ঢাকায় ইতালীয় নাগরিক তাভেলা সিজার হত্যাকাণ্ড বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি দাবি করেছেন, এই হত্যাকাণ্ডে ইসলামিক স্টেট (আইএস) জড়িত থাকার যে তথ্য সংবাদমাধ্যমে এসেছে, তার
হজের সময় ভিড়ের চাপে মিনায় নিহত ২৬ জন বাংলাদেশীর তালিকা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের হজ অফিস। এসব বাংলাদেশীর মরদেহ মক্কার একটি হাসপাতালে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। এদিকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের
ইতালীয় নাগরিক তাভেলা সিজার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত পিয়েরে মায়েদুন। তিনি এই হত্যার দ্রুত তদন্ত দাবি করেছেন। সিজারের পরিবার, বন্ধুবান্ধব ও সহকর্মীদের সঙ্গে
হজ শেষে সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরেছেন আরো ৪১৯ জন হাজি। মঙ্গলবার সকাল ৯টা ১০ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বিজি-২০১৪ ফ্লাইটে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তারা। বিমানবন্দরের সিভিল এভিয়েশনের
সরকারি চাকরির আবেদনে কোনো সনদের সত্যায়িত কপি জমা দিতে হবে না। লাগবে না সত্যায়িত ছবিও। মৌখিক পরীক্ষার সময় মূল সনদ দেখাতে হবে। সচিব কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে সরকার এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সৌদি আরবের মিনায় পদদলিত হয়ে ২৬ বাংলাদেশী হাজি নিহত হয়েছেন বলে সর্বশেষ জানিয়েছে বাংলাদেশ দূতাবাস। তাদের মধ্যে ১৩ জনের পরিচয় পাওয়া গেছে। মক্কায় বাংলাদেশ হজ মিশন জানিয়েছে, এ ছাড়া এখনো
অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাজ্যের পর কানাডাও তাদের নাগরিকদের বাংলাদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছে। এছাড়া ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস তার নাগরিকদের বাংলাদেশে অবস্থানকালে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে। ঢাকায় আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল স্কুল
রাজধানী ঢাকার গুলশানে ইতালীয় নাগরিককে হত্যা করার দায় স্বীকার করেছে জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট (আইএস)। বিভিন্ন জঙ্গি গোষ্ঠীর ইন্টারনেটভিত্তিক তৎপরতা নজরদারি করে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এমন ওয়েবসাইট ‘সাইট ইন্টেলিজেন্স গ্রুপ’ গতকাল সোমবার
সৌদি আরবের মিনায় পদদলনের ঘটনায় এ পর্যন্ত ১৮ বাংলাদেশী নিহত হওয়ার কথা জানিয়েছে হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশনস অব বাংলাদেশ (হাব)। এ ছাড়া ৯০ বাংলাদেশী নিখোঁজ রয়েছেন বলে হাবের পক্ষ থেকে বলা
হজের সময় সৌদি আরবের মিনায় পদদলিত নিহত ২৬ বাংলাদেশির তালিকা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ হজ অফিস। আজ সকালে প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইটে এ তালিকা প্রকাশিত হয়। নিহতদের লাশ মক্কার মাইশাম হাসপাতালের মর্গে রাখা