1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ১০:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
নতুন রাষ্ট্রপতিকে লাল গোলাপ দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ২৫৫ ভোট পেয়ে মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীকে সাথে নিয়েই ভোট দিলেন মির্জা ফখরুল সব রাজনৈতিক দল মিলে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের সুনির্দিষ্ট অঙ্গীকার করেছে : তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কলেরা ভ্যাকসিন দেওয়া যাবে এক বছরের বেশি বয়সিদের: স্বাস্থ্যমন্ত্রী নিখোঁজের ৩ ঘণ্টা পর বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার রাজধানীতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫০৬ জনকে গ্রেপ্তার সুখী, সমৃদ্ধ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যাশা মির্জা ফখরুলে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার ও সেবাকে কোনো দয়া বা চ্যারিটি হিসেবে নয়, বরং সাংবিধানিক ও নাগরিক অধিকার হিসেবে দেখছে সরকার পে স্কেলের গেজেট সেপ্টেম্বরে, ১ জুলাই থেকে কার্যকর

জাতীয় ঐক্য ও নির্বাচন বিনষ্টের প্রচেষ্টা চলছে : তারেক রহমান

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
  • ১১২ Time View

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, রক্ত-পিচ্ছিল রাজপথে গড়ে ওঠা জাতীয় ঐক্য ও জাতীয় নির্বাচনের পরিবেশ বিনষ্টের প্রচেষ্টা চলছে। এই চক্রান্তের বিরুদ্ধে দেশের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।

জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হল ও মাঠ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত বিএনপির বর্ধিত সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, হাজারো শহীদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে গণহত্যাকারী ফ্যাসিস্ট হাসিনা দেশ ছেড়ে পালানোর পর দেশে গণতন্ত্রকামী মানুষের সামনে বাংলাদেশকে পুনর্গঠনে একটি সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে।
তবে সেটা নস্যাৎ করার জন্য এরইমধ্যে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে।

তিনি বলেন, এই চক্রান্তের বিরুদ্ধে আমি আজ দেশের কৃষক, শ্রমিক, জনতা, আলেম-ওলামা তথা দেশের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে সতর্ক থাকার আহ্বান এবং অনুরোধ জানাচ্ছি।

তিনি আরো বলেন, যারা বাংলাদেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্র বানিয়ে রাখতে চেয়েছিল তাঁদের ষড়যন্ত্র কিন্তু এখনো থেমে নেই। সংস্কার কিংবা স্থানীয় নির্বাচন এসব ইস্যু নিয়ে জনগণের সামনে একটি ধুম্রজাল সৃষ্টি করা হচ্ছে।
রাষ্ট্র এবং রাজনীতিতে সংস্কার একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। বিএনপির কাছে সংস্কারের ধারণা নতুন কিছু নয়। সরকারে কিংবা বিরোধে দলে বিএনপি যখন যে অবস্থানে দায়িত্ব পালন করেছে, জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে সবসময়ে রাষ্ট্র, সরকার ও রাজনীতিতে প্রয়োজনীয় সংস্কার করেছে বিএনপি এবং সংস্কারের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।

১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের পর দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, সংবিধানে পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন, ১৯৯১ সালে দেশে সংসদীয় সরকার প্রতিষ্ঠা— এ সবই ছিল রাষ্ট্র-রাজনীতির ময়দানে যুগান্তকারী সংস্কার।
এছাড়াও বিভিন্ন মেয়াদে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পালনের সময় বিএনপি সরকার দেশের স্কুল-কলেজে মেয়েদের বিনা বেতনে শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি, রাষ্ট্র ও সমাজে মুক্তিযোদ্ধাদের যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠান, বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা এগুলো ছিল রাষ্ট্র ও সরকারে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার।

তিনি আরো বলেন, তবে ষড়যন্ত্রের হাত ধরে পলাতক গণহত্যাকারী স্বৈরাচার রাষ্ট্র ক্ষমতা দখলের পর সংস্কারের সকল পথ বন্ধ করে দেয়। বাংলাদেশকে চিরতরে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে গত দেড় দশকে শিক্ষা ব্যবস্থাকে প্রায় ধ্বংস করে দিয়েছিল। দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকেও নাজুক করে তুলেছিল। টাকা পাচার আর লুটপাট চালিয়ে করে দেশের অর্থনীতিকে ভঙ্গুর করে দিয়েছিল।
অকার্যকর করে দেওয়া হয়েছিল দেশের সবগুলো সাংবিধানিক ও বিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান। দেশের মানুষের সাংবিধানিক অধিকারকে হরণ করে নিয়েছিল।

বক্তব্যের শুরুতেই তারেক রহমান বলেন, বিএনপির সর্বশেষ বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০১৮ সালে ৪ ফেব্রুয়ারি। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাদার অব ডেমোক্রেসি বেগম খালেদা জিয়া। ফ্যাসিবাদী শাসনকালে এরপর আর বিএনপির বর্ধিত সভা বা কাউন্সিল অনুষ্ঠান করা সম্ভব হয়নি। চিকিৎসাধীন থাকায় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এই সভায় উপস্থিত থাকতে পারেননি। তবে তিনি এই সভার সাফল্য কামনা করেছেন। তিনি আপনাদের কাছে দোয়া চেয়েছেন। এই মানুষটির সম্মোহনী ব্যক্তিত্ব ও সুদক্ষ নেতৃত্ব বিএনপিকে পৌঁছে দিয়েছিল সারা দেশের প্রতিটি গ্রামে, প্রতিটি ঘরে।

তারেক রহমান বলেন, আজকের এই বর্ধিত সভার শুরুতেই আমি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করতে চাই। তিনি একদলীয় অভিশপ্ত বাকশালের অন্ধকারাচ্ছন্ন বাংলাদেশে জ্বালিয়েছিলেন গণতন্ত্রের আলো। মরহুম শেখ মুজিবুর রহমানের নিষিদ্ধ করা সকল দলগুলোকে বাংলাদেশে রাজনীতি করার সুযোগ করে দিয়েছিলেন শহীদ জিয়া। জনগণের ভালোবাসায় ধন্য বিএনপির হাতে গণতন্ত্রের ঝাণ্ডা তুলে দিয়েছিলেন।

তিনি বলেন, বিএনপির জন্ম থেকে আজ পর্যন্ত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও স্বৈরাচার বিরোধী ধারাবাহিক আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন, আহত হয়েছেন, স্বজন হারিয়েছেন, যেসব পরিবার নিদারুণ দুঃখ, কষ্টের শিকার হয়েছেন, যাদের ঘাম-শ্রম-মেধায় বিএনপি আজ আপামর জনগণের কাছে দেশের সবচেয়ে বিশ্বস্ত রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে আজকের এই বর্ধিত সভার শুরুতে তাঁদের প্রত্যেকের অবদানকে কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করতে চাই। সর্বোপরি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের লাখো শহীদ, দেশে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ ধারাবাহিক সংগ্রামে যারা শহীদ হয়েছেন, ২০২৪ সালে জুলাই-আগস্টে তাবেদার অপশক্তির বিরুদ্ধে দলমত নির্বিশেষে স্বাধীনতা রক্ষার যুদ্ধে সাহসী বীর আবু সাইদ, ওয়াসিম, মুগ্ধ, রিয়া গোপ, আব্দুল আহাদসহ বিএনপির পাঁচ শতাধিকসহ হাজারো শহীদ এবং আহত মুক্তিযোদ্ধাদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করতে চাই।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ