1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০২:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
তারেক রহমানের আমন্ত্রণে ঝটিকা সফরে বাংলাদেশে এসেছিলেন বিল গেটস: সালেহ শিবলী রাজধানীতে র‌্যাবের অভিযানে বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার ; আটক ৩ সএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র বিতরণে সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে : উপদেষ্টা মাহদী আমিন ওয়াশিংটনে নৈশভোজে গুলি: হামলাকারীকে আটকের দাবি ট্রাম্পের কলম্বিয়ায় মহাসড়কে বোমা হামলা, নিহত অন্তত ১৪ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আরেক গাড়িতে ধাক্কা, এক পরিবারের তিন জনসহ আহত চার যুদ্ধবিরতি শেষ করার কথা ‘এখনো ভাবেনি’: ট্রাম্প ব্যাংকগুলো ‘খালি হয়ে গেছে’: অর্থমন্ত্রী আমির খসরু ট্রাম্প প্রশাসনকে উপেক্ষা করে মাদুরোর পক্ষে রায় দিল নিউইয়র্ক আদালত মেয়ে সুহানাকে নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকায় শাহরুখের ‘কিং’-এর অ্যাকশন শুটিং

চড়াও রমনি, শান্ত ওবামা

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ৫ অক্টোবর, ২০১২
  • ১১০ Time View

প্রেসিডেন্ট লড়াইয়ের প্রথম বিতর্কে একের পর এক আঘাত হানলেন মিট রমনি। রিপাবলিকান এই প্রার্থী গোড়া থেকেই চড়াও হন ডেমোক্র্যাট প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার ওপর। তবে আগাগোড়া শান্ত ও ধৈর্য্যশীলতার পরিচয় দিয়ে যুক্তির মারপ্যাচে রমনির আঘাতের উত্তর দেন ওবামা।

বিতর্ক শুরুর প্রথম কয়েক মিনিটেই প্রথম গোলাটি ছোড়েন রমনি। বিষয় প্রেসিডেন্টের অর্থনৈতিক পরিকল্পনা। দেশের জনগণকে ভুলপথে পরিচালিত করছেন বলে দোষারোপ করেন। এসব বলতে বাক্য ও শব্দের ব্যবহারও ছিলো কড়া। ওবামা সরকারকে ‘ধীরে চুইয়ে পড়া নীতির সরকার’ বলতেও ছাড়েননি। মধ্যবিত্তদের ওপর প্রেসিডেন্ট ‘সুলভশ্রেণীর কর’ আরোপ করেছেন বলে দোষ চাপান।

রমনি বলেন, চার বছর আগে যে ভাবনা ছিলো ঠিক একই ভাবনা নিয়ে এবারও হাজির হয়েছেন। আবারও সেই একই কথা- অপেক্ষাকৃত বড় প্রশাসন, বেশি খরচ, বেশি কর, বেশি নিয়ন্ত্রণ- এসব মোটেই আমেরিকার জন্য সঠিক পথ নয়।

জবাবে ওবামা রমনি’র অর্থনৈতিক পরিকল্পনার কথা জানতে চেয়ে বলেন, তিনি শুধু কর কমানোর প্রস্তাবই দিলেন কিন্তু কিভাবে কর কমিয়ে আনবেন তা ব্যাখ্যা করলেন না।

ওবামা বলেন, গভর্নর রমনি’র কেন্দ্রীয় অর্থনৈতিক পরিকল্পনায় পাঁচ ট্রিলিয়ন ডলার কর কর্তনের কথা বলা হয়েছে। তা আবার প্রেসিডেন্ট বুশের কর কর্তনের বাইরে। ফলে তাতে যোগ হবে আরও এক ট্রিলিয়ন ডলার। এছাড়া সামরিক খাতে আরো দুই ট্রিলিয়ন ডলার খরচের কথা বললেন, যদিও সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে সেরকম কোনো চাহিদার কথা জানানো হয়নি। এখন আমার প্রশ্ন হচ্ছে এই অর্থ আমরা কোথায় পাবো। এর দায়ভার কি প্রাকারান্তরে মধ্যবিত্তের ওপরেই চাপবে না!

উত্তরে মিট রমনি বলেন, তার পরিকল্পনার ভুল ব্যাখ্যা দিচ্ছেন প্রেসিডেন্ট ওবামা।  তিনি বলেন, আমার পাঁচ ট্রিলিয়ন ডলার কর-কর্তনের কোনো পরিকল্পনা নেই। মিথ্যা বলে জনগণকে সবকিছু বিশ্বাস করানো যাবে না।

সবশেষ জনমত জরিপে রিপাবলিকান মিট রমনি ডেমোক্র্যাট বারাক ওবামার চেয়ে কিছুটা পিছিয়ে রয়েছেন।

বিতর্কের প্রথম ৪৫ মিনিট জুড়েই ছিলো অর্থনীতি। পুরো বিতর্ক জুড়ে দেখা গেছে রমনি অনেকটা চড়াও হয়ে কথা বলেছেন। সঞ্চালকের মাধ্যমে নয় সরাসরি প্রেসিডেন্টকে উদ্দেশ্য করেই কথা বলতে পছন্দ করছিলেন তিনি।

রমনি বলেন, আমেরিকায় আজ মধ্যবিত্তরা সবচেয়ে কঠিন সময় পার করছে। প্রেসিডেন্ট যেসব নীতি আরোপ করছেন তাতে মধ্য আয়ের মানুষগুলো স্রেফ মাটিচাপা পড়েছে। তারা শেষ হয়ে গেছে। তারা দেখছে তাদের আয় ৪ হাজার ৩ শ’ ডলারে নেমে গেছে। আর এসব কিছুই স্রেফ কর আরোপের জন্য। আমি বলবো এটি সুলভ কর। আর তা অবশ্যই মানুষকে সঙ্কটাপন্ন করছে।

উত্তরে ওবামা বলেন- মধ্যবিত্তরা ভালো থাকলে আমরা ভালো থাকবো এটাই আমার বিশ্বাস। অস্বাভাবিক অর্থনৈতিক মন্দার মধ্যেও আমি বলবো মধ্যবিত্তরা অবশ্যই ভালো আছেন। তারা তাদের সন্তানদের জন্য কম্পিউটার কিনতে পারছেন। এর মানেই হচ্ছে তারা অর্থ ব্যয় করছেন। এতে ব্যবসায়ীরা বেশি খদ্দের পাচ্ছেন। ব্যবসায় অধিক মুনাফা হচ্ছে। তারা আরও কর্মচারি-শ্রমিক নিয়োগ দিচ্ছেন। ফলে কর্মসংস্থান বাড়ছে।

এ পর্যায়ে রমনি ওবামার ওপর নতুন আঘাত হেনে বলেন, তার সরকারের আমলে কেন্দ্রীয় ঋণের পরিমান দ্বিগুন হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট বললেন তিনি অর্থনৈতিক ঘাটতি অর্ধেকে নামিয়ে এনেছেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হচ্ছে তিনি উল্টো তা দ্বিগুন করেছেন। গত চার বছরে ট্রিলিয়ন ডলার ঘাটতি হয়েছে। জনগণের ঋণের বোঝা বাড়ছে। প্রেসিডেন্ট ওবামা আমেরিকানদের ওপর যতটা ঋণের বোঝা চাপিয়েছেন ততটা হয়তো আগের অন্য সব প্রেসিডেন্ট মিলেও করেননি।

ওবামার জবাব, ওভাল অফিসে যখন ঢুকি তখন ট্রিলিয়ন ডলারের ঘাটতিও আমাকে স্বাগত জানিয়েছিলো। এবং আমরা সকলেই জানি এই ঘাটতির উৎস কোথায়। দুটি যুদ্ধের খরচ যোগাতে জাতি ক্রেডিট কার্ড নির্ভর হয়ে পড়ে। দুটি কর-কর্তনসহ অন্য গুচ্ছ গুচ্ছ কর্মসূচিই বাস্তবায়ন হয়ে যায় বাকিতে। ফলে জাতি তখন থেকেই চরম অর্থনৈতিক সঙ্কটে পড়েছিলো, সেকথা ভুলে গেলে চলবে না।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ