1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ভাঙ্গা-বরিশাল চার লেন সড়ক প্রকল্প একনেকে অনুমোদন পেতে পারে : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী সৌদিগামী ১৪১ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে প্রায় ২২ হাজার যাত্রী ব্র্যাক ব্যাংকে চাকরির সুযোগ, লাগবে যে যোগ্যতা সোমবার থেকে নতুন রুটে চলবে মহানগর এক্সপ্রেস ইনশাআল্লাহ সিলেট- ২ আসনের কোন এলাকা উন্নয়ন বঞ্চিত থাকবে না- এমপি লুনা ঢাকা থেকে কক্সবাজার যেতে যেসব স্টেশনে থামবে মহানগর এক্সপ্রেস বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচকে ভারতের চেয়ে ভালো অবস্থানে বাংলাদেশ সরকার পরিবেশবান্ধব নবায়নযোগ্য জ্বালানি সম্প্রসারণে আন্তরিক প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে সই হতে পারে যেসব সমঝোতা স্মারক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যক্তিস্বার্থে ব্যবহার নয়: পানিসম্পদমন্ত্রী

ভূমধ্যসাগরের লিবিয়া উপকূলে নৌকা ডুবে নিহত ৪৫

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২০
  • ৪০ Time View

লিবিয়া থেকে অবৈধভাবে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেওয়ার সময় চলতি বছরের সবচেয়ে ভয়াবহ নৌকাডুবির ঘটনা ঘটেছে। এতে পাঁচ শিশুসহ অন্তত ৪৫ অভিবাসী এবং শরণার্থী প্রাণ হারিয়েছেন। জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর বুধবার এসব তথ্য জানিয়েছে।

বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী ইউএনএইচসিআর জানিয়েছে, ৮০ জনেরও বেশি যাত্রী নিয়ে যাওয়ার সময় ছোট ওই নৌযানটির ইঞ্জিন বিস্ফোরিত হলে তা ডুবে যায়। এতে অন্তত ৪৫ জন প্রাণ হারান। স্থানীয় জেলে ও মৎস্যজীবীরা ৩৭ জনকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছেন। এখনো বেশ কয়েকজন নিখোঁজ।

ভয়াবহ ও প্রাণঘাতী ওই দুর্ঘটনার পর বুধবার যৌথ বিবৃতিতে জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসী সংস্থা (আইওএম) এমন তথ্য দিয়ে উদ্ধার অভিযান জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছে। সংস্থা দুটি বলছে ব্যাপক উদ্ধার অভিযান ছাড়া ভূমধ্যসাগরে আরও অনেকের প্রাণহানি ঘটবে।

ওই যৌথ বিবৃতিতে জাতিসংঘের অঙ্গ সংস্থা দুটি জানিয়েছে সোমবারের ভয়াবহ ওই নৌকাডুবির যারা প্রাণ হারিয়েছেন তাদের বেশিরভাগই আফ্রিকার দেশে সেনেগাল, মালি, শাদ ও ঘানার বাসিন্দা।

লিবিয়া থেকে ইউরোপ যাওয়ার সময় চলতি বছর ভূমধ্যসাগরে তিন শতাধিক মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। ২০১৪ সালে আইওএম হিসাব রাখার শুরুর পর গত কয়েক বছরে এই সংখ্যা ২০ হাজারের বেশি। তবে এই তথ্যের চেয়ে প্রকৃত মৃত্যুর সংখ্যাটা আরও অনেক বেশি বলেই জানাচ্ছে বিবিসি।

২০১১ সালে সাবেক স্বৈরশাসক মুয়াম্মার গাদ্দাফি ক্ষমতা থেকে উৎখাত হওয়ার পর অভিবাসীদের জন্য একটি প্রধান ট্রানজিট পয়েন্ট হয়ে দাঁড়িয়েছে লিবিয়া।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ