুরোনো শত্রুতায় ফের উত্তাপ ‘অটোরিকশায় সৌরবিদ্যুৎ ছাড়া চার্জ দিলে রেজিস্ট্রেশন নয়’ পাটপণ্যের উৎপাদন বাড়ানো গেলে পাটের দাম বাড়বে : বাণিজ্যমন্ত্রী ছয় মাসে একবারও রাজনৈতিক নিপীড়ন হয়নি : মাহদী আমিন

সৌদি-ইউএই-কাতারের ফোনে ইরানে হামলা স্থগিত : ট্রাম্প

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬
  • ৪৯ Time View

চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য ইরানকে একটি ‘শেষ সুযোগ’ দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার (স্থানীয় সময়) তিনি আরো দাবি করেন, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), কাতার এবং ইরানের অনুরোধ পাওয়ার পর ওয়াশিংটন পরিকল্পিত সামরিক হামলা স্থগিত করে।
কারণ তারা সামরিক পদক্ষেপের বদলে কূটনৈতিক পথে এগোতে চেয়েছিল।

হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে প্রথমবারের মতো ‘প্রেসিডেনশিয়াল মিলিটারি স্পাউস কমিশন’ গঠনের নির্বাহী আদেশে সই করার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, কূটনৈতিক যোগাযোগ শুরু হওয়ার আগে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালাতে প্রস্তুত ছিল। আলোচনা ইরানের অনুরোধেই চলছে বলে দাবি করেন ট্রাম্প।
তিনি বলেন, ‘আমরা এখন কথা বলছি। আমরা কথা বলছি। আর এই আলোচনা হচ্ছে ইরানের অনুরোধে। সৌদি আরব এর পক্ষে আছে।
ইউএই এর পক্ষে আছে। বিশেষ করে কাতার এর পক্ষে আছে। আরো অনেক দেশও সমর্থন দিচ্ছে। অনেক দেশ ফোন করেছে। তারা সবাই চেয়েছে, শেষ একটি সুযোগ দেওয়া হোক।
’ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট আরো দাবি করেন, ‘আলোচনা চলছে’ —এমন কথা ইরান আগে অস্বীকার করেছিল। অথচ মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাদের দীর্ঘ বৈঠক হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘এটি অবিশ্বাস্য। আমাদের অনেক আলোচনা হয়েছে। তারা কখনো কখনো তা অস্বীকার করে। অথচ তারা ঘণ্টার পর ঘণ্টা একসঙ্গে বসে কথা বলেছে। তবে আলোচনা এগিয়ে যাচ্ছে।’ ট্রাম্প আরো দাবি করেন, কূটনৈতিক উদ্যোগের আগে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে বড় পরিসরের হামলা চালাতে প্রস্তুত ছিল। তিনি বলেন, ‘গতকাল আমরা তাদের ওপর খুব কঠোর হামলা চালাতে যাচ্ছিলাম। খুবই কঠোর। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যেকোনো হামলার চেয়েও কঠোর। আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত ছিলাম। তখন তারা ফোন করল। পাশাপাশি সৌদি আরব ফোন করল। ইউএই ফোন করল। কাতার ফোন করল। আরো অনেকের কাছ থেকে আমি ফোন পেয়েছি।’ তিনি আরো বলেন, “আমি ‘অনুরোধ’ শব্দটি ব্যবহার করতে চাই না। কিন্তু কেউ কেউ বিশেষভাবে তা করেছে। ইরান হামলার শিকার হতে চায়নি। তারা বলেছে, আমরা কথা বলতে চাই। আমার দৃষ্টিতে আরো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আমরা ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ করার বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে চাই। কারণ পুরো বিষয়টি সেটিকেই ঘিরে।”

ইরান যাতে কখনো পারমাণবিক অস্ত্র না পায়, সেটিই ওয়াশিংটনের প্রধান লক্ষ্য বলে আবারও জানান ট্রাম্প। তিনি বলেন, আগের মার্কিন প্রশাসন ও অন্য দেশগুলো কয়েক দশকেও এই সমস্যার সমাধান করতে পারেনি। তিনি বলেন, ‘এটি অনেক আগেই করা উচিত ছিল। ৫০ বছর ধরে কেউ এটি করতে পারেনি। আর এখন সময় হয়ে গেছে।’ ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে আগের মার্কিন সামরিক অভিযানের কথাও উল্লেখ করেন। তিনি দাবি করেন, সেসব অভিযানে তেহরানের পারমাণবিক সক্ষমতা বড়ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি বলেন, ‘এক বছরেরও বেশি আগে আমরা বি-২ বোমারু বিমান দিয়ে তাদের ওপর হামলা চালিয়েছিলাম। এতে তাদের সক্ষমতা ধ্বংস হয়ে গেছে। আমরা খুব ভালো কাজ করেছি।’

এর আগে সোমবার ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ইরানের সমালোচনা আরো জোরালো করেন ট্রাম্প। তিনি অভিযোগ করেন, ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনা চাইতে চাইতে প্রকাশ্যে আবার সেই আলোচনা অস্বীকার করে ইরানের নেতারা ‘অবিশ্বাস্যভাবে দ্বিমুখী আচরণ’ করছে। তিনি আবারও বলেন, ‘ইরান কখনো পারমাণবিক অস্ত্র পাবে না।’ একই সঙ্গে দাবি করেন, কোনো চুক্তি বা ‘সম্পূর্ণ আত্মসমর্পণ’ না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালিতে যাতায়াতের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের পুরো নিয়ন্ত্রণ থাকবে। ট্রাম্পের এই মন্তব্য আসে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাইয়ের বক্তব্যের পর। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি বা পরোক্ষ আলোচনার খবর নাকচ করেন। তিনি বলেন, তেহরান ওয়াশিংটনের সঙ্গে কোনো দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় নেই। বাঘাই আরো জানান, হরমুজ প্রণালি দিয়ে নতুন সমুদ্রপথে জাহাজ চলাচল নিয়ে ইরান ও ওমানের যে সমঝোতা হয়েছে, সেটি শুধু জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি কারিগরি ব্যবস্থা। এর অর্থ এই নয় যে কৌশলগত এই জলপথ আবার খুলে দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, প্রথমবারের মতো প্রেসিডেনশিয়াল মিলিটারি স্পাউস কমিশন গঠনের নির্বাহী আদেশে সই করার সময় ট্রাম্প বলেন, এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো সামরিক সদস্যদের পরিবারকে আরো শক্তিশালীভাবে সহায়তা করা। তিনি বলেন, ‘আমাদের অসাধারণ সামরিক পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়াতে আমরা আজ একটি বড় নতুন পদক্ষেপ নিচ্ছি। এখানে উপস্থিত থাকার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ। আজ আমি প্রথমবারের মতো প্রেসিডেনশিয়াল মিলিটারি স্পাউস কমিশন গঠনের নির্বাহী আদেশে সই করছি।’

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ