1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বিএনপি নেতার জুয়া খেলার ভিডিও ভাইরাল সৌদি আরবের বিমানবন্দরে ভ্রমণ সতর্কতা জারি, বহু হতাহতের শঙ্কা আইএফআইসি ব্যাংকের গৌরবময় পথচলার ৫০ বছর উদযাপন খুলশী থানার ওসি আবদুর রহিমকে এবার খুলনায় বদলি রহমত শাহর ব্যাটে আফগানদের প্রতিরোধ, দ্বিতীয় দিনে বাংলাদেশের সাফল্য ৪ উইকেট এই লড়াই আপনাদের একার না, ঢাকা থেকে পাশে আছি: নাহিদ ব্র্যাক ব্যাংক-সমকাল সাহিত্য পুরস্কার ২০২৪-২০২৫ বিজয়ীদের নাম ঘোষণা পূজামণ্ডপে ‘ঘুমহীন প্রহরীর’ ভূমিকা পালন করবেন বিএনপি নেতাকর্মীরা: রিজভী বিএনপির সংসদীয় দলের জরুরি সভা কাল, আলোচনায় শৃঙ্খলা ও সমসাময়িক রাজনীতি সৌদির রিয়াদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিস্ফোরণ, আহত বহু

টানা দ্বিতীয় বছর কমল চীনের জনসংখ্যা

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২৪
  • ৬৮ Time View

চীনের জনসংখ্যা আবারো কমল। এ নিয়ে টানা দ্বিতীয় বছরেও দেশটির জনসংখ্যা কমার প্রবণতা অক্ষুণ্ণ থাকল। ২০ লাখেরও বেশি কমেছে চীনের জনসংখ্যা। জন্মহার কম থাকা এবং করোনাভাইরাসে মৃত্যুর কারণে জনসংখ্যা কমেছে বলে জানানো হয়েছে।
চীনের জাতীয় পরিসংখ্যান দপ্তর জানিয়েছে, ২০২৩ সালে চীনের জনসংখ্যা ছিল ১৪০ কোটি ৯০ লাখ। দপ্তরের কর্মকর্তারা বলেন, আগের বছর ২০২২ সালের তুলনায় ২০২৩ সালে মোট জনসংখ্যা কমেছে ২০ লাখ ৮ হাজার।
এর আগে ২০২২ সালেও জনসংখ্যা অন্তত ৮ লাখ ৫০ হাজার হ্রাস পেয়েছিল চীনে। পরিসংখ্যান দপ্তরের তথ্য অনুসারে, ১৯৬১ সালের মহাদুর্ভিক্ষের পর এই প্রথম টানা দুই বছর ধরে জনসংখ্যা হ্রাসের ধারা দেখছে দেশটি।
২০২২ সালে জনসংখ্যা হ্রাসের প্রধান কারণ ছিল কোভিড। টানা আড়াই বছর কঠোর করোনাবিধি জারি রাখার পর ওই বছর নভেম্বরে ব্যাপক জনবিক্ষোভের মুখে আকস্মিকভাবে সব বিধিনিষেধ তুলে নেয় বেইজিং। তার জেরে ওই বছরের শেষ থেকে ২০২৩ সালের শুরু পর্যন্ত লাখ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছে চীনে।
কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান দপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ২০২৩ সালে চীনের মোট মৃত্যুর ঘটনা ৬ দশমিক ৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে পৌঁছেছে ১ কোটি ১১ লাখে। ১৯৭৪ সালের পর এই প্রথম এক বছরে এত সংখ্যক মানুষের মৃত্যু দেখেছে দেশটি।
একই বছর ৯০ লাখ ২০ হাজার শিশু জন্ম নিয়েছে দেশটিতে। শতাংশ হিসেবে এই হার ৫ দশমিক ৭ শতাংশ। ইতিহাসে এর আগে এত কম জন্মহার দেখেনি চীন। ২০২২ সালে দেশটিতে জন্মহার ছিল ৬ দশমিক ৭৭।
এক শিশু নীতি
একসময় এশিয়ার উন্নয়নশীল এবং স্বল্পোন্নত দেশগুলোর মতো চীনেও অতিরিক্ত জনসংখ্যা একটি সমস্যা হিসেবে হাজির ছিল। ১৯৮০ সালে ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টি সেই সমস্যার সমাধান হিসেবে এক সন্তান নীতি চালু করে।
কিন্তু ২০১০ সাল থেকে জন্মহার কমা শুরু হওয়ার ৫ বছর পর, ২০১৫ সালে সেই নীতি থেকে সরে আসার ঘোষণা দেয় চীন।
কিন্তু তবুও কাঙ্ক্ষিত জন্মহার অধরাই থেকে যায়। কারণ, বর্তমানে চীনে সন্তানদের বড় করার খরচ, শিক্ষাব্যয় এত বেশি যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক দম্পতিই একটির অধিক সন্তান নিতে আগ্রহী হন না।
এই সংকটকে আরও প্রকট করেছে চীনের কঠোর করোনানীতি। আড়াই বছরেরও বেশি সময় ধরে লকডাউন, কোয়ারেন্টাইনসহ যাবতীয় কঠোর নীতি জারি থাকায় বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হিসেবে পরিচিত দেশটির অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিতে যে অচলাবস্থা দেখা দিয়েছিল, আরও তিন-চার বছর তার রেশ থাকবে বলে ধরণা করা হচ্ছে।
চীনের সরকার অবশ্য জন্মহার বাড়ানোর ব্যাপারটিতে বেশ গুরুত্ব দিচ্ছে। গত বছর এক ভাষণে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং চীনের নারীদেরকে আরও বেশি সন্তান ধারণের জন্য উৎসাহ দিয়ে বলেছেন, ‘চীনের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ বড় পরিবার। নারীদের প্রতি আমার অনুরোধ, নিজেদের পূর্বপ্রজন্মের নারীদের অনুসরণ করুন এবং পরিবারের আকার বড় করুন।’
দম্পতিদের অধিক সন্তান নিতে উৎসাহিত করার জন্য বিভিন্ন কর্মসূচিও হাতে নিয়েছিল বেইজিং। কিন্তু তহবিল সংকট ও স্থানীয় সরকারের উৎসাহের অভাবে মুখ থুবড়ে পড়েছে সেসব কর্মসূচি।
৩৬ বছর বয়সী ওয়াং ওয়েইডং বেইজিংয়ের একটি ইন্টারনেট কোম্পানিতে চাকরি করেন। এক সন্তানের পিতা ওয়াং জানান, তিনি এবং তার স্ত্রী— উভয়ই দ্বিতীয় সন্তান নেওয়া থেকে বিরত থাকতে চান।
‘সরকার যেসব কর্মসূচি নিয়েছে, তাতে আসলে কোনো কাজ হবে না। মূল সমস্যা হলো— সাধারণ জনগণের আয় কমে গেছে। আয় না বাড়লে জন্মহার বৃদ্ধি পাওয়া সম্ভব নয়,’ বলেন ওয়াং।
খবর রয়টার্স

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ